This Article is From Apr 29, 2019

বেড টি পেতে দেরি, আসানসোলে কী হয়েছে জানতেই পারলেন না মুনমুন

ভোট পর্ব (Phase 4 Of General Elections 2019) শুরু হতেই আসানসোলের কয়েকটি জায়গা থেকে গোলমালের খবর এসেছে

Lok Sabha Elections 2019: এবার আসানসোল থেকে প্রার্থী হয়েছেন মুনমুন সেন।

হাইলাইটস

  • বেড টি পেতে দেরি, আসানসোলে কী হয়েছে জানতেই পারলেন না মুনমুন
  • বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন বিজেপির প্রার্থী তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
  • তৃণমূল আসনটি জিতে গিয়েছে দাবি মুনমুন সেনের
আসানসোল:

ভোট পর্ব (Phase 4 Of General Elections 2019) শুরু হতেই আসানসোলের কয়েকটি জায়গা থেকে গোলমালের খবর এসেছে। কিন্তু এই কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী মুনমুন সেন (Moon Moon Sen) কিছুই জানতে পারেননি! ‘বেড টি' দেরিতে আসায় তাঁর ঘুম ভাঙতে দেরি হয় আর তাই কোথায় গোলমাল হয়েছে তা তিনি জানতেই পারেননি। এনডিটিভিকে মুনমুন জানালেন, ‘আজ বেড টি দিতে অনেক দেরি করেছিল। তাই আমার ঘুমও দেরিতে ভেঙেছে। আর কী বলব! আমি সত্যিই জানিনা কী হয়েছে।' আসানসোলের বারাবনির একটি বুথে যাওয়ার সময় বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন বিজেপির প্রার্থী তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয় তৃণমূল সমর্থক রা তার গাড়ি ধরে বিক্ষোভ দেখায় থাকে তাদের দাবি বাবুল নিজের সঙ্গে কিছু গুন্ডা কে নিয়ে এসেছেন অন্যদিকে বাবুলের দাবি তৃণমূল কর্মীরা ছাপ্পা ভোট করছেন খবর পেয়ে তিনি ছুটে এসেছেন। বাবুল দাবি করেন হার নিশ্চিত জেনেই এ সব করছে  তৃণমূল।

চতুর্থ দফাতেও বিক্ষিপ্ত অশান্তি, জেমুয়ায় পুলিশ-জনতা খণ্ডযুদ্ধ, বাবুলের গাড়ি ভাঙচুর |

তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী অভিযোগ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে  মুনমুন বলেন, ‘দয়া করে ওঁর নাম নেবেন না। তাহলে আমি কথা বলব না।' তাঁকে  নির্বাচনের সন্ত্রাসের প্রসঙ্গ জিজ্ঞেস করা হলে তিনি সাংবাদিককে বলেন, ‘আপনার বয়স কম তাই বামপন্থীদের সময় এখানে কী হত  তা  আপনি জানেন না। এটা  শুধু বাংলায় নয় গোটা দেশেই  হয়। যাই হোক না কেন এই আসন যে তাঁর দখলে থাকবে তা নিয়ে নিশ্চিত মুনমুন।

আগের তিন দফার রেকর্ড ভেঙে ভোট দিন, টুইটে আর্জি প্রধানমন্ত্রীর

তিনি বলেন, ‘তৃণমূল আসনটি জিতে গিয়েছে। এর পরে যা হওয়ার হবে।' গত বছর আসানসোলে রামনবমীর সময় সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল এ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন আমি কোনও কথাই বলব না কারণ সে সময় আমি এখানে ছিলাম না। পরে আবার বাবুলের প্রসঙ্গ ফিরে এলে  তিনি উত্তর না দিয়েই চলে যান। হাঁটতে হাঁটতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি ওঁর (বাবুলের) নাম শুনতে চাই না ব্যাস।'