This Article is From Feb 09, 2020

পরিসংখ্যান প্রকাশে দেরি হওয়া নিয়ে যুক্তি, আপের ভিডিও খণ্ডন করল নির্বাচন কমিশন

ট্যুইট করে পরিসংখ্যান জানাতে দেরি, নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল, সেখানে বলা হয়, নির্বাচন কী করছে? এতক্ষণ হয়ে গেলেও কেন ভোটের হার জানাচ্ছে না?

দিল্লিতে ভোট পড়েছে ৬২.৫৯ শতাংশ, জানাল নির্বাচন কমিশন (প্রতীকি ছবি)

নয়াদিল্লি:

দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে (Delhi Assembly Election) ভোট পড়েছে ৬২.৫ শতাংশ, রবিবার জানাল নির্বাচন কমিশন (Election Commission), ভোটগ্রহণের ২৪ ঘন্টারও বেশি সময় পর তথ্য জানাল কমিশন, ইতিমধ্যেই ভোটযন্ত্রে (Electronic Voting Machine) কারচুপি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আম আদমি পার্টি। ট্যুইট করে পরিসংখ্যান জানাতে দেরি, নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল, সেখানে বলা হয়, নির্বাচন কী করছে? এতক্ষণ হয়ে গেলেও কেন ভোটের হার জানাচ্ছে না? এর আগে নির্বাচন কমিশন প্রাথমিকভাবে ভোটের হার জানিয়েছিল ৫৭ শতাংশ। বিষয়টি নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে, নির্বাচন কমিশন জানায় “ভাল সময়েই” চূড়ান্ত পরিসংখ্যান এসেছে।

ভোটযন্ত্রে কারচুপি হয়েছে, অভিযোগ করে ভিডিও প্রকাশ করল আপ

মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক রণবীর সিং বলেন, “এটা একটা পদ্ধতিগত ব্যাপার, যখন এটা চূড়ান্ত হয়ে যায়, তখনই জানানো হয়”।তিনি বলেনন, রাতভর পরিসংখ্যান সংগ্রহ করা হয় এবং রিটার্নিং অফিসাররা ব্যস্ত ছিলেন।

আম আদমি পার্টি দাবি করেছে, ভোটযন্ত্রে কারচুপির চেষ্টা করা হয়েছে এবং বত্তব্যের সপক্ষে ভিডিও ট্যুইটও করেছে তারা। ভিডিও পোস্ট করে আপের রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিং বলেন, অবৈধভাবে ভোটযন্ত্র নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।

গতবার ভোট পড়েছিল ৬৭.৫ শতাংশ, সেই তুলনায় এবারের পরিসংখ্যান কম। রণবীর সিং উল্লেখ করেন, লোকসভা নির্বাচনের থেকে ভোটদানের হার ২ শতাংশ বেশি। বিধানসভা ভোটে ভোটদানের হার ছিল ৬৭ শতাংশ।

ট্যুইটটি রেখে দিন, বিজেপি জিতছে, এক্জিট পোল খারিজ করে দাবি মনোজ তিওয়ারির

নির্বাচন কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, “তিনি একটি ভোটযন্ত্র এক জায়গায়, আরেকটি অন্য জায়গায় রেখেছেন। তাঁকে ৭০০ মিটার হাঁটতে হয়েছে। কাছের জায়গাটিতে তিনি আগে গিয়েছিলেন এবং পরে অন্যটি নেন। ওই আধিকারিক যখন ভোটযন্ত্র সংগ্রহ করছিলেন, সেই সময় কিছু মানুষক তাঁর সঙ্গে কথা বলেন”।

শনিবার দিনভর ভোটদানের হার কম বলে জানানো হয়েছে, ভোটদানের হার বেড়েছে বলে জানায় নির্বাচন কমিশন, এবং আধিকারিকরা প্রাথমিক ভোটদানের হার ৫৭.০৬ শতাংশ বলে জানান, পরে সংখ্যাটি চূড়ান্ত পর্যায়ে বাড়তে পারে বলেও জানানো হয়।