This Article is From Mar 02, 2020

বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে এফআইআর করার আবেদনে বুধবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানি

Delhi violence: সিএএ-র বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্ররোচনা দেওয়ায় অভিযুক্ত নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যে পুলিশকে ৪ সপ্তাহ সময় দেয় দিল্লি হাইকোর্ট

বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে এফআইআর করার আবেদনে বুধবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানি

CAA: বিজেপির কপিল মিশ্রের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য রাখার অভিযোগ উঠেছে

হাইলাইটস

  • দিল্লি হাইকোর্টের পর এবার সুপ্রিম কোর্টে দিল্লি হিংসায় নিহতদের পরিবার
  • আগামী বুধবার এই মামলাটির শুনানি শুরু হবে. জানাল সুপ্রিম কোর্ট
  • বিদ্বেষমূলক বক্তব্য রাখায় বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন
নয়া দিল্লি:

বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে এফআইআর করার আবেদনে বুধবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানি হবে। দিল্লির বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময়ে যে ধরণের বিদ্বেষমূলক বক্তব্য রেখেছিলেন গেরুয়া দলের নেতারা, তার জেরেই দিল্লিতে হিংসা (Delhi violence) ছড়িয়েছে, তাই তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হোক, এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শীর্ষ আদালতের (Supreme Court) দ্বারস্থ হন দিল্লি হিংসার বলি মানুষজনের পরিবার। এর আগে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (CAA) বিরুদ্ধে প্রতিবাদরত বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্ররোচনা দেওয়ায় অভিযুক্ত নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্যে পুলিশকে ৪ সপ্তাহ সময় দেয় দিল্লি হাইকোর্ট। এর আগে দিল্লির এক সমাজকর্মী হর্ষ মান্দের জানান, পাঁচ ভুক্তভোগীর পরিবার বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করে দিল্লি হাইকোর্টে একটি মামলা দায়ের করে, সেই মামলাটি হাইকোর্ট আপাতত এক মাসের জন্য স্থগিত করে রেখেছে।

নাগরিকত্ব আইন নিয়ে দিল্লিতে অশান্তি ছড়িয়ে পড়লে তার জেরে হওয়া সংঘর্ষে এখনও পর্যন্ত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহতের সংখ্যা শতাধিক। ফলে আতঙ্কগ্রস্ত দিল্লির সাধারণ মানুষ। যে সব মানুষজন দিল্লির ওই হিংসার জেরে নিহত হয়েছেন তাঁদের পরিবারই বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগে বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন করে এবার দেশের সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়।

দেশের শান্তি বজায় রাখতে "যে কোনও ভূমিকা" নিতে প্রস্তুত, বললেন রজনীকান্ত

এই পরিপ্রেক্ষিতে হর্ষ মান্দের বলেন, "আমরা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলাম। আমাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে একটি নোটিসও জারি করা হয়েছিল। কিন্তু পরে আবার ওই আদালতের বিচারপতিকে বদলি করা হয়। আর তারপরেই দিল্লি হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ওই মামলাটি ৬ সপ্তাহের জন্য স্থগিত করে দেন।"

তিনি আরও বলেন, "এই আবেদন করা জরুরি ছিল। কেননা এখানে প্রতিদিন ১০ জন করে মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে।"

চার সপ্তাহ যে তাঁদের মামলাটি স্থগিত করেছে হাইকোর্ট তার জন্যে আদালত কোনও কারণ দেখিয়েছে কিনা তা জানতে চেয়ে প্রধান বিচারপতি এস এ বোবদে বলেন: "রায় না বেরোলে এক্ষেত্রে আমরা কী করতে পারি?"

"আতঙ্কে ভুগছে দেশের রাজধানী, ৫ ঘণ্টায় কমপক্ষে ৪৮১ টি ভুয়ো "প্যানিক কল"

তিনি আরও বলেন: "আমরা শান্তি কামনা করছি। তবে আপনারা জানেন যে আমাদের শক্তিরও একটা সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আমাদের থেকে এমন কিছু প্রত্যাশা থাকে, কিন্তু আমরা তা করতে পারি না। বুধবার আমরা এই মামলাটি গ্রহণ করব। আসুন দেখা যাক আমরা কী করতে পারি।"

"আমরা এই ধরণের ঘটনা আটকাতে সক্ষম নই। আমরা শুধু এই ধরণের ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরে সেই পরিস্থিতি মোকাবিলা করার চেষ্টা করতে পারি। এটা আমাদের উপর এক ধরণের চাপ সৃষ্টি করে। আমরা এত চাপ সামাল দিতে পারি না", বলেন প্রধান বিচারপতি বোবদে।