“যেদিন মোদিজি সরে যাবেন, আমিও রাজনীতি ছেড়ে দেব” বললেন স্মৃতি ইরানী

“আপনারা হয়তো মনে করছেন মোদির আর বেশিদিন নেই, কিন্তু আমি আপনাদের বলছি, আরও অনেক বছর ক্ষমতায় থাকবেন মোদিই।”

“যেদিন মোদিজি সরে যাবেন, আমিও রাজনীতি ছেড়ে দেব” বললেন স্মৃতি ইরানী

স্মৃতি আরও বলেন, “যে দিন নরেন্দ্র মোদি কাজ ছেড়ে দেবেন আমিও ভারতীয় রাজনীতি ছেড়ে দেব।"

হাইলাইটস

  • স্মৃতি কি প্রধানমন্ত্রী হতে চান?
  • স্মৃতি; আমি মহান নেতাদের অধীনে কাজ করার জন্য রাজনীতিতে এসেছি
  • "মোদি আরও অনেকদিন ক্ষমতায় রইবেন" , স্মৃতি
পুনে:

যেদিন প্রধানমন্ত্রী রাজনীতি ছেড়ে দেবেন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানীও সরে যাবেন রাজনীতি থেকে। গতকাল, রোববার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানী পুনে ওয়ার্ডস কাউন্ট ফেস্টিভালে “স্ক্রিপ্টিং হার স্টোরি, ফ্রম স্টার টু ক্যাম্পেইনার” শীর্ষক একটি আলোচনায় জানিয়েছেন, একমাত্র মোদি রাজনীতি থেকে সরে গেলেই স্মৃতিও রাজনীতি ছেড়ে দেবেন।

শ্রোতাদের মধ্যে থেকে স্মৃতির উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করা হয়, আগামীতে দিনি নিজেকে প্রধানমন্ত্রীর জায়গায় দেখতে চান কিনা! উত্তরে ইরানী বলেন, “কখনও না। আমি মহান ​​নেতাদের অধীনে কাজ করতেই রাজনীতিতে প্রবেশ করি। আমি খুব ভাগ্যবান যে আমি প্রয়াত অটল বিহারী বাজপেয়ীর নেতৃত্বেও কাজ করেছি এবং বর্তমানে আমি মোদির অধীনে কাজ করছি।”

পশ্চিমবঙ্গকে ল্যাবরেটরি হিসাবে ব্যবহার করছে বিজেপি, অভিযোগ কংগ্রেসের

স্মৃতি আরও বলেন, “যে দিন নরেন্দ্র মোদি কাজ ছেড়ে দেবেন আমিও ভারতীয় রাজনীতি ছেড়ে দেব। আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছি যে আমি আমার দেশ, আমার সমাজের জন্য নিজের জীবনের কতখানি অংশ দেব। স্বাধীন দেশে যদি আমি নিজের জন্য সিদ্ধান্ত নিতে না পারি, তাহলে সেটা কেমন স্বাধীনতা?”

প্রধানমন্ত্রী মোদি ছাড়া অন্য নেতাদের অধীনে কাজ করতে চান কি না সেই বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে বস্ত্রমন্ত্রী বলেন, “আমি কি এখন রাজনাথ সিং, নীতিন গড়করির মতো নেতাদের অধীনে কাজ করছি না? অনেক নেতাদের সঙ্গে আমি গত ১৮ বছর ধরে কাজ করছি। অটল বিহারী বাজপেয়ী এবং এল কে আডবানীর মতো নেতাদের সঙ্গেও কাজ করার সুযোগ পেয়েছি আমি।”

তিনি বলেন, “আপনারা হয়তো মনে করছেন মোদির আর বেশিদিন নেই, কিন্তু আমি আপনাদের বলছি, আরও অনেক বছর ক্ষমতায় থাকবেন মোদিই।” কংগ্রেসের প্রধান রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে আমেথি থেকে আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে স্মৃতি ইরানী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন কিনা তা নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে বিজেপি নেত্রী জানান, এই বিষয়ে তাঁর দল ও দলের প্রধান অমিত শাহ সিদ্ধান্ত নেবেন। প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে আমেথি থেকে রাহুল গান্ধী ভোটে হারিয়েছিলেন স্মৃতি ইরানীকে।

তদন্তে সাহায্য না করলে গ্রেফতার করা হতো রাজীব কুমারকেঃ সিবিআই

স্মৃতি ইরানী জানিয়েছেন, সক্রিয় রাজনীতিতে এই মুহুর্তে যে মহিলাদের তিনি শ্রদ্ধা করেন তাঁদের মধ্যে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ এবং লোকসভা স্পিকার ও মধ্যপ্রদেশের সাংসদ সুমিত্রা মহাজন অন্যতম। স্মৃতির কথায়, “যখন তাঁরা রাজনীতির যাত্রা শুরু করেছিলেন তখন পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে কঠিন ছিল। কোনও অতিরিক্ত সমর্থন ছাড়াই তাঁরা ভারতীয় রাজনীতিতে নিজেদের স্থান করে নিয়েছেন। আমি তাঁদেরকে আমার অনুপ্রেরণার উৎস মনে করি।”



(এনডিটিভি এই খবর সম্পাদনা করেনি, এটি সিন্ডিকেট ফিড থেকে সরাসরি প্রকাশ করা হয়েছে।)
More News