১০টায় সাংবাদিক সম্মেলন করবেন আরবিআই গর্ভনর

ভারতীয় অর্থনীতি ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে., ১৯৯০ এর মাঝামাঝি সময়ের পর., এপ্রিল-জুন ত্রৈমাসিকে এটি সবচেয়ে বড় ক্ষতি

১০টায় সাংবাদিক সম্মেলন করবেন আরবিআই গর্ভনর

গত মার্চে সুদের হার ৭৫ বেসিস পয়েন্ট কমানোর ঘোষণা করেন আরবিআই গর্ভনর শক্তিকান্ত দাস (ফাইল ছবি)

নয়াদিল্লি:

রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (Reserve Bank of India) গর্ভনর শক্তিকান্ত দাস (Shaktikanta Das) সকাল ১০টায় সাংবাদিক সম্মেলন করবেন, ট্যুইট করে এমনটাই জানিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক । করোনা ভাইরাস লকডাউনের (Coronavirus Pandemic) কারণে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্যার্থে ২০ লক্ষ কোটি টাকা আর্থিক প্যাকেজ ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, তা বিস্তারিতভাবে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন, তারপরেই এদিনের এই সাংবাদিক সম্মেলন। শুক্রবার সকালে আরবিআইয়ের তরফে ট্যুইটে জানানো হয়েছে, “আজ সকাল ১০টায় আরবিআই গর্ভর শক্তিকান্ত দাসের সাংবাদিক সম্মেলন দেখুন”।  সংবাদসংস্থা এএনআইকে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী বলেন, “শুরু করার জন্য ব্যবসায় অক্জিনে প্রয়োজন। লকডাউনের পরে পেশ করা প্রধানমন্ত্রী গরীব কল্যাণ যোজনায় আমরা নগদ দিয়েছি। সেটার হওয়ার পর, আমরা বিকল্পের পথ বন্ধ করে দিইনি”।

ঋণখেলাপিদের তালিকা নিয়ে রাহুল গান্ধির কটাক্ষের জবাবে ১৩ টি টুইট নির্মলা সীতারামনের

অর্থমন্ত্রী বলেন, “নগদ দেওয়ার ক্ষেত্রে, আমরা মনে করেছি, এটা আরও কার্যকর হবে কারণ, যেভাবে আমরা তার পরিকল্পনা করেছি, আমরা মনে করেছি, তার একাধিক ফল হবে, সেই জন্য এটা করা হবে ব্যাঙ্ক, ব্যবসার মাধ্যমে কার্যকরী মূলধনের জন্য দেওয়া হবে”।

যদিও অনেক অর্থনীতিবিদ, তালিকায় রয়েছেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রাক্তন গর্ভর রঘুরাম রাজন, অর্থনীতির পুনরুদ্ধারে যে অক্সিজেনের জোগান দেওয়া হচ্ছে, তা পর্যাপ্ত নয় বলেই মন্তব্য করেছেন। ইওয়াই ইন্ডিয়ার মুখ্য নীতি উপদেষ্টা ডিকে শ্রীবাস্তব বলেন, “এই অক্সিজেন জোগানোর মধ্যে মাত্র ১০ শতাংশ কেন্দ্রীয় বাজেট খরচ হিসেবে ধরা যাবে”।

ভারতীয় অর্থনীতি ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে পারে., ১৯৯০ এর মাঝামাঝি সময়ের পর., এপ্রিল-জুন ত্রৈমাসিকে এটি সবচেয়ে বড় ক্ষতি।বিশ্লেষকদের মত, চাহিদা বাড়ানোর একমাত্র উপায় হতে পারে, খরচ বাড়াতে সুদের হার কমাতে হবে।

দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জন্যে ৫০ হাজার কোটি টাকার আর্থিক প্যাকেজের ঘোষণা করল আরবিআই

ব্যাঙ্ক অফ বরোদার মুখ্য অর্থনীতিবিদ সমীর নারাং বলেন, “মুদ্রাস্ফীতি কমে ২ শতাংশের কাছাকাছি হতে পারে...এইভাবে সুদের হার কমানোর পথ রয়েছে আরবিআইয়ের”।

গতদুমাসে করোনা ভাইরাসের আবহে এই নিয়ে তৃতীয়বার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হতে চলেছেন আরবিআই গর্ভনর। ২৭ মার্চ প্রথমবার,. এবং ১৭ এপ্রিল দ্বিতীয়বার সাংবাদিক সম্মেলন করেন তিনি।

প্রত্যাশিত ৭৫ শতাংশের থেকে আরও বেশি সুদের কমায় আরবিআই, গতমার্চে রেপো রেট কমানো হয় ৪.৪ শতাংশ। বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কগুলিকে যে হারে আরবিআই সুদ দেয়, সেটিই রেপো রেট নামে পরিচিত।