This Article is From Dec 05, 2019

Watch: দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী তাক লাগালেন রাহুল গান্ধির অনুবাদক হয়ে

রাহুল গান্ধি ধন্যবাদ দেন ছোট্ট সাফাকে। চমৎকার অনুবাদ করার জন্য তিনি প্রশংসা করেন দ্বাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রীর।

Watch: দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রী তাক লাগালেন রাহুল গান্ধির অনুবাদক হয়ে

ওই ছাত্রী আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে রাহুল গান্ধির বক্তব্যের তর্জমা করতে থাকায় উৎসাহে হাততালি দিতে থাকে দর্শকরা।

ওয়ানাদ:

রাহুল গান্ধির (Rahul Gandhi) অনুবাদকের কাজ করল কেরলের দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্রী (Kerala Girl Translated Rahul Gandhi's Speech)। বৃহস্পতিবার নিজের লোকসভা কেন্দ্র ওয়ানাদে এক স্কুলের বিজ্ঞান গবেষণাগার উদ্বোধন করতে যান কংগ্রেস নেতা। এদিন মঞ্চে উঠে রাহুল জানতে চান, কোনও পড়ুয়া তাঁর ভাষণকে ইংরেজি থেকে মালয়ালমে অনুবাদ করতে চায় কিনা। তিনি যখন একথা বলছেন, তখন হেসে ফেলেন তাঁর অনুবাদক দলীয় নেতা কেসি বেণুগোপাল। শেষ পর্যন্ত দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র সাফা সেবিন চলে আসে মঞ্চে। সে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে রাহুল গান্ধির বক্তব্যের তর্জমা করতে থাকায় উৎসাহে হাততালি দিতে থাকে দর্শকরা। প্রথম মঞ্চে উঠে যখন রাহুলের মুখোমুখি হয় মেয়েটি, সে রাহুলকে হাতজোড় করে নমস্কার করে। কংগ্রেস নেতাও পাল্টা নমস্কার করেন। এরপর তিনি একটি মাইক ওই ছাত্রীর হাতে তুলে দিয়ে তাঁর বক্তব্য রাখা শুরু করেন।

রাহুল গান্ধি ইংরেজিতে বলেন, ‘‘আমি তোমাদের বিজ্ঞানের সারমর্ম বলব। বিজ্ঞানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল খোলা মন। তোমাদের মনকে কখনও বন্ধ রাখলে চলবে না। তার মানে তোমাদের অন্যের কথা শুনতে হবে। তার মানে তোমাদের অন্যের আইডিয়াতেও প্রতিক্রিয়া জানাতে হবে।''

গরু ডিম পাড়ে আর গাছে ধরে Cheese ! কোন দেশের ছাত্রদের এমন অদ্ভুত বিশ্বাস? জানুন

রাহুলের এই কথা ইংরেজি থেকে মালয়ালম থেকে অনুবাদ করে সকলকে শোনায় সাফা সেবিন। 

আর কথা বলতে বলতে মাঝে মাঝেই সে হাত দিয়ে তার মুখের হাসি আড়াল করছিল। কারণ তার বন্ধুরা চেঁচিয়ে তাকে উৎসাহিত করছিল।

রাহুল আরও বলেন, ‘‘আমাদের দেশে এখন একটা ট্রেন্ড চলছে যেখানে বলা হচ্ছে তোমরা মানুষকে ঘৃণা করো আবার বিজ্ঞানে উন্নতিও করো।''

‘‘হিন্দু-মুসলিম ইস্যু'' নিয়ে কথা বলে লাভ হবে না: অর্থনীতি প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী

পরে রাহুল গান্ধি ধন্যবাদ দেন ছোট্ট সাফাকে। চমৎকার অনুবাদ করার জন্য তিনি প্রশংসা করেন দ্বাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রীর।

NDTV-কে সাফা বলে, ‘‘এটা আমার জীবনের সেরা মুহূর্ত। আমি কেবল খেয়াল রাখছিলাম যেন আমি কিছু গুলিয়ে না ফেলি। মঞ্চে উঠে আমি কাঁপছিলাম। কিন্তু রাহুল গান্ধি আমাকে শান্ত করেন। উনি সত্যিই শান্ত।''

.