দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি বলেই মহাজোট, বিরোধীদের সমাবেশকে বিঁধলেন মোদী

কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বিজেপি বিরোধী সমাবেশ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে তীব্র আক্রমণ করেছেন নেতা- নেত্রীরা।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি বলেই মহাজোট, বিরোধীদের সমাবেশকে বিঁধলেন মোদী

তেজস্বী যাদব বলেন, ‘মোদীজি মিথ্যা কথা তৈরির কারখানা। তিনি মিথ্যা কথনের হোলসেলার এবং ডিস্ট্রিবিউটার।

হাইলাইটস

  • দাদরা ও নগর হাভেলি থেকে সুর চড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী
  • দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়াতেই বিভিন্ন দল একজোট হয়েছে: মোদী
  • সমাবেশ থেকে একাধিক প্রসঙ্গে মোদীকে আক্রমণ করেছেন বিরোধী নেতারা

কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বিজেপি বিরোধী সমাবেশ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে তীব্র আক্রমণ করেছেন নেতা- নেত্রীরা। পাল্টা দাদরা ও নগর হাভেলি  থেকে  সুর চড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। দুর্নীতির বিরুদ্ধে  ব্যবস্থা নেওয়াতেই বিভিন্ন দল একজোট হয়েছে বলে মনে করেন নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, ‘আমি জনতার  টাকা লুঠ বন্ধ করেছি বলে কিছু লোকের রাগ হয়েছে। আর তাই  তাঁরা জোট করছেন। যাঁরা নিজেদের রাজ্যে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করেছেন তাঁরাই এখন গণতন্ত্রের কথা বলছেন।'  এই প্রসঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের কথাও উল্লেখ করেন মোদী।

এদিকে, কলকাতার সভা থেকে একাধিক প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী আক্রমণ করেছেন বিরোধী নেতানেত্রীরা। অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডু বলেন মোদী প্রধানমন্ত্রী হয়ে  কাজ নয় আত্মপ্রচারে বেশি মন দিয়েছেন। কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী  এইচ ডি কুমারস্বামী বলেন, প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের দাবিকে  অগ্রাহ্য করছেন। বিহারের প্রাক্তন উপ মুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদব বলেন, ‘মোদীজি মিথ্যা কথা তৈরির কারখানা। তিনি মিথ্যা কথনের হোলসেলার এবং ডিস্ট্রিবিউটার।'

কয়েকদিন আগে কৃষক অসন্তোষের মতো কারণে তিনটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছে বিজেপি। এরপরও সমীক্ষা বলছে  প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অন্য দের থেকে এগিয়ে আছেন নরেন্দ্র মোদী। কিন্তু অপ্রতিরোধ্য হিসেবে নিজের যে ভাবমূর্তি তিনি তুলে ধরেছিলেন তা আর নেই। এমতাবস্থায় নির্বাচনের আগে প্রচার থেকে  শুরু করে অন্য খাতে খরচের পথে হাঁটছে মোদী সরকার।      

Newsbeep

এরই মধ্যে পরের মাসের ১ তারিখ বাজেট পেশ করতে চলেছে সরকার। তাতে কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা পাঠিয়ে দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত ঘোষণা হতে পারে। সরকারি স্তর সেই খবরই মিলেছে। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। সে কথা বিলপত্র ছাপিয়ে জানিয়েও দেওয়া হবে। এই বিলিপত্র ছাপাতে কোটি কোটি টাকা খরচ হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।