PUBG-র পিছনে বাবার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ১৬ লক্ষ টাকা ওড়ালো কিশোর

PUBG Mobile Revenue: সেন্সর টাওয়ার নামে একটি সংস্থার রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বে এই মহামারীর সময়েও ভালোরকম আয় করেছে পাবজি মোবাইল গেম তৈরির সংস্থাটি

PUBG-র পিছনে বাবার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ১৬ লক্ষ টাকা ওড়ালো কিশোর

PUBG: পাবজি যেন একটা নেশার মতো, ক্রমেই বাড়ছে এটি খেলার প্রবণতা

হাইলাইটস

  • পাবজি গেমের নেশায় বুঁদ পঞ্জাবের এক কিশোরের কাণ্ডে হতবাক সবাই
  • বাবার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ১৬ লক্ষ টাকা ওড়ালো সে
  • পাবজির গেম আপগ্রেড ও অ্যাপ্লিকেশন কিনতে ওই টাকা খরচ করে কিশোর

করোনা ভাইরাসের ভয়ঙ্কর হামলাও দমাতে পারেনি পাবজি (PUBG) খেলার নেশায় পাগলদের। বরং এই সময় পাবজি খেলার প্রবণতা যেন আরও বেড়ে গেছে। সেন্সর টাওয়ার নামে একটি সংস্থার রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, বিশ্বে এই মহামারীর সময়েও ভালোরকম আয় (PUBG Mobile Revenue) করেছে পাবজি মোবাইল (PUBG Mobile) গেম তৈরির সংস্থাটি। আসলে পাবজি যেন একটা নেশার মতো, যারা একবার এই গেমের নেশায় মত্ত হয়েছে তারা এর জন্যে বোধহয় যেকোনও কিছু করতেই পিছপা হয় না। এই যেমন পাবজি গেমের নেশায় (PUBG Addiction) বুঁদ পঞ্জাবের এক ১৭ বছরের কিশোর বাবার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ১৬ লক্ষ টাকা খরচ করতেও দু'বার ভাবেনি। পাবজির বিভিন্ন পেড অ্যাপ্লিকেশন কিনতে গিয়ে এবং গেম আপগ্রেড করতে গিয়ে ওই বিপুল অর্থ রীতিমতো উড়িয়ে দেয় সে। জানা গেছে, ওই টাকা তাঁর বাবা চিকিৎসা খাতে ব্যয়ের জন্যে সারা জীবন ধরে সঞ্চয় করেছিলেন। পাবজির নেশায় বাবার মাথার ঘাম পায়ে ফেলে অর্জন করা সেই টাকা বিনা চিন্তাভাবনায় নষ্ট করেছে কিশোরটি।

চিনকে শায়েস্তা করতে প্রয়োজনে কিছু নিয়মের পরিবর্তন আনা হোক: নীতিন গডকড়ি

ট্রিবিউন ইন্ডিয়ার খবর অনুসারে, পঞ্জাবের খারারে থাকা ওই কিশোরটি কাছে তাঁর মা-বাবার তিনটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেরই অ্যাক্সেস ছিল, বরাবরই সেখান থেকেই সে পাবজি গেমটি আপগ্রেড করতো। কিন্তু ছেলের আবদার মেটাতে গিয়ে যে এত বিশাল অঙ্কের অর্থ খেসারত দিতে হবে তাঁদের তা একেবারেই কল্পনা করতে পারেননি অভিভাবকরা।

চাইনিজ অ্যাপ নিষিদ্ধ করে "ডিজিটাল স্ট্রাইক" করা হয়েছে: রবিশঙ্কর প্রসাদ 

ওই কিশোরের বাবা একজন সরকারি চাকুরে। তিনি ভবিষ্যতে চিকিৎসার জন্য ওই টাকা জমিয়ে রেখেছিলেন। কিন্তু তিনি প্রথমে টেরই পাননি যে তাঁর ছেলে এমন কাণ্ড করছে, কারণ কর্মসূত্রে অন্য জায়গায় ছিলেন তিনি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই ভদ্রলোক জানিয়েছেন, "আমার ছেলে ওই মায়ের মোবাইল ফোন থেকে ওই সমস্ত লেনদেন করতো এবং তারপর অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা খরচ সংক্রান্ত যে মেসেজটি আসতো সেটি সঙ্গে সঙ্গে ডিলিট করে দিত। ফলে আমরা কিছু জানতেই পারিনি সেই সময়।"

বাবা-মা ভাবতেন ওই কিশোর তাঁর অনলাইন পড়াশুনোর জন্যে রাতদিন মোবাইল নিয়ে বসে আছে। কিন্তু তলে তলে যে সে এই কাণ্ড ঘটাচ্ছে তার আন্দাজ কোনওভাবেই করতে পারেননি তাঁরা। যতক্ষণে টের পেলেন ততক্ষণে সর্বনাশ যা হওয়ার হয়ে গেছে।