বন্দুকের নিশানায় রেখে দিল্লির এক দম্পতিকে লুঠ

মুখ ঢাকা দিয়ে ৩ দুষ্কৃতীর হামলা,গোটা ঘটনাটি ধরা পড়ল ভিডিওতে।

 Share
EMAIL
PRINT
COMMENTS

উত্তর দিল্লির মডেল টাউনে বন্দুকের নিশানায় রেখে দম্পতিকে ডাকাতির ঘটনা ধরা পড়ল সিসিটিভি ফুটেজে


নয়া দিল্লি: 

ঘটনার কথা ভাবলে এখনও ভয়ে শিউরে উঠছেন উত্তর দিল্লিতে(North Delhi)  বসবাসকারী এক পরিবার।এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে ফেরার সময় নিজের বাড়ির পার্কিং এলাকায় তাঁদের পথ আটকায় ৩ বাইক আরোহী। তারপর ওই দম্পতির মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে (Robbed At Gunpoint) তাঁদের সর্বস্ব লুঠ করে তাঁরা। ওই ৩ দুষ্কৃতীরই মুখ ঢাকা (three masked miscreants)  ছিল বলে জানা গেছে। সবচেয়ে বড় কথা, বন্দুক ঠেকিয়ে ওই দম্পতিকে লুঠ করার সময় দম্পতির সঙ্গে ছিল দুই সন্তানও। তাঁদের সামনেই ওই ঘটনা ঘটায় আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে শিশুদুটিও।এলাকার সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছে গোটা ডাকাতির ঘটনা। জানা গেছে, তাঁদের বাড়ি সংলগ্ন কার পার্কিং এলাকার সিসিটিভিতে( CCTV footage) ধরা পড়েছে যে কিভাবে ৩ দুষ্কৃতী মুখ ঢেকে এসে তাঁদেরকে বন্দুক ঠেকিয়ে লুঠ করছে।

টিকটকের প্রভাব! গলায় লোহার চেন বেঁধে মঙ্গলসূত্র পরে আত্মঘাতী ১২ বছরের কিশোর

বরুণ বহেল নামে ওই ব্যক্তি জানিয়েছেন, রবিবার তাঁর স্ত্রীর বাপের বাড়ি থেকে দিল্লির মডেল টাউনে নিজের বাড়িতে ফিরছিলেন তিনি। তাঁদের সঙ্গে ছিল দুই সন্তানও। বাড়ি কাছাকাছি এসে যখন তিনি তাঁর গাড়িটি পার্ক করছিলেন সেসময়ই আচমকা একটি বাইকে করে ৩ দুষ্কৃতী তাঁর পথ আটকে দাঁড়ায়। তাঁদের মুখ পুরোপুরি ঢাকা থাকায় (three masked miscreants) তাঁদের চিহ্নিত করা সম্ভব নয় বলেই জানিয়েছেন তিনি। বন্দুক দেখিয়ে ওই দম্পতির সর্বস্ব লুঠ (Robbed At Gunpoint ) করে পালিয়ে যায় তাঁরা। এই ঘটনার জেরে অত্যন্ত নার্ভাস হয়ে পড়েন ওই দম্পতি । “রাত হয়ে যাওয়ায় খুব দ্রুত গাড়ি নিয়ে বাড়ি ফিরছিলাম আমরা। গাড়িটি পার্কিং এলাকায় রাখার সময় বাড়ির সদর দরজা খোলা ছিল। আমি গাড়িটি বারান্দার লাগোয়া অঞ্চলে রাখছিলাম”, এফআইআরে(FIR) জানিয়েছেন ওই ব্যক্তি।

সম্পত্তির লোভে বাবাকে কুপিয়ে ২৫ টুকরো করল ছেলে, ধরা পড়ল বাড়ির সামনেই

এরপরের ঘটনা ধরা পড়েছে সিসিটিভি ক্যামেরাতেই( CCTV footage) । দেখা যায় যে, বরুণ বহেল নামে ওই ব্যক্তি তাঁর মার্সিডিজ থেকে নেমে বাড়ির দরজা বন্ধ করতে যাচ্ছেন। ঠিক সেই সময়েই ৩ দুষ্কৃতী সেখানে ঢুকে পড়ে ও তাঁকে বন্দুকের নিশানায় রাখে(Robbed At Gunpoint) । বরুণ জানিয়েছেন, মুখ ঢাকা অবস্থায় ওই দুষ্কৃতীরা তাঁর টাকার ব্যাগ ও সোনার ব্রেসলেট ছিনিয়ে নেয়।“আমার হাতের ঘড়িটি নেওয়ার দিকে তাঁদের কোনো লক্ষ্য ছিল না”,অভিযোগ জানানোর সময় বলেন তিনি।ভি়ডিওতে দেখা যায় ওই ডাকাতির ঘটনার সময় ওই ব্যক্তির স্ত্রী তাঁর দুই সন্তানের সঙ্গে গাড়ির মধ্যেই বসে ছিলেন।একটি শিশু তো মায়ের কোলে ঘুমিয়েও পড়েছিল।ওই মহিলাকে দেখা যায় তাঁর মোবাইল বের করে আপদকালীন ফোন করার চেষ্টা করতে।

ছয় বছরের শিশু কন্যাকে খুন করে, মৃতদেহের সঙ্গেই যৌন তাণ্ডব চালাল চৌকিদার

তখনই ওই ৩ ডাকাতের মধ্যে একজন গাড়ির পাশে ছুটে যায় যেখানে মহিলাটি বসে ছিলেন।ওই দুষ্কৃতী গাড়ির দরজা খোলে এবং গাড়ির মধ্যে থাকা দামি জিনিসপত্রের খোঁজে হাতড়াতে শুরু করে। গোটা ঘটনা চলাকালীন ওই মহিলাকে দেখা যায় কোলের মধ্যে ঘুমিয়ে পড়া বাচ্চাটিকে শক্ত করে ধরে গাড়ির মধ্যেই সিঁটিয়ে বসে থাকতে।অন্য বাচ্চাটি তখন মায়ের পিছনের আসনেই বসে ছিল।

বেতন বাড়ানোর দাবিতে আসা চুক্তিভিত্তিক শিক্ষকদের উপর পুলিশের লাঠিচার্জ, আহত ১৫

“ওই দুষ্কৃতী আমার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করে সে সোনার হার পরে আছেন কিনা, যদিও তিনি হার পরে ছিলেন না”,বলেন শ্রী বহেল। মহিলার টাকার ব্যাগের খোঁজ করলেও তার নাগাল পায় নি ওই দুষ্কৃতী কেননা আগেই তিনি তা গাড়ির আসনের তলায় ঢুকিয়ে দিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত মহিলার হাতে থাকা মোবাইল ফোনটিই ছিনিয়ে নেয় সে।এরপর বরুণ বহেলকে গাড়ির দিকে এগিয়ে আসতে বলে ওই দুষ্কৃতী। তিনি এগিয়ে আসতে গেলেই, অন্য এক দুষ্কৃতী তাঁর মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে তাঁকে পিছিয়ে যেতে বলে চম্পট দেয় এলাকা থেকে। “আমরা এত ভয় পেয়ে গেছিলাম যে ঘটনার পর ঘরের দরজা বন্ধ করে চুপচাপ বসে ছিলাম। যদিও প্রচণ্ড ভয় পেয়ে আমার বা্চ্চারা কাঁদছিল”, জানান ওই ব্যক্তি।

পুলিশ ওই ডাকাতির ঘটনার এফআইআর(FIR) নথিভূক্ত করলেও এখনও পর্যন্ত একজন দুষ্কৃতীরও নাগাল পায় নি। তাঁরা জানিয়েছেন ওই ডাকাত দলটি আগেও এই একই কায়দায় হামলা চালিয়েছে । এমনকি একবার এক পুলিশ কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলিও চালায় তাঁরা।



পশ্চিমবঙ্গের খবর, কলকাতার খবর , আর রাজনীতি, ব্যবসা, প্রযুক্তি, বলিউড আর ক্রিকেটের সকল বাংলা শিরোনাম পড়তে লাইক করুন আমাদের Facebook পেজ অথবা ফলো করুন Twitter আর সাবস্ক্রাইব করুন YouTube

NDTV Beeps - your daily newsletter

................................ Advertisement ................................

................................ Advertisement ................................

................................ Advertisement ................................