মধ্যপ্রদেশ নির্বাচন: সম্ভবত মৈত্রীর বন্ধনে আবদ্ধ হতে চলেছে কংগ্রেস এবং বিএসপি

মধ্যপ্রদেশের ব্যাপারে কংগ্রেস সম্পূর্ণ রূপে বিএসপি-র সাথে চুক্তি করে এগিয়ে চলার চেষ্টা করবে বলেই মনে করা হচ্ছে

মধ্যপ্রদেশ নির্বাচন: সম্ভবত মৈত্রীর বন্ধনে আবদ্ধ হতে চলেছে কংগ্রেস এবং বিএসপি

ছবিতে কংগ্রেস নেতা সোনিয়া গান্ধী বিএসপি প্রধান মায়াবতীর সাথে

নিউ দিল্লী:

সম্ভবত এই বছরের শেষের দিকে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের জন্য কংগ্রেস এবং বিএসপি-র মধ্যে আলোচনা সভা শুরু হয়ে গেছে। উভয় পক্ষই এই আলোচনা করার জন্য উগ্রীব, এমন সম্ভাবনাগুলি দেখা যাচ্ছে।আগামী বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস-বিএসপি মিলিত হয়েই যুদ্ধে অবতীর্ণ হবে বলে মনে করা হচ্ছে। এই আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে 2019 সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে সেমিফাইনাল হিসাবে দেখা হচ্ছে। কংগ্রেসকে এখনো পর্যন্ত ছোট দলগুলোর মধ্যে দাঁড়িয়ে নেতৃত্ব প্রদানের ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে না, আসলে এখন জাতীয় রাজনীতিতে তার নিজের ভূমিকা পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে। কর্ণাটক হল এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ, যেখানে প্রথমে কংগ্রেস জেডিএসকে সমর্থন দেয় এবং তারপর সমস্ত রকম বিবাদ এড়ানোর জন্য রাজস্ব ভান্ডারও জেডিএসের হাতে তুলে দেয়।

মধ্যপ্রদেশের ব্যাপারে কংগ্রেস সম্পূর্ণ রূপে বিএসপি-র সাথে চুক্তি করে এগিয়ে চলার চেষ্টা করবে বলেই মনে করা হচ্ছে।গত কুড়ি বছর ধরে মোট ভোটের 7 শতাংশ দলিতদের ঝুলিতেই গেছে, কংগ্রেস মনে করছে যে, যদি তাদের 36 শতাংশ ভোটের সাথে সাত শতাংশ মিলিত হয়ে যায় তবে তারা একটা বড়ো বিরোধী শক্তি হিসাবে আত্মপ্রকাশ করতে পারবে।কারণ আশা করা হচ্ছে বিজেপির ঝুলিতে 45 শতাংশ ভোট যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। 

কংগ্রেস মনে করছে যে, খুব কম ভোটের জন্যই শিবরাজ সিং চৌহানকে তাঁর পদ হারাতে হতে পারে, যদি বিপক্ষীয় দল কোনো বড়ো ভুল করে না বসে।সূত্র এনডিটিভিকে জানিয়েছে যে, শুধুমাত্র মধ্যপ্রদেশে নয় রাজস্থান ও ছত্তিশগড়েও বিএসপি কংগ্রেসের সাথে মৈত্রীর বন্ধনে আবদ্ধ হতে রাজি আছে।বিএসপি-র ছত্তিশগড়ে 5 এবং রাজস্থানে 4 শতাংশ ভোট ব্যাংক আছে। যেখানে সহযোগিতা পাওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে কংগ্রেস সেখানেই চুক্তি করতে রাজি আছে বলে মনে করে হচ্ছে ।