This Article is From May 07, 2020

ভাইজ্যাগ গ্যাস লিক-কাণ্ড! কারখানার সেফটি প্রোটোকল খতিয়ে দেখতে তৎপর প্রশাসন

চোখ জ্বালা, শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে একাধিক নাগরিককে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। মৃতও ১১ জনের মধ্যে দুই শিশু রয়েছে, এমনটাই পুলিশ সূত্রে খবর

ভাইজ্যাগ গ্যাস লিক-কাণ্ড! কারখানার সেফটি প্রোটোকল খতিয়ে দেখতে তৎপর প্রশাসন

বিশাখাপত্তনমের এলজি পলিমারের বন্ধ কারখানা থেকে লিক করে স্টাইরিন। ছড়িয়ে পড়ে প্রায় ৩-কিমি এলাকায়।

নয়া দিল্লি:

ভোপালের স্মৃতি ফিরিয়ে ভাইজ্যাগে গ্যাস লিকের (Vaizag Gas Leak) জেরে এখনও পর্যন্ত মৃত ১১। অসুস্থ হাজারের বেশি নাগরিক। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোর ৩-টে নাগাদ প্রায় ৪০ দিন বন্ধ থাকা এলজি পলিমার (LG Polymer) কারখানা থেক লিক করেছিল স্টাইরিন গ্যাস। প্রায় ৩-কিমি পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে সেই গ্যাস। এই দুর্ঘটনার পিছনে সংস্থার গাফিলতি রয়েছে কিনা, খতিয়ে দেখতে প্রশাসনের ওপর চাপ বাড়ছে। সেফটি প্রোটোকল মেনে (Safety protocol) ফের কাজ শুরু হয়েছিল কিনা সেই কারখানায় তদন্ত করে দেখা হবে। এমনটাই অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশ সূত্রে খবর। পাশাপাশি লকডাউনের প্রভাবে প্রায় ৪০-দিন বন্ধ থাকার পর কী কী সতর্কতা অবলম্বন করেছিল ম্যানেজমেন্ট, তাও তদন্তের আওতাধীন। এদিন জানিয়েছেন অন্ধ্র পুলিশের এক কর্তা। জানা গিয়েছে, এই দুর্ঘটনায় হাসপাতালে গুরুতর অবস্থায় চিকিৎসাধীন প্রায় ২০০ জন। রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী এমজি রেড্ডি বলেছেন, "এলজি পলিমার কর্তৃপক্ষকে জবাবদিহি করতে হবে কীভাবে লিক হয়েছিল গ্যাস (Styrine Gas)। কতটা সেফটি প্রোটোকল তারা মেনেছিল। প্রোটোকল বিধি ভাঙলে অপরাধযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের হবে।" 

কেমিক্যাল প্ল্যান্ট থেকে বিষাক্ত গ্যাস নির্গত হয়ে মৃত কমপক্ষে ১১ জন, অসুস্থ বহু

সংবাদসংস্থা এএনআইকে মন্ত্রী বলেনল, "লকডাউনের পর এমন রাসায়নিক কারখানা খোলার আগে টেকনিক্যাল দল দিয়ে পর্যবেক্ষণ করাতে হবে। সরকারি নির্দেশে স্পষ্ট সে কথা বলা ছিল। অনেক সংস্থা সেই নির্দেশিকা মেনেছে।" অভিযোগ, "লকডাউনের জেরে ৪০ দিন বন্ধ থাকার পর, কোনওরকম সতর্কতা ছাড়াই সোমবার খোলা হয়েছিল সেই কারখানা। ফলে কোনওভাবে গ্যাস পাই লিক করে ছড়িয়ে পড়েছে বিষাক্ত স্টাইরিন গ্যাস।" একাধিক সংবাদ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিদতে দেখা গিয়েছে, পথে পড়ে অচেতন মানুষ। শুকিয়ে গিয়েছে গাছের পাতা। শরীরে কোনও সাড় নেই কুকুর-বিড়ালের মতো চতুষ্পদের। 

করোনা রোগীদের পাশেই পড়ে আছে ওই রোগের কারণে মৃত ব্যক্তিদের দেহ! দেখুন ভয়ঙ্কর সেই ভিডিও

চোখ জ্বালা, শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে একাধিক নাগরিককে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। মৃতও ১১ জনের মধ্যে দুই শিশু রয়েছে, এমনটাই পুলিশ সূত্রে খবর। রাজ্যের এক কর্তা পুলিশ কর্তা বলেছেন, "দমকল ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর তৎপরতায় সকাল ১০টা নাগাদ নিয়ন্ত্রণে আসে গ্যাসের প্রকোপ।" তড়িঘড়ি অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে টেলি-বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় তরফে সাহায্যের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল সেই বৈঠকে।