ঝাড়খণ্ডে ভোটপ্রচারে অযোধ্যা, কাশ্মীর ইস্যু তুলে ধললেন অমিত শাহ

Jharkhand Assembly Poll: রাজ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটপ্রচার শুরু করে, কংগ্রেসের বিরুদ্ধে অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণ আটকে রাখার অভিযোগ তুললেন অমিত শাহ

ঝাড়খণ্ডে ভোটপ্রচারে অযোধ্যা, কাশ্মীর ইস্যু তুলে ধললেন অমিত শাহ

জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের ইস্যু তুলে ধরেন অমিত শাহ(ফাইল)

লাটেহার:

চলতি মাসের গোড়াতেই, অযোধ্যায় রামমন্দির (Ram temple in Ayodhya) গড়ায় সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট, বৃহস্পতিবার ঝাড়খণ্ডে ভোটপ্রচারে অযোধ্যা মামলার প্রসঙ্গ তুলে ধরলেন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ (Amit Shah) । ঝাড়খণ্ডে মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাসের নেতৃত্বে ফের একবার ক্ষমতায় ফিরতে চায় বিজেপি, এদিনের প্রচারে জায়গা করে নিল জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারে কেন্দ্রের পদক্ষেপও। রাজ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ভোটপ্রচার শুরু করে, কংগ্রেসের বিরুদ্ধে অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণ  আটকে রাখার অভিযোগ তুললেন অমিত শাহ। লাটেহারে ভোটের প্রচারে বিজেপি সভাপতি বলেন, “আপনারা বলুন...অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণ করা উচিত কিনা? অথচ কংগ্রেস এই মামলার ধারাবাহিক শুনানি হতে দিচ্ছিল না। এখন সুপ্রিম কোর্ট ঐতিহাসিক রায় দিয়ে অযোধ্যায় মহৎ রাম মন্দির নির্মাণের রাস্তা খুলে দিয়েছে”। 

Ayodhya Verdict: ১৫২৮ থেকে আজ পর্যন্ত জেনে নিন অযোধ্যার ইতিহাস

প্রায় ছয় দশক ধরে সুপ্রিম কোর্টে পড়েছিল অযোধ্যায় জমি সংক্রান্ত মামলাটি, সেই মামলার নিষ্পত্তি করে প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈয়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ। ৪০দিন ধারাবাহিক শুনানির পর রায় দেয় শীর্ষ আদালত। 

তিনমাসের মধ্যে কেন্দ্রীয় সরকারকে একটি ট্রাস্ট তৈরির জন্য নীতি চালু করার নির্দেশ দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত, মন্দির নির্মাণের জমি তুলে দেওয়া হবে সেই ট্রাস্টের হাতেই। আদালত আরও জানিয়েছে, মসজিদ নির্মাণের জন্য অযোধ্যার ভাল জায়গায় ৫ একর জমি দিতে হবে।

দীর্ঘ সময় ধরে জম্মু ও কাশ্মীরে চালু থাকা বিশেষ মর্যাদার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন অমিত শাহ।  তিনি বলেন, “ভোটব্যাঙ্কের লোভে কাশ্মীরের সমস্যা ৭০ বছর চলে দিয়েছে কংগ্রেস। যাইহোক, ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কাশ্মীর উপত্যকাকে উন্নয়নের রাস্তার নিয়ে এসেছেন তিনি”। 

অযোধ্যা প্যানেলের পরিকল্পনা হিন্দু, মুসলিমদের জয়: সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড

গতমাসে মহারাষ্ট্রে বিধানসভা নির্বাচন হয়, সেখানেও ভোটপ্রচারে জাতীয় ইস্যুগুলি তুলে ধরেও খুব একটা ফলপ্রদ হয়নি।

সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে অনেকটা দূরে, ২০১৪-এর ফলাফলও ছুঁতে পারেনি বিজেপি, ক্ষমতায় ভাগাভাগি নিয়ে শিবসেনার সঙ্গে মতানৈক্য হওয়ায় সরকার গড়ার দৌড় থেকেও ছিটকে গিয়েছে তারা।

এদিনের ভোটপ্রচারে কংগ্রেস ও বিজেপি দুই সরকারের  তুলনামূলকভাবে বাজেট বরাদ্দের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন অমিত শাহ।  তিনি বলেন, “১৩তম অর্থ কমিশনে, ঝাড়খণ্ডের উন্নয়নের জন্য ৫৫,২৫৩ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিল সনিয়া-মনমোহন সরকার। ঝাড়খণ্ডের উন্নয়নে ৩,০৮, ৪৮৭ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে মোদি সরকার”।

পাঁচ দফায় বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ ঝাড়খণ্ডে। ৩০ নভেম্বর এই রাজ্যে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ, এরপর ৬ ডিসেম্বর, ১২ ডিসেম্বর, ১৬ ডিসেম্বর এবং ২০ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ হবে। ২৩ ডিসেম্বর ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল।

More News