অফিসে তালা, ইউরোপিয় সাংসদদের জম্মু ও কাশ্মীর সফরের আয়োজকদের নিয়ে প্রশ্ন

ইউরোপিয় ইউনিয়নের (European lawmakers) নেতাদের সফরের আয়োজন করে ওয়মেন্স ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল থিঙ্ক ট্যাঙ্ক

জম্মু ও কাশ্মীর সফরে ২৩জন ইউরোপিয় ইউনিয়নের সাংসদ

নয়াদিল্লি:

জম্মু ও কাশ্মীর (Jammu and Kashmir) সফরে ইউরোপিয় ইউনিয়নের(European Union) অন্তত ২০ জন সাংসদ, জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ রাজ্যের মর্যাদা প্রত্যাহার করার পর এই প্রথম কোনও আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি দলের সফর, তাঁদের সফরের আয়োজকদের ঘিরে উঠল প্রশ্ন। সাংসদদের আমন্ত্রণ জানিয়ছিলেন মাদি শর্মা, যিনি ট্যুইটারে নিজেকে সামাজিক পুঁজিবাদী বলে পরিচয় দিয়েছেন, পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ব্যবসা এবং শিক্ষামূলক উদ্যোগী হিসেবেও তিনি পরিচয় দিয়েছেন। তাঁদের এই সফর ব্যক্তিগত, ইউরোপিয় সাংসদদের সফরটির দায়িত্বে রয়েছে ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর নন-অ্যালাইন স্টাডিজ, এমনটাই জানা গিয়েছে মাদি শর্মার ইমেল থেকে। বুধবার সকালে তাঁদের অফিসে তালা ঝুলতে দেখা যায়।

সোমবার যখন, ইউরোপিয় ইউনিয়নের সাংসদরা, জাতীয় উপদেষ্টা অজিত দোভাল এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করেন, সেই সময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন মাদি শর্মা।

লিবারেল ডেমোক্র্যাট সাংসদ, যিনি অভিযোগ করেছিলেন, অবাধ কাশ্মীরের দাবি তোলার কারণে, তাঁকে সফর থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে, মাদি শর্মার সঙ্গে তাঁর ইমেল বিনিময় NDTV কে শেয়ার করেছেন তিনি।

৭ অক্টোবর একটি ইমেলে মাদি শর্মা লেখেন, “আমি ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একটি ভিআইপি বৈঠকের আয়োজন করেছি, আপনাদের এই আমন্ত্রণ জানাতে পেরে আমি বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ। আপনারা জানেন, ভারতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি নির্বাচনে ব্যাপক জয় পেয়েছেন এবং তিনি ভারত ও দেশবাসীর জন্য বৃদ্ধি ও উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে চাইছেন। সেই জন্য, তিনি ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে দেখা করতে চান”।

মেলে বলা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে “২৮ অক্টোবর বৈঠক হবে, ২৯ অক্টোবর কাশ্মীর সফর এবং পরদিন সাংবাদিক সম্মেলন”।

sc96pdvoসফরের আয়োজক সংস্থার অফিসে তালা ঝুলতে দেখা যায়

মাদি শর্মার মেলে আরও বলা হয়েছে, “সফর হবে কয়েকটি দলের সদস্যদের, তিনদিনের সফরে, (দেওয়া হবে বিমানভাড়া এবং থাকার জায়গা, এবং এই সফর স্পনশর করবে ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর নন-অ্যালাইন স্টাডিজ)। আপনারা ভিআইপি অতিথি হিসেবে আসবেন এবং ইউরোপিয় সংসদের অফিসিয়াল সফর হবে না”।

পরদিনই মেলের জবাব দিয়ে, ক্রিস ডেভিস লেখেন, “কাশ্মীরে থাকাকালীন আমি স্বাধীন থাকব এবং আমি আশা করি যার সঙ্গে খুশি কথা বলতে পারব, সঙ্গে থাকবে না সেনাবাহিনী, পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী, তবে থাকবেন সাংবাদিক এবং টেলিভিশনের কর্মীরা”, এটা ভেবে আনন্দের সঙ্গে তিনি আমন্ত্রণ গ্রহণ করেন বলে জানান।