‘কথা না শুনলে’ সোশ্যাল মিডিয়ার কর্তাদের বিরুদ্ধ্বে ব্যবস্থা নেবে কেন্দ্র

বিভ্রান্তিকর  খবর এবং গুজব রুখতে ব্যবস্থা না নিলে  সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম গুলির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবে কেন্দ্র

ভারতে যারা এই  সব সংস্থার প্রধান হিসেবে কাজ করেন তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সরকার

হাইলাইটস

  • অনলাইনে ঘৃণা ছড়ানোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি
  • নজরাদারিতে না হোয়টস অ্যাপের
  • সোশ্যাল মাধ্যমকে ব্যবহার করে গুজব ছড়ানো হচ্ছে, দাবি কেন্দ্রের
New Delhi:

বিভ্রান্তিকর  খবর এবং গুজব রুখতে ব্যবস্থা না নিলে  সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম গুলির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেবে কেন্দ্র। ভারতে যারা এই  সব সংস্থার প্রধান হিসেবে কাজ করেন তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সরকার। ফেসবুক এবং হোয়াটস অ্যাপকে ব্যবহার করে খুন  বা অশান্তির মতো ঘটনা রুখতেই এমন পদক্ষেপ করার কথা ভাবা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় সরকারের এক শীর্ষ আমলা।  ভারতে হোয়াটস অ্যাপ ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় 200 মিলিয়ন। এই সংস্থাকে কেন্দ্র বলেছিল  কোন মেসেজ কে পাঠাচ্ছে তার উপর নজরদারি চালতে। তাতে রাজি হয়নি হোয়াটস অ্যাপ।   পাশাপাশি এ ব্যাপারে একজন আধিকারিকও নিয়োগ করার কথা বলেছিল মোদী সরকার। সেটিও শুনতে চায়নি এই মেসজিং অ্যাপ।  এই বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলাও চলছে।

এ সব দেখে কেন্দ্রীয় সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতে কাজ করা  সোশ্যাল মাধ্যমগুলির প্রধানরা যদি বিভ্রান্তি বা ঘৃণা ছড়াতে বন্ধ করতে না পারেন তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থ্যা হবে।  কিন্তু এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি হল কেন? জানা গিয়েছে গণপিটুনিতে হত্যা বন্ধ করতে তৈরি কমিটি এমন সুপারিশই করেছে। এই কমিটির প্রধান কেন্দ্রীয়   স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং।   এখন সরকারি ভাবে কিছু জানা না হলেও সোশ্যাল মাধ্যমগুলিকে নিজদের বার্তা পৌঁছে দিয়েছে এনডিএ সরকার। এ ব্যাপারে এরপর কী করা হবে তার  রূপরেখা স্থির করার কাজ শুরু  করেছে সরকার। সেটা হয়ে গেলে সোশ্যাল মাধ্যমে ছড়াতে থাকা কোনও কিছুকে নিয়ে  আপত্তি থাকলে তা  মুছে দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারবে কেন্দ্র।এ ব্যাপারে অভিযোগ জানাতে আলাদা ওয়েব  পোর্টালও খোলা হয়েছে। সিসিপিডব্লুসিকে ব্যবহার করে  যে কেউ অভিযোগ জানাতে পারবেন।। এ পর্যন্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো গুজবের কারণে  40  জনের প্রাণ  গিয়েছে। এরপরই  তৎপর হল সরকার। ছেলে ধরা সন্দেহে বা অন্য কোনও কারণে গণপিটুনিতে যাতে প্রাণ না যায় তার জন্য কড়া পদক্ষেপ করার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্টও।