This Article is From Jun 28, 2020

"আপনি চিন-পাকিস্তানের ভাষা বলছেন", রাহুল গান্ধিকে খোঁচা অমিত শাহের

ইন্দো-চিন সংঘাত নিয়ে সংসদে আলোচনা করতে রাজি সরকার। বিরোধীদের কাছে এই বার্তা পাঠান অমিত শাহ

লাদাখ নিয়ে সংসদে বিতর্কে রাজি সরকার: অমিত শাহ।

নয়াদিল্লি:

রাহুল গান্ধির "আত্মসমর্পণ মোদি" টুইটের (#surrender Modi tweet) সমালোচনায় এগিয়ে এলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কংগ্রেস সাংসদের (Rahul Gandhi) সেই টুইট পাকিস্তান-চিনকে খুশি করেছে। সংবাদসংস্থা এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই অভিযোগ তোলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah)। গালওয়ান সংঘাত কিংবা সংক্রমণ বৃদ্ধি। কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনায় সরব রাহুল গান্ধি। দুটি ক্ষেত্রেই আত্মসমর্পণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী, এই খোঁচা দিয়েছেন সনিয়া-তনয়। সোশাল মাধ্যমে সেই "হ্যাশট্যাগ আত্মসমর্পণ" খোঁচা বেশ ভাইরাল হয়েছে। এবার তাই সে অস্ত্র ভোঁতা করতে এগিয়ে এলেন মোদি মন্ত্রিসভার সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অমিত শাহ। এমনকী, ইন্দো-চিন সংঘাত নিয়ে সংসদে আলোচনা করতে রাজি সরকার, বিরোধীদের কাছে এই বার্তা পাঠান অমিত শাহ।

তিনি বলেন, "দেশ-বিরোধী কার্যকলাপ রুখতে আমরা সমর্থ। কিন্তু কোনও দলের প্রাক্তন সভাপতি এই ধরনের কথা বললে, বেদনা হয়। এমন সংকটের মুহূর্তে এই ধরনের নীচু রাজনীতি এড়িয়ে চলাই ভালো।"

রাহুল গান্ধির নাম না করে তিনি বলেছেন, "এটা আত্মসমীক্ষার বিষয়। তিনি ও তাঁর দল যে হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করছেন, তাতে করে পাকিস্তান ও চিনের হাত শক্ত হচ্ছে। আপনি যেটা বলছেন, সেটা চিন ও পাকিস্তানের ভাষা।"

এদিকে, প্রতি মাসের 'মন কি বাত' অনুষ্ঠানের এই পর্বে লাদাখ নিয়ে রবিবার সরব হলেন প্রধানমন্ত্রী। নরেন্দ্র মোদি বলেন,  "লাদাখে  ভারতীয় ভূখণ্ডে যাদের নজর পড়েছে, তাদের যোগ্য জবাব দেওয়া হয়েছে।  ভারত যেমন বন্ধুত্ব করতে জানে, তেমন শত্রুদের জবাব দিতে জানে। আমাদের সাহসী জওয়ানরা নিশ্চিত করেছে, মাতৃভূমিকে আক্রমণে কাউকে রেয়াত করবে না।" যে হারে দেশের মানুষ চিনা পণ্য বয়কটের ডাক দিয়েছে, তার প্রভাব সে দেশের অর্থনীতিতেও পড়বে। এমন বার্তাও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, "সাহসী জওয়ানদের কাছে আমরা মাথা নত করি। এঁরাই দেশকে নিরাপদ রেখেছেন। ওঁদের আত্মত্যাগ সবসময় স্মরণ করবে দেশ।"

অপরদিকে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর কালো ত্রিপলের ছবি সম্প্রতি ধরা পড়েছে উপগ্রহ চিত্রে। সেই ত্রিপল লাল ফৌজি ঘাঁটি। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে এই সম্ভাবনা উসকে দেওয়া হয়েছে। এনডিটিভি'র হাতেও এসেছে সেই চিত্র। সেই সেক্টরে ৯ কিমির মধ্যে প্রায় ১৬টি শিবির চিহ্নিত করেছে সেই চিত্র। সেই চিত্র দেখে স্পষ্ট, সামরিক স্তরের আলোচনায় চিন বাহিনী সরানোর প্রতিশ্রুতি দিলেও, সেটা খাতায়-কলমে। শুধু তাই নয় এলএসি বরাবর ব্যাপক সামরিক সম্ভার বাড়াচ্ছে বেজিং। সেই চিত্র পর্যবেক্ষণ করে এমন দাবি করা হয়েছে। ভারতীয় বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ সমরের সম্ভাবনা তৈরি করতে এই উদ্যোগ। এমনটাও দাবি করেছেন প্রাক্তন সেনাকর্তারা। গত ২২ জুন লেফটান্যান্ট পদমর্যাদার দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়েছে। সেই বৈঠকে দুটি দেশ সীমান্ত থেকে নিরাপদ দূরত্বে বাহিনী সরানোর পক্ষে সম্মতি দিয়েছিল।