This Article is From Aug 29, 2019

''Gumnaami'': নেতাজিকে নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছেন সৃজিত, দাবি বসু পরিবারের

মুক্তির আগেই বিতর্ক। এবং তাই নিয়ে সমস্যায় পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়। নিন্দুকেরা যদিও বলেন, বিতর্ক আর সৃজিত নাকি পিঠোপিঠি সহোদর!

''Gumnaami'': নেতাজিকে নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছেন সৃজিত, দাবি বসু পরিবারের

"Sinister Campaign": সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পেয়েছে "গুমনামি"

কলকাতা:

মুক্তির আগেই বিতর্ক। এবং তাই নিয়ে সমস্যায় পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় (Srijit Mukherjee)। নিন্দুকেরা যদিও বলেন, বিতর্ক আর সৃজিত নাকি পিঠোপিঠি সহোদর! এর আগেও পরিচালক একাধিক বিতর্কে জড়িয়েছেন। তবে তাঁর আগামী ছবি 'গুমনামি' (Gumnaami) নিয়ে বিতর্ক এবার যথেষ্ট জোরালো। কারণ, ছবির বিষয় নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং তাঁর অন্তর্ধান রহস্য নিয়ে হওয়ায়, এবং তার সঙ্গে গুমনামি বাবার অবস্থান নিয়ে বিরোধিতায় সরব বসু পরিবার। তাঁদের দাবি, এই মহান নেতাকে নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছেন প্রযোজক এবং পরিচালক। এতে ভাবমূর্তি নষ্ট হচ্ছে নেতাজির। 

গুমনামি বাবা'র প্রযোজককে আইনি নোটিশ পাঠালেন কলকাতার বাসিন্দা

যদিও জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত এই পরিচালকের দাবি, সেন্সর বোর্ডের কিন্তু এই ছবি নিয়ে কোনও সমস্যা তৈরি করেনি। বরং সহজেই ছাড়পত্র দিয়ে দিয়েছে। এবং নেতাজির ভাবমূর্তিকে কালিমালিপ্ত করার ইচ্ছে তাঁর একেবারেই নেই। বরং, তিনি নেতাজি, গুমনামি বাবা এবং নেতাজির অন্তর্ধান---এই তিনটি বিষয়েই যথেষ্ট ভারসাম্য বজায় রেখে ছবি বানিয়েছেন। তবে চুপ করে বসে নেই নেতাজির পরিবারও। বসু পরিবারের সদস্যের নিয়ে মোট ৩৩ জনের স্বাক্ষর করা একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গুমনামি বাবার সঙ্গে নেতাজির নাম জড়িয়ে মহান নেতাকে ছোট করা হচ্ছে। নেতাজি আজও বাঙালির অনুভূতির সঙ্গে জড়িয়ে। তাঁকে নিয়ে এই ধরনের কাজ বরদাস্ত করবে না পরিবার। এবং বাঙালিও। খবর, স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে রয়েছেন নেতাজি-কন্যা অনীতা পাফ, ভাগ্নী চিত্রা ঘোষ, প্রপৌত্র এবং বিজেপি নেতা চন্দ্র বসু, ভাইপো দ্বারকানাথ বসু এবং ভাইঝি কৃষ্ণা বসু।

7nbf8fn8

তাঁদের দাবি, ২০০৫ সালে মুখার্জি কমিশন ডিএনএ টেস্টে প্রমাণ করেছে যে, গুমনামি বাবার আর নেতাজি এক নন। তদন্তও সেখানেই শেষ হয়েছে। এরপরেও কেন এই বিভ্রান্তিমূলক ছবি বানানো হচ্ছে! তাহলে বাঙালি অনুভূতিকে কাজে লাগিয়ে জনপ্রিয়তা কুড়োনোর চেষ্টা চালাচ্ছেন পরিচালক? নেতাজি রিসার্চ ব্যুরোর প্রধান কৃষ্ণা বসুর মতে, সবার নিজস্ব পছন্দ নিয়ে ছবি করার স্বাধীনতা আছে। কিন্তু দেশপ্রেমিকার গায়ে কালি ছিটোনোর অধিকার কারোর নেই।

গুমনামি বাবাকে নেতাজি প্রমাণ করার অশুভ প্রচার চলছে: নেতাজির পরিবার

প্রত্যুত্তরে পরিচালকের জবাব, "ছবির দিকে আঙুল তোলার আগে আপনি দেখান আমরা কীভাবে নেতাজিকে অপমান করেছি। আমাদের নেতাজিকে অপমান করার কোনও উদ্দেশ্য নেই। আমরা এই ছবির মাধ্যমে তাঁকে শ্রদ্ধা জানিয়েছি। যা আরও আগে দেখানো উচিত ছিল। "

.