ঠোক দিয়া, সহি কিয়া: তেলেঙ্গানা এনকাউন্টারে পুলিশের সমর্থনে কুস্তিগীর ববিতা ফোগাত

Telangana rape accused killed: পুলিশের এই পদক্ষেপের প্রশংসা করে এক টুইটে ববিতা বলেন, “ঠোক দিয়া, সহি কিয়া!”

ঠোক দিয়া, সহি কিয়া: তেলেঙ্গানা এনকাউন্টারে পুলিশের সমর্থনে কুস্তিগীর ববিতা ফোগাত

"পুলিশ খুবই সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং আমি তাদের সমর্থন করছি,” হিন্দিতে টুইট করেছেন ববিতা

হাইলাইটস

  • শুক্রবার সকালেই পুলিশের গুলিতে মারা যায় ৪ জন ধর্ষক
  • পুলিশ খুবই সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং আমি সমর্থন করছি; লিখছেন ববিতা
  • সাইনা নেহওয়াল সহ অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বই এনকাউন্টারের পক্ষেই দাঁড়িয়েছেন
নয়াদিল্লি:

গত মাসে হায়দরাবাদের কাছে ২৭ বছর বয়সী পশুচিকিত্সককে গণধর্ষণ করে পুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে চারজন অভিযুক্তকে শুক্রবার সকালেই এনকাউন্টারে (Telangana police encounter) হত্যা করেছে তেলেঙ্গানা পুলিশ। পুলিশের এই ভূমিকার এবার প্রশংসা করলেন অলিম্পিক কুস্তিগীর ববিতা কুমারী ফোগাত (Olympic wrestler Babita Kumari Phogat)। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের জন্য অপরাধের পুনর্নির্মাণের কারণে অপরাধের ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল চার অভিযুক্তকে। অভিযুক্তরা সেখানে পুলিশের উপর হামলা করলে পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ এবং তাতেই মারা যায় ৪ জন ধর্ষক। পুলিশের এই পদক্ষেপের প্রশংসা করে এক টুইটে ববিতা বলেন, “ঠোক দিয়া, সহি কিয়া!” (Thok diya, sahi kiya)। 

আরও পড়ুনঃ “এমন এনকাউন্টার আইনি করে দেওয়া উচিৎ” : বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়

“আমি আজ সকালেই যে খবরটা পেলাম তাতে গভীর শান্তি পেয়েছি। হায়দরাবাদ পুলিশ একটি এনকাউন্টারে চারজন গণধর্ষণকারীকে হত্যা করেছে। পুলিশ খুবই সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবং আমি তাদের সমর্থন করছি,” হিন্দিতে টুইট করেছেন ববিতা।

মহাম্মদ আরিফ (২৬), জল্লু শিব (২০), জল্লু নবীন (২০) এবং চিন্তাকুন্ত চেন্নাকেশাভুলু (২০) নামের ওই চারজনের বিরুদ্ধেই অভিযোগ ছিল পাংচার হয়ে যাওয়া স্কুটার ঠিক করার অজুহাতে ওই পশু চিকিৎসককে অপহরণ করে তারা। এবং তারপর ধর্ষণ করে আগুনে জ্বালিয়ে দেয় ওই তরুণীকে।

আরও পড়ুনঃ ‘‘আইন তার কর্তব্য করেছে'': তেলেঙ্গানা এনকাউন্টার প্রসঙ্গে তেলেঙ্গানা পুলিশ

পুলিশ শুক্রবার জানিয়েছে, এই অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনার ধারাবাহিকতার পুনর্নির্মাণের জন্য ভোর ৫.৪৫ নাগাদটার দিকে অভিযুক্তদের অপরাধের ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সাইবারবাদের পুলিশ প্রধান ভিসি সাজ্জানার বলেন, “অভিযুক্তরা আমাদের উপর পাথর ছুঁড়তে থাকে এবং ধারালো জিনিস দিয়ে আঘাত করতে শুরু করে এবং আমাদের অস্ত্রও ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এর পর আমাদের পাল্টা গুলি চালাতেই হয়েছিল।" তিনি আরও বলেন, “আইন নিজের দায়িত্ব পালন করেছে। আমি এটুকুই বলতে পারি।"

নিগৃহীতার বাবা জানিয়েছেন তার মেয়ের আত্মা “নিশ্চয়ই এবার শান্তি পেয়েছে।” তিনি বলেন, “আমার মেয়ে মারা গিয়েছে দশদিন হয়ে গেছে। আমি পুলিশ এবং সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। আমার মেয়ের আত্মা নিশ্চয়ই শান্তি পাবে।"

ব্যাডমিন্টন কিংবদন্তি সাইনা নেহওয়াল সহ অনেক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বই অভিযুক্তদের এনকাউন্টারে হত্যার ঘটনাকে স্বাগত জানিয়েছেন। তবে অনেকেই এই পুরো বিষয়টিকে বিচার-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বলেও মনে করছেন।

পশু চিকিৎসককে ধর্ষণ করে জ্বালিয়ে দেওয়ার মারাত্মক অপরাধ দেশব্যাপী ক্ষোভ এবং অসন্তোষের জন্ম দিয়েছিল। বেশ কয়েকজন সাংসদও দোষীদের মধ্যযুগীয় শাস্তির দাবি করেছিলেন।

More News