পাকিস্তানে লাগাতার বংশবৃদ্ধি হচ্ছে ফসল ধ্বংসকারী পঙ্গপালের: কৃষি বিশেষজ্ঞ

Locusts: কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রকের পঙ্গপাল সতর্কতা সংস্থাটি চলতি বছরের মে-জুনে এমন হামলার হুঁশিয়ারি দেয়

পাকিস্তানে লাগাতার বংশবৃদ্ধি হচ্ছে ফসল ধ্বংসকারী পঙ্গপালের: কৃষি বিশেষজ্ঞ

Rajasthan: পাক সীমান্ত এলাকা দিয়ে ২-৩ দিন অন্তর ঝাঁকে ঝাঁকে পঙ্গপাল রাজস্থানে প্রবেশ করছে

হাইলাইটস

  • দেশে এখন নতুন বিড়ম্বনা, ঝাঁকে ঝাঁকে পঙ্গপাল নষ্ট করছে ফসল
  • মূলত পাকিস্তান থেকেই এদেশে ঢুকছে পঙ্গপালের দল
  • ওই মারাত্মক পতঙ্গগুলোর ক্ষেতের পর ক্ষেত নষ্ট করার ক্ষমতা রাখে
জয়পুর (রাজস্থান):

২০২০ সাল যাকে বলে ভারতের কাছে বিষের বছর হয়ে উঠেছে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের ঠেলায় যখন অস্থির গোটা দেশ, ঠিক সেই সময় গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো ঝাঁকে ঝাঁকে পঙ্গপালের (Locusts) হানা। একের পর এক কৃষিজমির সমস্ত ফসল খেয়ে নষ্ট করছে ওই মারাত্মক পতঙ্গটি। কোথা থেকে আসছে এই পঙ্গপালের ঝাঁক? দেশের কৃষিমন্ত্রক জানাচ্ছে, মূলত পাকিস্তান থেকেই ওই ফসল বিনষ্টকারী পঙ্গপালের আবির্ভাব হচ্ছে এদেশে। অনেকেই বলছেন, এতদিন সন্ত্রাসবাদের আঁতুরঘর বলে পরিচিত ছিল পাকিস্তান, আর এখন সেটি (Pakistan) হয়ে উঠেছে পঙ্গপালের প্রজনন ক্ষেত্রও। অত্যন্ত দ্রুতগতিতে পাক-এলাকায় তাঁরা বংশবৃদ্ধি করছে এবং সীমান্ত অঞ্চল দিয়ে দল বেঁধে প্রবেশ করছে ভারতে। কৃষিবিভাগের উপ-নির্দেশক বি আর কাদওয়া জানিয়েছেন, পাকিস্তান সংলগ্ন অঞ্চলগুলি থেকেই সম্প্রতি রাজস্থানেও (Rajasthan) প্রবেশ করেছে পঙ্গপালের একটি নতুন দল।

হানা দিয়েছে পঙ্গপালের ঝাঁক, কতটা ক্ষতি করতে পারে তারা: ১০ তথ্য

"পাক সীমান্ত এলাকা দিয়ে ২-৩ দিন অন্তর ঝাঁকে ঝাঁকে পঙ্গপাল রাজস্থানে প্রবেশ করছে। পাকিস্তান পঙ্গপালের নতুন এক প্রজননভূমিতে পরিণত হয়েছে। সেখান থেকেই মূলত রাজস্থান সহ ভারতের অন্যান্য রাজ্যে পঙ্গপালের হামলা হচ্ছে। পঙ্গপালের চারটি বড় ঝাঁক সম্প্রতি জয়পুরে প্রবেশ করেছে", সংবাদসংস্থা এএনআইকে জানিয়েছেন বি আর কাদওয়া।

বিপন্ন খাদ্যসুরক্ষা! দেশে ঢুকে পড়ল পঙ্গপালের দল! কয়েক হাজার কোটি টাকার ফসল নষ্টের মুখে!

"গতকাল (মঙ্গলবার) রাতে, আমরা প্রায় ৬ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য এবং ১ কিলোমিটার প্রস্থ এলাকা ধরে ঘুরে বেড়ানো পঙ্গপালের ঝাঁককে ধ্বংস করেছি। সবচেয়ে বড় কথা ওই পতঙ্গগুলো সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নিজেদের শক্তি আরও বাড়িয়েছে। তাদের বেশ কিছু প্রকৃতিগত পরিবর্তনও হয়েছে এবং তারা আগে যে উচ্চতায় উড়তে পারতো, এখন তার থেকেও অনেক বেশি উচ্চতায় উড়ছে । এর ফলে পঙ্গপালের ঝাঁককে আমাদের পক্ষে নিয়ন্ত্রণ করা খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে। তবুও, আমরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যথাসাধ্য চেষ্টা করছি", বলেন তিনি।

তিনি একথাও বলেন যে, সৌভাগ্যক্রমে, এখন সবেমাত্র রবি ফসলের ফলন হয়েছে এবং খরিফ শস্য বপণের মরসুম এখনও আসেনি।

কেন্দ্রীয় কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রকের পঙ্গপাল সতর্কতা সংস্থাটি (LWO) চলতি মে-জুনে এমন আরও একটি হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। মনে করিয়ে দিই , এই বছরে প্রথম পঙ্গপালের আক্রমণ ভারতে হয় গত ১১ মে।পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে উত্তর রাজস্থানের গঙ্গানগর জেলার শস্যক্ষেতগুলোতে হানা দেয় তারা ।