JNU Attack: বহিরাগত নয়, অধিকাংশ হামলাকারীই এসেছে ভিতর থেকে, সন্দেহ পুলিশের

ক্রাইম ব্রাঞ্চ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে আহতদের সম্পর্কে। তাঁদের সকলের বিবৃতি রেকর্ড করা হবে বলে জানিয়েছে তারা।

JNU Attack: বহিরাগত নয়, অধিকাংশ হামলাকারীই এসেছে ভিতর থেকে, সন্দেহ পুলিশের

JNU Attack: ঘটনার দু’দিন পরেও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।

নয়াদিল্লি:

বহিরাগত নয়, জেএনইউয়ে হামলায় (JNU Attack) যুক্তদের অধিকাংশই সম্ভবত ভিতরেরই লোক। মঙ্গলবার এক বর্ষীয়ান পুলিশ আধিকারিক একথা জান‌ান। তিনি বলেন, বিশেষ বিশেষ হোস্টেলের নির্দিষ্ট দরজাতেই ধাক্কা দেওয়া হয়েছিল সেদিন। ঘটনার দু'দিন পরেও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ (Crime Branch) বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে আহতদের সম্পর্কে। তাঁদের সকলের বিবৃতি রেকর্ড করা হবে বলে ক্রাইম ব্রাঞ্চ জানিয়েছে। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ঘরও চেয়েছে তারা, যেখানে ওই বিবৃতি গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি জনতার কাছেও আবেদন করা হয়েছে, সেদিনের হিংসার কোনও ছবি, ভিডিও বা কোনও রকম তথ্য থাকলে তা জানানোর জন্য।

‘‘জেএনইউকে শত্রু বানিয়ে সরকার ভুল করেছে'': কানহাইয়া কুমার

তদন্তের মূল ফোকাস থাকবে পেরিয়ার ও সাবরমতী হোস্টেলের দিকে, যেখানে মূলত হিংসার ঘটনা ঘটেছিল।

ক্রাইম ব্রাঞ্চ কথা বলছে ওয়ার্ডেন ও পেরিয়ার হোস্টেলের কয়েকজন পড়ুয়ার সঙ্গে। প্রসঙ্গত, ওই হোস্টেলে মুখোশধারী হানাদাররা হানা চালিয়েছিল।

জেএনইউয়ের হাম‌লার প্রতিবাদ, গানে-কবিতায় মিছিল কলেজ স্কোয়ার থেকে

পুলিশ জানিয়েছে, এখনও আহত ৩৪ জনের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি। এক আধিকারিক জানাচ্ছেন, ‘‘আমরা জেনেছি আহতদের কয়েকজন বাড়ি চলে গিয়েছে। অনেকে আশ্রয় নিয়েছে বন্ধু বা আত্মীয়দের বাড়িতে।'' ওই আধিকারিক আরও জা‌নাচ্ছেন, যেহেতু হোস্টেলের ভিতরে কোনও সিসিটিভি নেই, তাই সাক্ষ্য ও ভিডিওর উপরে নির্ভর করে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যেতে চাইছেন তাঁরা।

যে রড বা লাঠি দিয়ে আক্রমণ করা হয়েছিল সেখান থেকে প্রমাণ সংগ্রহের চেষ্টা করছে তদন্তকারী দল। পাশাপাশি ডিএনএ ও অন্যান্য নমুনাও সংগ্রহ করা হয়েছে। ছবি থেকে মুখোশধারীদের মুখের ছবি বের করার চেষ্টা চলছে এফএসএলের সাহায্যে।

রবিবার সন্ধ্যায় জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে মুখোশধারী দুষ্কৃতীর দল হাম‌লা চালায় পড়ুয়া ও অধ্যাপকদের উপর। লোহার রড, লাঠি ইত্যাদি নিয়ে তারা চড়াও হয় সকলের উপরে। প্রায় তিন ঘণ্টা তারা তাণ্ডব চালায়। ঘটনায় আহত হন ৩৪ জন। পুলিশ এফআইআর দায়ের করলেও এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।