জেএনইউতে হামলা নিয়ে দিল্লি পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে কথা অমিত শাহের

ট্যুইটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, আধিকারিকদের “প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ” করতে বলা হয়েছে

জেএনইউতে হামলা নিয়ে দিল্লি পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে কথা অমিত শাহের

হামলার ঘটনাকে খুবই নিন্দার বলে মন্তব্য করেছে শিক্ষামন্ত্রক (ফাইল)

নয়াদিল্লি:

জওহরলাল নেহেরু বিশ্ববিদ্যালয়ে (Jawaharlal Nehru University) রবিবার সন্ধ্যায় মাস্ক পড়ে ঢুকে পড়ুয়া ও শিক্ষকদের ওমর হামলা চালানোর পরেই, দিল্লির পুলিশ কমিশনার অমূল্য পট্টনায়েকের সঙ্গে কথা বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) । ট্যুইটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, আধিকারিকদের “প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ” করতে বলা হয়েছে। ট্যুইটে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে বলা হয়েছে, আধিকারিকদের “প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ” করতে বলা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র্রমন্ত্রকের তরফে করা ট্যুইটে বলা হয়েছে, “জেএনইউ হিংসা নিয়ে দিল্লি পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে কথা বলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তাঁকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে। একজন যুগ্ম কমিশনার পদমর্যাদার আধিকারিকের পর্যায়ের আধিকারিকের মাধ্যমে তদন্ত করে যত দ্রুত সম্ভব রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে”।

শিক্ষামন্ত্রকের তরফে ঘটনাকে “খুবই নিন্দার” বলে মন্তব্য করা হয়েছে  এবং বলা হয়েছে, “হিংসা ও নৈরাজ্য বরদাস্ত করা হবে না”।

একাধিক ট্যুইটে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী এই হামলা “খুবই নিন্দার” বলে বর্ণনা করেছে, এবং এই ধরণের “হিংসা ও নৈরাজ্য” বরদাস্ত করা হবে না হুঁশিয়ারি দিয়েছে। মন্ত্রকের ট্যুইটার হ্যান্ডেল থেকে লেখা হয়েছে, “মন্ত্রক জানতে পেরেছে যে, আজ জেএনইউ ক্যাম্পাসে মাস্ক পড়ে ঢুকে পড়ে দুষ্কৃতীরা, সম্পত্তি নষ্ট করে তারা এবং পড়ুয়াদের ওপর হামলা চালায়। এটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক এবং খুবই নিন্দনীয়, এই ধরণের হিংসা ও নৈরাজ্য বরদাস্ত করা হবে না”।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সন্ধ্যা ৬.৩০ নাগাদ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঢুকে পড়ে জনা পঞ্চাশের একটি দুষ্কৃতী দল, লাঠি ও পাথর দিয়ে পড়ুয়া ও শিক্ষকদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় জখম হয়েছেন বহু পড়ুয়া ও শিক্ষক।

মাথায় আঘাত পেয়েছেন জেএনইউ এর ছাত্র সংসদের সভানেত্রী ঐশি ঘোষ, তাঁকে এআইআইএমএসে ভর্তি করা হয়েছে। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, মাস্ক পড়া দুষ্কৃতীরা আমার ওপর হামলা চালিয়েছে। আমার শরীর দিয়ে রক্ত ঝড়েছে। আমায় নির্মমভাবে মারধর করা হয়েছে”। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদের তরফে ট্যুইটে লেখা হয়েছে, “নিরাপত্তারক্ষী, প্রশাসন ও পুলিশের সহায়তায় যে ক্যাম্পাসের ভিতরে ঢুকেছিল, সে বেরিয়ে আসে এবং তাঁর মাথায় আঘাত করে”।