মহারাষ্ট্রে গুরুত্বপূর্ণ দফতর পেতে পারে শরদ পাওয়ারের এনসিপি

Maharashtra Government 2019: সূত্রের খবর, স্বরাষ্ট্র, নগরোন্নয়ন, রাজস্ব এবং আবাসনের মতো গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দিকে নজর তিন দলের

মহারাষ্ট্র মন্ত্রিসভার ৪৩টি দফতর বন্টন হবে কংগ্রেস, এনসিপি ও শিবসেনার মধ্যে

হাইলাইটস

  • ৪৩টি দফতরের মধ্যে ১৬টি দফতর পেতে পারে শরদ পাওয়ারের দল
  • স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন শরদ পাওয়ার ঘনিষ্ঠ জয়ন্ত পাতিল
  • উপমুখ্যমন্ত্রী পদও পাবে এনসিপি
মুম্বই:

উদ্ধব ঠাকরের (Uddhav Thackeray) মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দফতর পেতে পারে এনসিপি, সূত্রের খবর, ৪৩টি দফতরের মধ্যে ১৬টি দফতর পেতে পারে শরদ পাওয়ারের দল। শিবসেনার থেকে তুলনায় কম সংখ্যক বিধায়ক রয়েছে এনসিপির (NCP) । ১৫টি দফতর থাকতে পারে শিবসেনার এবং কংগ্রসের ১২টি। কংগ্রেসকে অধ্যক্ষের পদ দেওয়ার কারণেই, এনসিপিকে বেশী দফতর দেওয়া হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আজ সকালে, মহারাষ্ট্র বিধানসভার অধ্যক্ষ নির্বাচিত হন কংগ্রেস বিধায়ক নানা পাটোলে। স্বরাষ্ট্র দফতর যেতে পারে এনসিপির হাতে। সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন শরদ পাওয়ার ঘনিষ্ঠ এনসিপি  বিধায়ক জয়ন্ত পাতিল। কংগ্রেস-এনসিপি সরকারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ছগন  ভুজবালের সঙ্গে শপথ নেন জয়ন্ত পাতিল।

শপথের সময় বাবা-মা'র নাম কেন, বিজেপির আপত্তিতে কী জবাব দিলেন উদ্ধব ঠাকরে

উপমুখ্যমন্ত্রী পদও পাবে এনসিপি, শরদ পাওয়ারের ভাইপো অজিত পাওয়ার উপমুখ্যমন্ত্রী হবেন বলে মনে করা হচ্ছে, গত সপ্তাহে যাঁর মেরুবদল মারাঠাভুমের রাজনীতির অভিমুখ বদলে দিয়েছিল। বিজেপিকে তিনি সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দেওয়ায় সকালে শপথগ্রহণ করেছিলেন দেবেন্দ্র ফডড়নবিশ। বৃহস্পতিবার, তিনি উপমুখ্যমন্ত্রী হবেন কিনা জিজ্ঞাসা করায় অজিত পাওয়ার বলেন, “এখনও কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি, দল ঠিক করবে”।

কংগ্রেস, রাজস্ব দফতর পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ওই দফতরের দায়িত্ব পেতে পারেন মারাঠার কংগ্রেস সভাপতি বালাসাহেব থ্রোঠ এবং অশোক চৌহ্বাণের দিকে, বৃহস্পতিবার শপথ নিয়েছিলেন দুই কংগ্রেস নেতা। সঙ্গমনীড় কেন্দ্রের আটবারের  বিধায়ক বালাসাহেব থ্রোঠ এবং গত সপ্তাহে তিনি দলের পরিষদীয় নেতা নির্বাচত হন।

হাসপাতালে লতাজিকে দেখতে গেলেন উদ্ধব ঠাকরে, খোঁজ নিলেন শরীরের

নগরোন্নয়ন দফতরের দায়িত্ব যেতে পারে শিবসেনার ঝুলিতে। বৃহস্পতিবার শপথ নিয়েছিলেন শিবসেনার দুই বিধায়ক একনাথ শিণ্ডে এবং সুভাষ দেসাই। 

একনাথ শিণ্ডে এবং সুভাষ দেসাই, দুজনেই দেবেন্দ্র ফড়নবিশ মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন। জনস্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের মন্ত্রী ছিলেন একনাথ শিণ্ডে এবং শিল্প ও খনন দফতরের দায়িত্বে ছিলেন সুভাষ দেসাই।

এদিন সকালে, মহারাষ্ট্র বিধানসভার অপ্রতিদ্বন্দ্বী অধ্যক্ষ নির্বাচিত হন কংগ্রেস বিধায়ক নানা পাটোলে। বিরোধী দলনেতা নির্বাচিত হন দেবেন্দ্র ফড়নবিশ।

সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের পরীক্ষা দিতে হবে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী Uddhav Thackeray-কে

সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায়, বিজেপি নেতা দেবেন্দ্র ফড়নবিশ বলেন, অধ্যক্ষের দৌড়ে দলের বিধায়ক কিষাণ কাঠোরকে সামিল করা হয়েছে, অন্যান্য দলের তরফে, অনুরোধ করা হয় অধ্যক্ষের পদটি যেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে নির্বাচিত হয়, প্রথা মেনে, তাঁর মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেওয়া হয় সময়ের আগেই।

More News