This Article is From Jun 11, 2020

"দেশে নেই গোষ্ঠী সংক্রমণ! ৮৩টি জেলায় সংক্রমণ ১%-এর নীচে", দাবি করল আইসিএমআর

তবে, দিল্লি  ও মুম্বইতে যে হারে সংক্রমণ চলছে, সেখানে গোষ্ঠী সংক্রমণের সন্দেহ স্বাস্থ্য মন্ত্রকের। যদিও নিশ্চিত কিছু করা যায়নি

ভারতে দিনে দিনে যেন আরও নিজের রাজত্ব বিস্তার করছে করোনা ভাইরাস (ফাইল)

নয়াদিল্লি:

গত কয়েকদিন গড়ে নয়-দশ হাজার ছুঁয়েছে দিনপিছু সংক্রমণ (Rapid Spread of Covid-19 in India) । তাও গোষ্ঠী সংক্রমণ পর্বে নেই ভারত (No community transmission)। বৃহস্পতিবার এমন দাবি করল কেন্দ্র। ২৪ ঘণ্টার বিচারে সবচেয়ে বেশী সংক্রমণ দেখেছে দিল্লি-মুম্বই। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যানে তেমনটাই উল্লেখ। পাশাপাশি কেন্দ্রের দাবি; দেশব্যাপী ধাপে ধাপে চলা লকডাউন কার্যকরী। কমানো গিয়েছে সংক্রমণের গতি। দেশের ৮৩টি জেলায় সংক্রমণের হার মোট জনসংখ্যার এক শতাংশেরও কম। আইসিএমআর-এর (ICMR on Lockdown) ডিজি বলরাম ভার্গব বলেছেন, "গোষ্ঠী সংক্রমণ নিয়ে একটা বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কিন্তু হু এখনও সেটা নিশ্চিত করেনি। আমাদের দেশে জনপথ পিছু সংক্রমণ খুব কম। ১%-এর নীচে। শহরাঞ্চলে একটু বেশি। আর কন্টেইনমেন্ট এলাকায় আর একটু বেশি। কিন্তু আমরা গোষ্ঠী সংক্রমণের মধ্যে নেই। গোষ্ঠী সংক্রমণ বা স্টেজ-থ্রি সংক্রমণ, তখন ধরা হবে যখন, বাহকের খোঁজ মিলবে না।

লকডাউনের নিষেধাজ্ঞা শিথিল হওয়ার পর ফের কলকাতায় বাড়ছে বায়ুদূষণ

তাঁর দাবি, "মাত্র ০.৭৩% ক্ষেত্রে বাহকের অস্তিত্ব মেলেনি। ভারতের মতো জনবহুল দেশে এটা অত্যন্ত নগণ্য। তাই আমরা বলতেই পারি দ্রুত সংক্রমণ প্রতিরোধে লকডাউন কার্যকরী। অর্থাৎ দশের অধিকাংশ মানুষ সংক্রমণ প্রতিরোধে সক্ষম। স্থানীয় স্তরে লকডাউন লাগু করে কন্টেইনমেন্ট জোনে নজরদারি চললে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে।" 

তবে, দিল্লি  ও মুম্বইতে যে হারে সংক্রমণ চলছে, সেখানে গোষ্ঠী সংক্রমণের সন্দেহ স্বাস্থ্য মন্ত্রকের। যদিও নিশ্চিত কিছু করা যায়নি। 

ভারতে দিনে দিনে যেন আরও নিজের রাজত্ব বিস্তার করছে করোনা ভাইরাস, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে ওই রোগে আক্রান্ত হলেন ৯,৯৯৬ জন, মৃত্যু হল ৩৫৭ জনের। এর ফলে সব মিলিয়ে প্রায় ২,৮ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত কোভিড- ১৯ এ। সারা ভারতে ৮,০০০ এরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে ওই রোগে।

"চিন্তাভাবনা" করে তবেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য করা উচিত: দিলীপ ঘোষ

এই নিয়ে টানা নবম দিন ৯,০০০ এরও বেশি মানুষ একদিনে কোভিড- ১৯ এ আক্রান্ত হলেন। সারা বিশ্বের করোনা ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর তালিকায় সংক্রমণের বিচারে পঞ্চম স্থানে রয়েছে ভারত। আমেরিকা, ব্রাজিল, রাশিয়া এবং ব্রিটেনের পরেই রয়েছে এই দেশ। এদিকে সরকারি তথ্য অনুসারে জানা যাচ্ছে যে, করোনা ভাইরাস মহামারী রূপে দেখা দেওয়ার পর থেকে ভারত জুড়ে ৫ মিলিয়নেরও বেশি মানুষের করোনা টেস্ট করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের মতে, শুধু মঙ্গলবারই রেকর্ড ১,৫১,৮০৮ জনের শরীরের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছিল।

এখনও পর্যন্ত অত্যন্ত সংক্রামক এই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ভারতে মোট ৮,১০২ জন রোগী মারা গেছেন। তবে এর মধ্যে বেশিরভাগই মহারাষ্ট্রের বাসিন্দা। ওই রাজ্যই এখন দেশের মধ্যে করোনা ভাইরাসের বৃহত্তম হটস্পট, ওখানে এখনও পর্যন্ত মোট ৩,৪৮৩ জন রোগীর মৃত্যু হয়েছে।