নয়া নির্দেশিকা সহ খুব তাড়াতাড়ি চালু হতে পারে গণপরিবহণ, বললেন নীতিন গডকড়ি

Lockdown: দেশের গ্রিন জোন অর্থাৎ যে এলাকাগুলোতে করোনা সংক্রমণ সেভাবে ছড়ায়নি সেসব ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি বিধিনিষেধ শিথিল করার ঘোষণা করেছে কেন্দ্র

নয়া নির্দেশিকা সহ খুব তাড়াতাড়ি চালু হতে পারে গণপরিবহণ, বললেন নীতিন গডকড়ি

Nitin Gadkari: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অবশ্য বলেছেন, সামাজিক দূরত্ব এবং অন্যান্য বিধিনিষেধ মেনেই চালু করতে হবে গণপরিবহণ ব্যবস্থা

হাইলাইটস

  • ২৫ মার্চ থেকে দেশ জুড়ে লকডাউন জারি করা হয়
  • তার জেরে বন্ধ রয়েছে সমস্ত গণপরিবহণ ব্যবস্থা
  • খুব তাড়াতাড়িই চালু করা হবে সেগুলো, ইঙ্গিত দিলেন সড়ক পরিবহণমন্ত্রী
নয়া দিল্লি:

২৫ মার্চ, ওই দিন থেকেই ভারতে করোনা সংক্রমণকে (Coronavirus) রুখতে টানা লকডাউন চলছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘোষণা মতো ওই দিন থেকেই সারা দেশের সমস্ত গণপরিবহণ ব্যবস্থা বন্ধ রয়েছে। এবার থমকে থাকা (Lockdown) সেই গণপরিবহণ ব্যবস্থা ফের চালুর ইঙ্গিত দিলেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ মন্ত্রী নীতিন গডকড়ি। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী (Nitin Gadkari) বলেন, খুব তাড়াতাড়িই হয়তো দেশে ফের চালু হতে চলেছে গণপরিবহণ, তবে তার জন্যে নির্দিষ্ট কিছু গাইডলাইন বা নির্দেশিকা প্রকাশ করবে সরকার। বুধবার দেশের বাস ও গাড়ি পরিচালনকারী সংস্থা বাস অ্যান্ড কার অপারেটরস কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ার সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কেন্দ্রের তরফে এক বৈঠক করেন পরিবহণ মন্ত্রী। সেখানেই তিনি বাস ও অন্যান্য গাড়ির মালিকদের আশ্বস্ত করেন এই বলে যে, কিছু নির্দেশিকা মেনে শিগগিরই দেশে গণপরিবহণ ব্যবস্থা ফের চালু হতে চলেছে।

রাজ্যের মেডিকেল বুলেটিনে "বড়সড় গড়মিল" আছে, অভিযোগ কৈলাশ বিজয়বর্গীয়ের

তবে ওই বৈঠকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গডকড়ি অবশ্য একথাও বলেছেন যে, সামাজিক দূরত্ব এবং অন্যান্য বিধিনিষেধ মেনেই চালু করতে হবে গণপরিবহণ ব্যবস্থা।  বাস ও গাড়ি চালানোর সময় নির্দিষ্ট সময় অন্তর চালকদের হাত ধুতে হবে এবং গাড়িকেও স্যানিটাইজ করতে হবে। বাস ও গাড়ির সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের অবশ্যই ফেস মাস্কের মতো সমস্ত সুরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করেই কাজ শুরু করতে হবে, একথাও বলেন মন্ত্রী।

তবে বাস ও গাড়ি পরিচালনকারী সংস্থা বাস অ্যান্ড কার অপারেটরস কনফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ার সঙ্গে বুধবার যে বৈঠক করেন মন্ত্রী তাতে তিনি অবশ্য স্পষ্ট করে জানাননি যে কবে থেকে দেশে গণপরিবহণ ব্যবস্থা চালু হতে চলেছে। আপাতত দেশে আগামী ১৭ মে পর্যন্ত লকডাউন জারি করা রয়েছে।

১৭ মে কি শেষ হচ্ছে লকডাউন, তারপর কী ভাবনাচিন্তা সরকারের? প্রশ্ন সনিয়ার

দেশের গ্রিন জোন অর্থাৎ যে এলাকাগুলোতে করোনা সংক্রমণ সেভাবে ছড়ায়নি সেসব ক্ষেত্রে বেশ কয়েকটি বিধিনিষেধ শিথিল করার ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। এমনকী বিভিন্ন রাজ্য সরকারও সংক্রমণবিহীন বা অল্প সংক্রমণযুক্ত এলাকাগুলোতে ধীরে ধীরে কিছু শিল্পসংস্থা ও কল-কারখানা এবং বেসরকারি অফিস খোলার অনুমতি দিয়েছে। তবে সবই করতে হবে করোনা সংক্রান্ত সাবধানতার বিধিনিষেধ মেনেই।

নীতিন গডকড়ি এও বলেন যে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছেন। COVID-19 মহামারীর মতো ধাক্কা সামলে কীভাবে দেশ ঘুরে দাঁড়াতে পারে, কীভাবে  অর্থনীতির উন্নয়নে পদক্ষেপ করা যায় তা নিয়ে দিনরাত আলোচনা করছেন তাঁরা, একথাও জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।