৭২ দিন পরে কাশ্মীর উপত্যকায় চালু হল বিএসএনএলের পোস্টপেইড মোবাইল পরিষেবা, তবে বন্ধ ইন্টারনেট

Jammu and Kashmir: কেন্দ্রীয় সরকার ৫ অগাস্ট সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিলের মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা সমাপ্ত করে এটিকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত করার ঘোষণা করে।

৭২ দিন পরে কাশ্মীর উপত্যকায় চালু হল বিএসএনএলের পোস্টপেইড মোবাইল পরিষেবা, তবে বন্ধ ইন্টারনেট

কাশ্মীর (Jammu and Kashmir) উপত্যকায় ইন্টারনেট সংযোগ আপাতত স্থগিত থাকবে

শ্রীনগর/নয়া দিল্লি:

দীর্ঘ ৭১ দিন বন্ধ থাকার পর আজ (সোমবার) থেকেই কাশ্মীর (Jammu and Kashmir)উপত্যকায় বিএসএনএলের পোস্টপেইড মোবাইল পরিষেবা চালু হল বলে জানিয়েছে সংবাদসংস্থা পিটিআই। তবে এখনই সেখানে চালু হচ্ছে না ইন্টারনেট পরিষেবা। কেন্দ্রীয় সরকার ৫ অগাস্ট সংবিধানের ৩৭০ ধারা (Article 370) বাতিলের মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা সমাপ্ত করে এটিকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত করার ঘোষণা করে বলে যে এই পদক্ষেপের ফলে রাজ্যের (Kashmir) লোকেরা দেশের অন্যান্য অংশের মতো একই সাংবিধানিক সুবিধা পাবে এবং এখানকার উন্নয়ন নিশ্চিত করবে। যে কোনও প্রতিক্রিয়া রোধ করতেই কেন্দ্র সেখানে ব্যাপক নিরাপত্তা বিধিনিষেধ আরোপ করে। এমনকি সেখানকার রাজনীতিবিদদেরও গ্রেফতার করে তাঁরা। পাশাপাশি ভূস্বর্গ থেকে পর্যটকদের সরিয়ে নেওয়া ছাড়াও সেখানে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করা এবং ফোন এবং ইন্টারনেট লাইন বন্ধ করার মতো পদক্ষেপ নেয় সরকার।

জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাচীন ধর্মীয় সৌধর সংস্কারে খরচ ৮৪ কোটি টাকা: বিজেপি

পরে যদিও আস্তে আস্তে জম্মু ও কাশ্মীরের বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়, তবে এইবার আজ (সোমবার) থেকে বিএসএনএলের পোস্ট পেইড মোবাইল পরিষেবা চালু করায় সেখানকার মানুষ যেন অনেকটাই হাঁফ ছেড়ে বাঁচবেন, এমনটাই মনে করা হচ্ছে। গত বৃহস্পতিবারই সেখান থেকে তুলে নেওয়া হয় পর্যটন নিষেধাজ্ঞাও।

গত মাসেই, সরকার জম্মু ও কাশ্মীরে ল্যান্ডলাইন সংযোগ পুনরুদ্ধার করে, তবে, সরকার পরিচালিত সংস্থা বিএসএনএল টেলিফোন সংযোগ উপত্যকার মাত্র কয়েকটি বাড়িতেই আছে। তাই ল্যান্ডলাইন চালু হলেও মোবাইল পরিষেবার উপর এই বিধিনিষেধের ফলে স্থানীয় বাসিন্দারা হতাশ হয়ে পড়েছিল এবং প্রয়োজনীয় পরিষেবাগুলি ব্যাহত হচ্ছিল তাঁদের।

৩৭০ ধারা নিয়ে বিরোধীদের চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি

Newsbeep

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহ বেশ কয়েকটি দেশ এর আগে কাশ্মীরে প্রয়োগ করা এই নিষেধাজ্ঞাগুলির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে। যদিও জম্মু ও কাশ্মীর নিয়ে এই সিদ্ধান্তকে ঐতিহাসিক বলে বর্ণনা করে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন মোদি সরকার। পাশাপাশি এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে কংগ্রেসের “অক্ষমতা”কে বারবার তুলে ধরে বিজেপি, এবং নরেন্দ্র মোদি সরকারের দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর এখনও পর্যন্ত এই সরকারের এটি অন্যতম বড় পদক্ষেপ হিসেবে তুলে ধরে গেরুয়া দল।

দেখুন ভিডিও: