কর্তারপুর সাহিব গুরুদ্বারের সঙ্গে গুরু নানক কেন জড়িত? জন্মজয়ন্তীতে জেনে নিন

Gurpurab 2019: ২০১৮-র ২৩ নভেম্বর থেকেই পাঞ্জাব সরকার শিখ গুরুর ৫৫০ তম জন্মবার্ষিকী নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করার জন্য বিশেষ আয়োজনে ব্যস্ত।

কর্তারপুর সাহিব গুরুদ্বারের সঙ্গে গুরু নানক কেন জড়িত? জন্মজয়ন্তীতে জেনে নিন

Guru Nanak Jayanti 2019: দেশ জুড়ে ছিল তাঁর অবাধ বিচরণ

চন্ডীগড়:

"ভালো ব্যবহারই ঈশ্বর ভক্তির প্রধান পাথেয়" ৫৫০ বছর আগে ভক্তদের একথাই শিখিয়েছিলেন প্রথম শিখ ধর্মগুরু (first Sikh master) গুরু নানক। আগামীকাল অর্থাৎ মঙ্গলবার তাঁর ৫৫০তম জন্মজয়ন্তী (550th Prakash Parv)। তাঁর শেখানো পথ এবং মতকে সামনে রেখেই এই বিশেষ দিন সাড়ম্বরে পালন করবে গোটা দেশ। একই সঙ্গে জপবে তাঁর দেওয়া বীজমন্ত্র, নাম জপ ঈশ্বরের, মন দিয়ে নিজের দায়িত্ব পালন কর এবং সব ভালো সবার সঙ্গে ভাগ করে নাও। 

'বুলবুল'-কে ঘিরে "কুম্ভিরাশ্রু বিসর্জন" কেন্দ্রের: বললেন বাংলার মন্ত্রী

২০১৮-র ২৩ নভেম্বর থেকেই পাঞ্জাব সরকার শিখ গুরুর ৫৫০ তম জন্মবার্ষিকী নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করার জন্য বিশেষ আয়োজনে ব্যস্ত। যদিও মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে ১ নভেম্বর থেকে সুলতানপুর লোধি শহরে। চলবে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত। নানক দেবের জন্মজয়ন্তীতে যাতে কোনও ত্রুটি না থাকে তার জন্য মুখ্যমন্ত্রী অমরেন্দ্র সিং অনুষ্ঠানের খরচ হিসেবে ৩,২০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছেন। এছাড়া, যে ৭০টি গ্রামে পদধূলি পড়েছে গুরু নানকের সেই সব গ্রামের উন্নতির জন্য একগুচ্ছ প্রকল্পও নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পাঞ্জাব সরকার।

শিখ ধর্মের প্রথম প্রবর্তক নানকজিই দেখিয়েছিলেন, গৃহী সন্ন্যাস ঈশ্বরভক্তির সর্বশ্রেষ্ঠ উপায়।  যে নামেই ডাকা হোক, তাতে ভক্তি-ভালোবাসার মিশেল ঘটলে ভগবান সাড়া দেবেনই। নানকজির এই বাণী প্রচারের উদ্দেশ্যে ইতিমধ্যেই পাঞ্জাব সরকার কিছু ওয়েবসাইট খুলেছে। সেখানে তাঁর মতপ্রচারের পাশাপাশি দেশবাসীর উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে, 'শুনহ মানুষ ভাই, সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই। ঈশ্বরের কাছে উঁচু-নীচুর ভেদাভেদ নেই। সবাই সমান।'

Viral: রামধনুকে সঙ্গী করে উড়তে পারে এই Plane? সত্যি?

ঈশ্বরের সাধন-ভজনের পাশাপাশি ধর্মপ্রচারের উদ্দেশ্যে প্রায় সারা ঘুরেছেন নানকজি। তাঁর এই ভ্রমণ 'ভাই গুরদাস' নামে পরিচিত। সুলতানপুর লোধি থেকে যাত্রা শুরু করে তিনি প্রথম পর্যায়ে পা রাখেন হরিয়ানা, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ এমনকি বাংলাদেশেও। দ্বিতীয় ভ্রমণকালে সমস্ত দক্ষিণ ভারত দেখার পর তিনি পৌঁছে যান শ্রীলঙ্কায়। তৃতীয় পর্যায়ে তিনি পৌঁছোন হিমালয়ের ধর্মীয় স্থান, তিব্বত, লাদাখ, কাশ্মীর এবং পাকিস্তানে। বিশ্বোর পশ্চিম অংশে ভ্রমণের সময়েই নানকজি বেশ কিছুদিন বিশ্রাম নিয়েছিলেন কর্তারপুরে। কথিত আছে, নারওয়াল জেলার অন্তর্গত এই কর্তারপুরেই জীবনের শেষ ১৮টি বছর কাটিয়েছিলেন গুরু নানক। তাঁর দেহাবসানের পর সেখানে নির্মিত হয়েছে কর্তারপুর গুরুদ্বার শ্রী দরবার সাহিব বা কর্তারপুর সাহিব। আজও বিশ্বের সমস্ত শিখধরমাবলম্বীদের কাছে অন্যান্য গুরুদ্বারের মধ্যে এটি অন্যতম জনপ্রিয় ধর্মস্থান। ভারত-পাকিস্তান সহ সমস্ত দেশের মানুষ যাতে নানকজির পুণ্য জন্মদিনে দুই দেশের গুরুদ্বার ঘুরে দেখতে পারেন সেই উপলক্ষ্যএই শনিবার উদ্বোধন হয়েছে কর্তারপুর করিডোরের। এই করিডোর দিয়ে যাতায়াতের জন্য কোনও পাসপোর্ট বা ভিসা লাগবে না।



(এনডিটিভি এই খবর সম্পাদনা করেনি, এটি সিন্ডিকেট ফিড থেকে সরাসরি প্রকাশ করা হয়েছে।)Click for more trending news


More News