আরএসএস-এর অংশ থাকা মিলিন্দ সোমান জানালেন, এই নিয়ে গর্বের কিছু পাননি

মিলিন্দ সোমান (Milind Soman) আরও লেখেন, ‘‘আজকাল ‘শাখা’-কে ঘিরে মিডিয়ায় যে সাম্প্রদায়িক আলোচনা হয়, তা দেখে আমি হতভম্ব।’’

আরএসএস-এর অংশ থাকা মিলিন্দ সোমান জানালেন, এই নিয়ে গর্বের কিছু পাননি

মিলিন্দ সোমান (Milind Soman) আরএসএস (RSS) নিয়ে তাঁর মত ব্যক্ত করলেন।

হাইলাইটস

  • মিলিন্দ জানিয়েছেন, তিনি এক সময় আরএসএস-এর সদস্য ছিলেন
  • তিনি জানিয়েছেন, তিনি এ নিয়ে গর্বিত নন
  • তাঁর বাবাও আরএসএস-এর সদস্য ছিলেন বলে জানান তিনি
নয়াদিল্লি:

বলিউড অভিনেতা ও সুপার মডেল মিলিন্দ সোমান (Milind Soman) তাঁর স্টাইল এবং ফিটনেসের জন্য জনপ্রিয়। তবে ইদানিং তাঁর বই 'মেড ইন ইন্ডিয়া'-কে নিয়ে নতুন করে আলোচনায় রয়েছেন তিনি। ওই বইতে মিলিন্দ জানিয়েছেন, তিনি এক সময় আরএসএস-এর (RSS) সদস্য ছিলেন। আর তাঁর এই কথাটি জানার পর নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে সুদর্শন এই অভিনেতাকে নিয়ে। ‘দ্য প্রিন্ট' অনুসারে, তাঁর বইতে মিলিন্দ আরএসএস-কে ঘিরে তাঁর ব্যক্তিগত স্মৃতিচারণ করেন। তিনি জানিয়েছিলেন যে তিনি মুম্বইয়ের শিবাজি পার্কের একটি শাখায় যেতেন। তিনি এও জানান, তাঁর বাবাও ছিলেন আরএসএস-এর সঙ্গে যুক্ত।

আরএসএস-এ তাঁর ঢোকা নিয়ে মিলিন্দ সোমান স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে জানাচ্ছেন, ‘‘আমি বিরক্ত হয়েছিলাম যে, আমার বাবা আমার মতো একটি শিশুকে বাকি বাচ্চাদের সঙ্গে এই কর্মকাণ্ডে কেন ঢুকিয়ে দিলেন! আমি অংশ নিতে চাইনি। আমার বাবা বিশ্বাস করতেন, ‘শাখা'-র মাধ্যমে (আরএসএস-এর তরুণ সংগঠন) তরুণরা শৃঙ্খলাবদ্ধ জীবন, শারীরিক সুস্থতা এবং ভাল চিন্তার অধিকারী হয়ে ওঠে।''

"নির্বাচিত কংগ্রেস সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরাতে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী": রাহুল গান্ধি

তিনি আরও লেখেন, ‘‘আজকাল ‘শাখা'-কে ঘিরে মিডিয়ায় যে সাম্প্রদায়িক আলোচনা হয়, তা দেখে আমি হতভম্ব।'' তিনি তাঁর বইতে আরও লেখেন, প্রতিটি বিকেলে ‘শাখা'-য় যাওয়া ছিল আলাদা রকমের।

‘শাখা'-র দিনগুলির কথা বলতে গিয়ে মিলিন্ড সোমান আরও জানাচ্ছেন, ‘‘আমরা খাঁকি শর্টস পরে পায়চারি করতাম, যোগব্যায়াম করতাম এবং স্টাইলিশ জিনিস দিয়ে নয় ঐতিহ্যবাহী বস্তু দিয়ে অনুশীলন করতাম। সংস্কৃতে মন্ত্র উচ্চারণ করতাম।''

"আমি বিজেপি থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছি, হিন্দুত্ব থেকে নয়," অযোধ্যায় বললেন উদ্ধব ঠাকরে

মিলিন্দ সোমান আরও জানান, ‘আরএসএস'-এর সদস্য হওয়ার কারণে তাঁর বাবা নিজেকে গর্বিত হিন্দু বলে মনে করতেন। কিন্তু মিলিন্দ জানাচ্ছেন, ‘‘আমার এমন কিছু মনে হয়নি, যা থেকে গর্ব অনুভব করতে পারি। কিন্তু অন্যদিকে অভিযোগ করার মতো কিছুও আমি দেখিনি।''