This Article is From Jul 04, 2018

শিক্ষিকার কাটা মুণ্ডু নিয়ে 2 ঘন্টা ধরে দৌড়ল এক ব্যক্তি

ঝাড়খন্ডের সেরাইকেলা-খারসোয়ান জেলায় এক স্কুল শিক্ষিকার মাথা কেটে হত্যা করার পর এক মানসিক বিকারগ্রস্থ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল পুলিশ।

শিক্ষিকার কাটা মুণ্ডু নিয়ে 2 ঘন্টা ধরে দৌড়ল এক ব্যক্তি

খাপসারাই গ্রামের এক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াত ওই শিক্ষিকা

জামশেদপুর, ঝাড়খন্ড:

ঝাড়খন্ডের সেরাইকেলা-খারসোয়ান জেলায় এক স্কুল শিক্ষিকার মাথা কেটে হত্যা করার পর এক মানসিক বিকারগ্রস্থ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ওই মহিলার মাথা কেটে নিয়ে জনতা ও পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে সে ওই কাটা মাথা হাতে নিয়েই একটি জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে 5 কিলোমিটার পথ দৌড়ে পালিয়েছিল সে।

সেরাইকেলা মহকুমা’র খাপরাসাই প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড-ডে মিল সরবরাহের সময় ওই ঘটনাটি ঘটে বলে জানিয়েছেন সেরাইকেলার মহকুমা পুলিশ শাসক (এসডিপিও) অবিনাশ কুমার।

ঘটনার দু’ঘন্টা পরে 26 বছর বয়সী অভিযুক্ত হরি হেমব্রমকে গ্রেফতার করে পুলিশ। উন্মত্ত জনতার রোষের হাত থেকে অভিযুক্তকে বাঁচাতে গিয়ে সেরাইকেলা থানার ওসি রণবিজয় সিংহ সহ চারজন পুলিশকর্মী গুরুতর জখম হন বলে জানান অবিনাশ কুমার।

মানসিক প্রতিবন্ধী হরি হেমব্রম ওই স্কুলের সামনেই থাকে বলে জানা গিয়েছে। মিড-ডে মিল দেওয়ার সময় সে আচমকা স্কুলে ঢুকে 30 বছর বয়সী ওই শিক্ষিকা সুক্রা হেসার চুলের মুঠি ধরে টানতে টানতে নিজের বাড়ির দিকে নিয়ে যায়। যেতে যেতেই তরোয়াল দিয়ে শিক্ষিকার মাথাটি কেটে নেয় সে, বলেন এসডিপিও।

খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় বিশাল পুলিশবাহিনী। সেখানে গিয়ে তারা দেখে হরি হেমব্রম হাতে কাটা মুণ্ডু নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। অনেক মানুষ জড়ো হয়ে গেলেও কাটা মুণ্ডু এবং দুটো খোলা তলোয়ার দেখে কেউই তার কাছে যাওয়ার সাহস করে উঠতে পারছিল না বলে জানান সেরাইকেলা থানার ওসি রণবিজয় সিংহ।

সেরাইকেলা থানার ওসি জানান, অভিযুক্তকে গুলি করে হত্যার কথাও ভেবেছিলেন তাঁরা। কিন্তু ঘটনাস্থলে অজস্র সাধারণ মানুষ থাকার ফলে আর তা করা যায়নি।

এই সুযোগেই হেসেল গ্রামের পাশের একটি জঙ্গলে দৌড়ে পালিয়ে যায় হরি হেমব্রম। প্রায় পাঁচ কিলোমিটার দৌড় করানোর পর তাকে জঙ্গলের ভিতরের একটি ঝোপ থেকে ধরতে সমর্থ হয় পুলিশ। সংবাদমাধ্যমকে এই কথা জানান সেরাইকেলা থানার ওসি রণবিজয় সিংহ।  



(এনডিটিভি এই খবর সম্পাদিত করেনি, এটি সিন্ডিকেট ফিড থেকে সরাসরি প্রকাশ করা হয়েছে.)