This Article is From Jul 19, 2020

আদালতের রায় শচীন পাইলটের পক্ষে গেলে কংগ্রেসের বিকল্প

শচীন পাইলট এবং তাঁর অনুগামী বিধায়কদের সংবিধানের ২(১)(এ) অনুযায়ী

শচীন পাইলট এবং তাঁর অনুগামী বিধায়কদের সংবিধানের ২(১)(এ) অনুযায়ী বহিষ্কার করা হবে

নয়াদিল্লি:

শচীন পাইলট এবং তাঁর অনুগামী বিধায়করা রাজস্থান হাইকোর্ট থেকে স্বস্তি পেলে, দ্বিতীয় বিকল্প ঠিক করেছে কংগ্রেস। সোমবার এই মামবার শুনানি। কোনও দলবিরোধী কাজে তাঁরা লিপ্ত নয়, বলে দাবি করেছেন বিদ্রোহী বিধায়করা, গত সপ্তাহে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হন শচীন পাইলট এবং তাঁর অনুগামী বিধায়করা। কংগ্রেসের আইনি টিমের একটি সূত্র জানিয়েছে, যদি আদালতের রায় শচীন পাইলটের টিমের পক্ষে যায়, তাহলে বিধানসভার অধিবেশন ডাকার পরিকল্পনা রয়েছে কংগ্রেসের। বিধানসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করবেন মুখ্যমন্ত্রী, কংগ্রেসের দাবি তাদের পক্ষে সংখ্যা রয়েছে। দলের পক্ষে সমস্ত বিধায়ককে ভোট দেওয়ার জন্য হুইপ জারি করবেন বিধানসভায় কংগ্রেসের মুখ্য সচিব মহেশ জোশি।

যদি শচীন পাইলটের টিম হুইপ অমান্য করে, বা অনুপস্থিত থাকে, তাহলে তাদের সংবিধানের ২(১)(বি) ধারায় বহিষ্কার করা হবে।

শচীন পাইলট এবং তাঁর অনুগামী বিধায়কদের সংবিধানের ২(১)(এ) অনুযায়ী

যদি বিধানসভার অধিবেশন ডাকা হয়, তাহলে শচীন পাইলটের অনুগামী বিধায়করা কি উপস্থিত থাকবেন, তাঁদের মধ্যে এক বিধায়ক NDTV কে জানান, “সময় আসুক”।

শচীন পাইলট এবং তাঁর অনুগামী ১৮ জন বিধায়ককে ইতিমধ্যেই নোটিশ পাঠানো হয়েছে। তাঁদের অনুগামী বিধায়কদের হরিয়ানার কাছে একটি হোটেলে রাখা হয়েছে, মেসেজ, হোয়াটসঅ্যাপ এবং দেওয়ালে নোটিশ টাঙিয়ে দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার আদালতে মামলা দায়ের করেন বিধায়করা, অধ্যক্ষের নোটিশ খারিজের দাবি জানান তাঁরা। শচীন শিবিরের দাবি, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি এবং দলের মধ্যে মতভেদ দলবিরোধী কার্যকলাপ হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে না এবং দুটি বৈঠকে অনুপস্থিত থাককে বহিষ্কারের কারণ হিসেবে দেখানো যেতে পারে না। যে আইনের মাধ্যমে তাঁদের বহিষ্কার করা হয়েছে তাও খারিজের দাবি তোলা হয়।