বাগ মানছে না করোনা, তাই ১৭ মে এর পরেও বাড়তে পারে লকডাউনের মেয়াদ: সূত্র

Lockdown Extension News: লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা, এই পরিস্থিতিতে আরও বাড়ানো হতে পারে লকডাউন, মিলছে ইঙ্গিত

বাগ মানছে না করোনা, তাই ১৭ মে এর পরেও বাড়তে পারে লকডাউনের মেয়াদ: সূত্র

Lockdown Extension News: ১৭ মে তারিখের পরেও লকডাউন বাড়ানো হতে পারে

হাইলাইটস

  • করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ লাগাতার বেড়ে চলেছে
  • আপাতত দেশে ১৭ মে পর্যন্ত লকডাউন জারি রয়েছে
  • শোনা যাচ্ছে, তারপরেও নাকি বাড়ানো হতে পারে লকডাউনের মেয়াদ
নয়া দিল্লি:

করোনা ভাইরাসের (Coronavirus) সংক্রমণ রুখতে আপাতত দেশে আগামী ১৭ মে পর্যন্ত রয়েছে লকডাউন। তবে বিভিন্ন সূত্র মারফৎ যা খবর মিলছে তাতে মনে হচ্ছে যে ১৭ মে তারিখের পরে ফের বাড়ানো হতে পারে লকডাউনের মেয়াদ (Lockdown Extension News)। জানা গেছে, সোমবার মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠক চলাকালীন লকডাউনের মেয়াদ (Lockdown Extension) বাড়ানো নিয়ে আলোচনা হয়। এবিষয়ে আগামী ১৫ মে-র মধ্যে সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের কাছে পরামর্শ চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে একথাও জানা গেছে যে, সোমবারের বৈঠক চলাকালীন বেশিরভাগ রাজ্যই লকডাউন বৃদ্ধি করারই দাবি জানিয়েছে। যদিও রাজ্যগুলি একথাও বলেছে যে জেলা ভিত্তিক রেড জোন ঘোষণার পরিবর্তে যদি যে যে অঞ্চলে সংক্রমণ প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে সেই এলাকাগুলোকে কনটেইনমেন্ট জোন ঘোষণা করা হয় তবে জেলার অন্যান্য অঞ্চলে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক কাজকর্ম শুরু করা সম্ভব। 

লকডাউনের মধ্যেও মানুষের ইচ্ছায় বদলাতে হয়েছে কিছু সিদ্ধান্ত : প্রধানমন্ত্রী, দেখুন ১০ তথ্য

পাশাপাশি বৈঠকে এই পরামর্শও দেওয়া হয় যে, নিয়মিত পর্যায়ে ট্রেন চালানোর পরিবর্তে যদি অল্প জায়গায় থামবে, এমনভাবে ট্রেন চালানো যায় তবে তা বোধহয় এই পরিস্থিতিতে কার্যকরী হবে। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদি আবার বলেন, বিশ্বজুড়ে পর্যটন ব্যবস্থা থমকে রয়েছে। ফলে পর্যটকরা ভারতে আসার দিকেই ঝুঁকতে পারেন, তাই এর জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে করোনা মুক্ত রাজ্যগুলোকে, কারণ দেশে পর্যটনের প্রচুর সম্ভাবনা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর মুখোমুখি হয়ে অমিত শাহের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

তবে প্রধানমন্ত্রী মোদি মুখ্যমন্ত্রীদের সামনে পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন যে পরিযায়ী শ্রমিকরা যার যার নিজের ঘরে ফিরে যাওয়ার কারণে যে রাজ্যগুলিতে ভিনরাজ্যের শ্রমিকদের দিয়ে কাজ করানো হত তারা সমস্যায় পড়বেন। আবার এই শ্রমিকরাও ঘরে ফিরে গিয়েও কাজ না পেয়ে সমস্যার মুখোমুখি হবেন। তবে একবার যখন তাঁরা বাড়ি যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছেন, তখন আগামী ১০ দিনের মধ্যে তাঁদের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া উচিত। তবে এই  পরিযায়ী শ্রমিকদের থেকেও করোনা সংক্রমণ আরও ছড়াতে পারে এই আশঙ্কা করে তিনি বলেন, ওই শ্রমিকদের সকলেরই শারীরিক পরীক্ষা-নিরিক্ষা করা উচিত। এঁদের মধ্যে যাঁরা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন তাঁদের চিকিৎসা করানোও প্রয়োজন।

প্রধানমন্ত্রী মোদি একথাও বলেন যে, আমরা জানি যে, সংক্রমিত মানুষের সংখ্যা আরও বাড়বে। তবে দেশ করোনামুক্ত হবে বলেও আশাপ্রকাশ করেন তিনি। এদিকে দেশের দিনমজুর ও অন্যান্য শ্রমিকদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কেন্দ্র শ্রমিকদের ভবিষ্যতের জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম শৃঙ্খলা তৈরি করবে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী এই আশাও দেন যে বিদেশ থেকে বড় বড় সংস্থাগুলি বিনিয়োগ করতে ভারতে আসতে পারে এমন সম্ভাবনাও দেখা যাচ্ছে।