This Article is From Feb 26, 2020

উত্তর পূর্ব দিল্লির দায়িত্বে অজিত দোভাল, পরিস্থিতি জানালেন অমিত শাহকে

জাফরাবাদে একটি পুলিশ কনভয় নিয়ে যান অজিত দোভাল, রবিবার থেকে উত্ত্প্ত জাফরাবাদ

এর আগে, দিল্লি পুলিশের স্পেশাল কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করেন অজিত দোভাল

নয়াদিল্লি:

দিল্লিতে সংঘর্ষে (Delhi Violence) উত্তপ্ত এলাকায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালকে (Ajit Doval), এদিন সন্ধ্যায় সেখানে গেলেন তিনি এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বললেন। সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “ইনশাল্লা, এখানে শান্তি ফিরবে”। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (National Security Advisor) বলেন, “পরিস্থিতি পুরোই নিয়ন্ত্রণে। মানুষ সন্তুষ্ট। আইন বিভাগের ওপর আমার আস্থা আছে। পুলিশ তাদের কাজ করছে”। জাফরাবাদে একটি পুলিশ কনভয় নিয়ে যান অজিত দোভাল, রবিবার থেকে উত্ত্প্ত জাফরাবাদ। নাগরিকত্ব আইন নিয়ে দিল্লিতে তিনদিনের সংঘর্ষে এখনও পর্যন্ত ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহতের সংখ্যা ২০০।

জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেন, তাঁকে উত্তর পূর্ব দিল্লিতে (Northeast Delhi) যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দিল্লি পুলিশ রয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনে, ফলে সংঘর্ষে উত্তপ্ত এলাকায় অজিত, দোভালকে পাঠানো নিয়ে ভ্রু কুঁচকেছেন অনেকেই।

এদিন সন্ধ্যায় পরিস্থিতি সম্পর্কে তথ্য নেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা, তার আগে, তার আগে দিল্লি পুলিশের বিশেষ কমিশনার(আইনশৃঙ্খলা) এসএন শ্রীবাস্তবের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি, উপস্থিত ছিলেন পুলিশের স্পেশাল কমিশনার (অপরাধ) সতীশ গোলচা এবং উত্তর পূর্ব দিল্লির ডেপুটি কমিশনার বেদপ্রকাশ সূর্য।

সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা এবং সকাল থেকেনতুন করে কোনও অশান্তির ঘটনা ঘটেছে কিনা, তার খোঁজ নেন।

এদিন সকালে নতুন করে অশান্তি ছড়িয়েছে, অগ্নিসংযোগ ও পাথর ছোঁড়ার খবর মিলেছে।  ভজনপুরায় একটি ব্যাটারির দোকানে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে।  দোকানে ভাঙচুর করা হয় এবং পুড়ে যাওয়া ব্যাটারি রাস্তায় ফেলে দেওয়া হয় বলে জানিয়েছে সংবাদসংস্থা পিটিআই।

মঙ্গলবার গভীর রাতে, সিলমপুর, জাফরাবাদ, মৌজপুর এবং গোকুলপুরীতে যান অজিত দোভাল। NDTV কে তিনি বলেন, “দিল্লি পুলিশের ক্ষমতা এবং উদ্দেশ্য নিয়ে মানুষের সন্দেহ রয়েছে। এ সম্পর্কে বলা দরকার। উর্দীধারীদের ওপর আস্থা রাখা প্রয়োজন মানুষের”।