ফের উদ্ধার চিতাবাঘের চামড়া, গ্রেফতার ৪

এক-একটি চিতাবাঘের চামড়ার জন্য তাদের দেওয়া হয় কমপক্ষে ৫ লক্ষ টাকা। কখনও তারও বেশি। এক-একটি বাঘের চামড়ার জন্য তাদের দেওয়া হয় কমপক্ষে ২৫ লক্ষ টাকা।

ফের উদ্ধার চিতাবাঘের চামড়া, গ্রেফতার ৪

শুধু চামড়া নয়, চামড়ার সঙ্গে চিতাবাঘের চারটি নখও উদ্ধার করে পুলিশ।

রাচাকোন্দা, হায়দরাবাদ:

চোরাশিকারিদের নিয়ে ক্রমশ কঠোর হয়েছে দেশের আইন। বন্যপ্রাণী বাঁচাও আন্দোলনের কর্মীরা বহুবার সরব হয়েছেন এবং হচ্ছেন। তাঁরা মিছিল করে, সেমিনার করে, সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট দিয়ে সাধারণ মানুষকে বন্যপ্রাণীদের গুরুত্ব এবং চোরাশিকারীদের বন্যপ্রাণী হত্যা করে তাদের গায়ের চামড়া, দাঁত ইত্যাদি বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ টাকা অবৈধভাবে কামানো নিয়েও সচেতন করা হয়েছে। তবু যেন, ছবিটি পাল্টানোর নয়। হায়দরাবাদের একটি সাম্প্রতিক ঘটনাই তার প্রমাণ। যে ঘটনায় অভিযুক্ত বলে গ্রেফতার করা হল চারজনকে। এই চারজন চোরাশিকারী একটি চিতাবাঘের সম্পূর্ণ ছালটি ছাড়িয়ে নিয়ে তা বিক্রি করার জন্য উদ্যত হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। শুধু ছালই নয়। ওই চোরাশিকারীদের কাছ থেকে চিতাবাঘের চারটি নখও উদ্ধার করে পুলিশ।

সামান্য বচসার জের, তিনজনকে কুঠার দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করল এক নাবালক

রাচাকোন্দার পুলিশ কমিশনার মহেশ ভাগবত সংবাদসংস্থা এএনআই'কে বলেন, গোয়েন্দা এবং পুলিশরা যৌথভাবে অনুসন্ধান চালিয়ে গ্রেফতার করে চারজন চোরাশিকারীকে। তাদের নাম- বাসুদেব মস্তি, জগন্নাথ সিসা, বালি পঙ্গি এবং নাগোথি বানুআত। তাদের কাছ থেকে চিতাবাঘের একটি চামড়া, চারটি নখ এবং একটি গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে।

মায়ের সামনেই বাইশ বছরের মেয়েকে ধর্ষণ করল দুই দুষ্কৃতী

তিনি আরও বলেন, “এই অভিযুক্তরা সকলেই ওড়িশার বাসিন্দা। তারা তারের ফাঁদ পেতে প্রধানত চিতাবাঘ এবং বাঘকে নিশানা করে। তার কারণ, এই সব পশুদের চামড়ার দারুণ চাহিদা বাজারে। তারা খুব ভালো করেই জানে যে, এইসব বন্যপ্রাণীর বিচরণক্ষেত্র কোথায় কোথায় বা জঙ্গলের কোন কোন জায়গায়। সেইমতোই ফা।দ পাতা হয়। শিরপুর-কাগজনগর জঙ্গল, মহারাষ্ট্রের তাদোবা জঙ্গল, ছত্তিশগড়ের জঙ্গল এবং ওড়িশার সীমান্ত ও ভাইজাগের জঙ্গলেই এদের দৌরাত্ম্য বেশি”।

হায়দ্রাবাদের স্কুলে যৌন নিগ্রহের ‘শিকার' দু'বছরের শিশু!

পুলিশ জানায়, এই চোরাশিকারীদের দলে অন্তত ১০ জন সদস্য রয়েছে। মহেশ ভাগবত আরও বলেন, “বন্যপ্রাণীকে মারার পর তারা তাদের সূত্র মারফৎ খবর দেয় সেই লোককে, যে ওই প্রাণীর চামড়া ছাড়াতে পারে। তাদের একটি নির্দিষ্ট অর্থ দেওয়া হয় ওই চামড়া ছাড়ানোর জন্য। এক-একটি চিতাবাঘের চামড়ার জন্য তাদের দেওয়া হয় কমপক্ষে ৫ লক্ষ টাকা। কখনও তারও বেশি। এক-একটি বাঘের চামড়ার জন্য তাদের দেওয়া হয় কমপক্ষে ২৫ লক্ষ টাকা। কারণ, বাঘের চামড়ার দাম চিতাবাঘের চামড়ার দামের থেকে আরও বেশি”।



(এনডিটিভি এই খবর সম্পাদনা করেনি, এটি সিন্ডিকেট ফিড থেকে সরাসরি প্রকাশ করা হয়েছে।)