মমতার পরে কেজরিওয়াল! মুখ্যমন্ত্রিত্ব বাঁচাতে প্রশান্ত কিশোরের শরণে আম আদমি পার্টিও

ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি বা আই-প্যাক বর্তমানে ২০২১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের জন্য তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে নির্বাচনী কৌশল ঠিক করার উদ্দেশ্যে কাজ করছে।

মমতার পরে কেজরিওয়াল! মুখ্যমন্ত্রিত্ব বাঁচাতে প্রশান্ত কিশোরের শরণে আম আদমি পার্টিও
নয়াদিল্লি:

জগন মোহনের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এবং তারপর অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Delhi Chief Minister Arvind Kejriwal)! মুখ্যমন্ত্রিত্ব ধরে রাখতে এখন সবারই ভরসার ঠিকানা প্রশান্ত কিশোর (Prashant Kishor)। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল আজ, শনিবার ঘোষণা করেছেন নির্বাচনী কৌশলবিদ প্রশান্ত কিশোরের পরামর্শক সংস্থা I-PAC জাতীয় রাজধানী দিল্লিতে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য আম আদমি পার্টির সঙ্গে কাজ করতে চলেছে। অরবিন্দ কেজরিওয়াল টুইট করে বলেন, “সকলকে জানাতে পেরে অত্যন্ত খুশি যে, @indianpac আমাদের সঙ্গে কাজ করতে চলেছে! স্বাগত।” 

"আশাহত": লোকসভায় নাগরিকত্ব (সংশোধনী) বিলকে জেডিইউ-র সমর্থন বিষয়ে প্রশান্ত কিশোর

ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি (Indian Political Action Committee) বা আই-প্যাক বর্তমানে ২০২১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের জন্য তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে নির্বাচনী কৌশল ঠিক করার উদ্দেশ্যে কাজ করছে। রাজ্যে বিজেপির প্রবেশ এবং লোকসভা নির্বাচনে চমকপ্রদ ফলের পরে মুখ্যমন্ত্রীর ভাইপো এবং দলীয় সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ৬ জুন প্রশান্ত কিশোরকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতরে নিয়ে আসেন। তৃতীয়বারের মেয়াদে মুখ্যমন্ত্রিত্ব অটুট রাখতে এবং বিজেপিকে ঠেকাতে তৃণমূল কংগ্রেসের হাত শক্ত করছেন প্রশান্ত কিশোর।

সরকারি কাজে হস্তক্ষেপের অভিযোগ প্রশান্তের বিরুদ্ধে, তৃণমূলকে কটাক্ষ বিজেপির

প্রশান্ত কিশোরের নাম সেভাবে প্রকাশ্যে আসে অন্ধ্র প্রদেশে ওয়াইএসআর কংগ্রেসের জগন মোহন রেড্ডির দুর্দান্ত সাফল্যের পরে। তেলেগু দেশম পার্টির চন্দ্র বাবু নাইডুকে মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে রাজ্যে ক্ষমতায় আসেন জগন মোহন। আর তার এই নির্বাচনী কৌশলের নেপথ্যে ছিলেন প্রশান্ত কিশোর স্বয়ং।

প্রশান্ত কিশোর জনতা দল ইউনাইটেডের সহ-সভাপতি। বিহারে বিজেপির জোটসঙ্গী এই জেডিইউ। 

প্রশান্ত কিশোরের স্ত্রী অসমের মানুষ। বৃহস্পতিবার রাতে রাষ্ট্রপতি রাম নাথ কোবিন্দ সম্মতি দেওয়ার পরেই নাগরিকত্ব আইনের তীব্র সমালোচনা করেন প্রশান্ত।

“সংখ্যাগরিষ্ঠতাই সংসদে বিরাজমান। এখন বিচার বিভাগের বাইরে গিয়ে ভারতের অন্তরাত্মাকে বাঁচানোর দায়িত্ব ১৬ জন অ-বিজেপি মুখ্যমন্ত্রীর উপরেই। কারণ রাজ্যগুলিকেই আইন কার্যকর করতে হয়। তিনজন মুখ্যমন্ত্রী (পাঞ্জাব/কেরল/পশ্চিমবঙ্গে) সিএবি এবং এনআরসিকে ‘না' বলেছেন। অন্যদেরও এবার তাদের অবস্থান স্পষ্ট করার সময় এসেছে,” টুইট করেছিলেন প্রশান্ত কিশোর।

More News