নীরব মোদি ও মেহুল চোকসির প্রায় ১৩৫০ কোটি টাকার মণি-মাণিক্য দেশে ফেরালো ইডি

ইতিমধ্যে লন্ডন জেলে বন্দি নীরব মোদির বিরুদ্ধে প্রত্যর্পণ মামলা চলছে সে শহরের এক আদালতে

নীরব মোদি ও মেহুল চোকসির  প্রায় ১৩৫০ কোটি টাকার মণি-মাণিক্য দেশে ফেরালো ইডি

সেই প্যাকেট মুম্বই আনা হয়েছে।

নয়াদিল্লি:

নীরব মোদি ও মেহুল চোকসির প্রায় ১৩৫০ কোটি টাকার মণি-মাণিক্য (Nirav Modi and Mehul Choksi) দেশে ফেরালো ইডি। ২৩০০ কেজির এই গয়নার মধ্যে আছে পালিশ হীরে; মুক্তো-সহ অন্য গয়না। পিএনবি-কাণ্ডে (PNB fraud case) অভিযুক্ত হিসেবে দেশ ছাড়ার সময় এই মণি-মাণিক্য দুবাই পাচার করার ধান্দায় ছিলেন মামা-ভাগ্নে। তদন্তকারীদের (ED) দাবি; "হংকংয়ে (Hongkong) অবস্থিত নীরব মোদি ও মেহুল চোকসির সংস্থা থেকে ১০৮ প্যাকেট মণি ও গয়না নিশ্চিন্তে দেশে আমদানি করেছেন ইডি'র তদন্তকারীরা। হংকং থেকে এই সম্পদ ২০১৮ সালে দুবাই পাচার করতে চেয়েছিলেন অভিযুক্তরা।" জানা গিয়েছে; সেই বাক্সগুলোতে পালিশ হীরে, মুক্তো-সহ রুপোর গয়না আছে। যার মোট বাজার মূল্য ১৩৫০ কোটি টাকা; ওজন ২৩৪০ কেজি।

সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে ইতিবাচক সিদ্ধান্তে ইন্দো-চিন: চিনা বিদেশ মন্ত্রক

ইডি সূত্রে খবর; গোপন সূত্র মারফৎ খবর পেয়ে ইডি তড়িঘড়ি অভিযান চালায়। যোগাযোগ করা হয় হংকং পুলিশের সঙ্গে। এর পরেই পিএনবি মারফৎ বাজেয়াপ্ত করে সেই সম্পদ দেশে ফেরানো হয়। ইতিমধ্যে লন্ডন জেলে বন্দি নীরব মোদির বিরুদ্ধে প্রত্যর্পণ মামলা চলছে সে শহরের এক আদালতে।

এদিকে এসবিআই-কাণ্ডে অভিযুক্ত বিজনেস টাইকুন বিজয় মাল্যের প্রত্যর্পণ এখনই সম্ভব নয় একটি আইনি সমস্যার সমাধান না হলে।। NDTV-কে দিন কয়েক আগে একথা জানিয়েছেে ব্রিটিশ হাই কমিশন। পাশাপাশি এও জানানো হয়েছে, বিষয়টি গোপনীয়। ব্রিটিশ হাই কমিশনের এক মুখপাত্র বৃহস্পতিবার NDTV-কে বলেন, ‘‘গত মাসে বিজয় মাল্য তাঁর প্রত্যর্পণের বিরুদ্ধে আপিল করার পর তা বাতিল করা হয়।

"আমরা উপ-রাজ্যপালের নির্দেশ পালন করবো"; করোনা শয্যা প্রসঙ্গে সরব অরবিন্দ কেজরিওয়াল

ব্রিটেন সুপ্রিম কোর্টের বিরুদ্ধে কোনও আপিল আর তিনি করতে পারবেন না। তবে, এখনও একটি আইনি ইস্যু রয়েছে। সেটির সমাধান প্রয়োজন বিজয় মাল্যর প্রত্যর্পণের জন্য।'' তিনি আরও বলেন, ‘‘ব্রিটেনের আইন অনুসারে, ওটার সমাধান না হওয়া পর্যন্ত বিজয় মাল্যর প্রত্যর্পণ সম্ভব নয়। ইস্যুটি গোপনীয় এবং আমরা তাই সেবিষয়ে বিস্তারে বলতে পারছি না। কতদিন লাগবে এটির সমাধান হতে, সেটাই আমরা বলতে পারছি না। যত দ্রুত সম্ভব এটির সমাধান করতে চাই আমরা।'