অভিযোগ প্রমাণ করুন রাজ্যের সব আসন থেকে প্রার্থী প্রত্যাহার করে নেবঃ মমতা

Lok Sabha Elections 2019: রাজ্যে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Modi) বলেন, ‘বাঁকুড়া কয়লা খাদান থেকে অনৈতিক ভাবে টাকা রোজগার করছেন।’

অভিযোগ প্রমাণ করুন রাজ্যের সব আসন থেকে প্রার্থী প্রত্যাহার করে নেবঃ মমতা

প্রধানমন্ত্রীকে কান ধরে ১০০ বার উঠবস করতে হবেঃ মমতা

হাইলাইটস

  • অভিযোগ প্রমাণ করুণ রাজ্যের সব আসন থেকে প্রার্থী প্রত্যাহার করে নেবঃ মমতা
  • তৃণমূল কয়লা খাদানে মাফিয়া রাজ চালায়, বাঁকুড়ার সভা থেকে দাবি মোদীর
  • পেনড্রাইভ প্রকাশ্যে আনলেই প্রমাণ হয়ে যাবে কারা দুর্নীতি করেঃ মমতা
বাঁকুড়া:

রাজ্যের ৪২টি আসন থেকে তৃণমূল প্রার্থী প্রত্যাহারের হুমকি দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায (CM Mamata Bannerjee) । রাজ্যে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (PM Modi) বলেন, ‘বাঁকুড়া কয়লা খাদান থেকে অনৈতিক ভাবে টাকা রোজগার করছেন।' তৃণমূল নেতা কর্মীরা নিজের ভাষণের এই অংশটি বাংলায় বলেন মোদী। তাঁর কথায়, ‘আপনারা জানেন তৃণমূল কয়লা খাদানে মাফিয়া রাজ চালায়। তৃণমূলের নেতারা এখান থেকে টাকা রোজগার করছেন আর শ্রমিকরা তাদের প্রাপ্যটুকু পাচ্ছেন না।' অভিযোগের ঘন্টা খানেক বাদে বাঁকুড়া দাঁড়িয়ে জবাব দেন মমতা। তিনি বলেন, এই অভিযোগ প্রমাণ করতে পারলে রাজ্যের সমস্ত লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী প্রত্যাহার করে নেবেন তৃণমূল। মমতার কথায়, ‘মোদী  বলেছেন তৃণমূলের প্রার্থী একজন কয়লা মাফিয়া। আমি তাঁকে চ্যালেঞ্জ করছি। প্রমাণ করুন আমি আমার সমস্ত প্রার্থীকে প্রত্যাহার করে নেব। আপনি মিথ্যা কথা বলছেন।  আপনাকে কান ধরে ১০০ বার উঠবস করতে হবে। আমার কাছে পেনড্রাইভ আছে সেটা যদি প্রকাশ্যে আনি  তাহলে প্রমাণ হয়ে যাবে কারা কয়লা খাদানে দুর্নীতি করে আর তারা গরু পাচার করে সমস্ত সত্য প্রকাশে চলে আসবে। 

আপনার থাপ্পড় আমাদের কাছে আশীর্বাদ, মমতাকে জবাব মোদীর

এ রাজ্যে এখনও দু'দফায় ভোট হবে। গত ৫টি দফায় রাজ্যের ২৫টি কেন্দ্রে ভোট হয়েছে। বাকি দুটি দফায় আরও ১৭টি আসনে নির্বাচন হবে। তার আগেই ক্রমশ রাজনৈতিক পারদ চড়ছে। রাজ্যে এসে তৃণমূলকে আক্রমণ করছেন বিজেপি নেতারা। পাল্টা আক্রমণ ফিরিয়ে দিচ্ছে তৃণমূল। কখনও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বা কখনও বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ একের পর এক বিষয়ে মমতাকে নিশানা করছেন। একইভাবে  বিভিন্ন জনসভা থেকে উত্তর ফিরিয়ে দিচ্ছেন মমতা। রাজ্যের পাশাপাশি আরও কয়েকটি রাজ্যে ভোট হবে এই দুদিনে শেষমেষ আগামী পাঁচ বছর কার দখলে থাকবে দিল্লি তা জানা যাবে ২৩ মে।