অস্বাভাবিক লাফ! দিল্লিতে একদিনে সংক্রমিত ৯৯০ জন, সংক্রমণ ছাড়াল ২০ হাজার

সংক্রমণের আঁচ থেকে রাজ্যকে বাঁচাতে সীমান্ত সিল করেছেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তার মধ্যেই সোমবার থেকে দেশব্যাপী শুরু হয়েছে আনলক ১.০

অস্বাভাবিক লাফ! দিল্লিতে একদিনে সংক্রমিত ৯৯০ জন, সংক্রমণ ছাড়াল ২০ হাজার

াগামি কয়েক সপ্তাহ সিল থাকবে দিল্লির সীমানা। (ফাইল ছবি)

নয়া দিল্লি:

২৪ ঘণ্টায় অস্বাভাবিক লাফ। দিলিতে একদিনে আক্রান্ত (Covid-19 in Delhi) ৯৯০ জন। সোমবার পর্যন্ত রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজারে ছাড়াল (Poistive cases crossed 20K marks)। গত ২৪ ঘণ্টায় ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই সংখ্যা ধরলে দিল্লিতে করোনার জেরে মোট মৃত ৫২৩। সংক্রমণের আঁচ থেকে রাজ্যকে বাঁচাতে সীমান্ত সিল করেছেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (CM Kejariwal)। তার মধ্যেই সোমবার থেকে দেশব্যাপী শুরু হয়েছে আনলক ১.০। সেক্ষেত্রে ধাপে ধাপে ছন্দে ফেরাতে হবে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও নগরজীবনকে। তাই ঝুঁকি না নিয়ে সীমান্ত সিল করার সিদ্ধান্ত এমনটাই সূত্রের খবর। এদিকে, রাজ্যে সংক্রমিতের সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়ানোর জেরে তিন নম্বর স্থানে দিল্লি। প্রথম দুয়ে মহারাষ্ট্র ও তামিলনাড়ু। 

এদিকে, যত দিন এগোচ্ছে ততই যেন ভারতে বাড়ছে করোনা ভাইরাসের দাপট। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান  দেখে শিউরে উঠছেন সকলে। সরকারি তথ্য বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় এদেশে মারাত্মক ওই ভাইরাসে নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৮,৩৯২ জন। এখনও পর্যন্ত একদিনের নিরিখে সবচেয়ে বেশি আক্রান্তের পরিসংখ্যান এটিই। এর ফলে দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা মামলার পরিমাণ ১.৯ লক্ষও ছাড়িয়ে গেছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুসারে, দেশে মোট করোনা রোগী ১,৯০,৫৩৫ জন, যার মধ্যে ৫,৩৯৪ জনের ইতিমধ্যেই মৃত্যু ঘটেছে। এই নিয়ে দ্বিতীয় দিন, যখন ভারতে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা একদিনে ৮,০০০-কেও বেশি ছাড়িয়ে গেল।

একদিনে সর্বাধিক ৩৭১ জন সংক্রমিত বাংলায়! ২৪ ঘণ্টায় মৃত ৮, মোট সংক্রমিত ৫০৫১

শুধু যে করোনা সংক্রমণ বাড়ছেই তা নয়,  করোনা সংক্রমণের বিচারে এবার ফ্রান্সকেও টপকে গেল দেশ, সবচেয়ে বেশি করোনা আক্রান্ত ১০ দেশের তালিকার মধ্যে নবম থেকে একেবারে সপ্তমে উঠে এল ভারত।

শ্রমিক স্পেশালে বাড়ি ফেরার সময় ট্রেনেই মৃত্যু হল বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকের

তবে একদিকে যেমন নতুন করে দেশের মানুষ করোনা আক্রান্ত হচ্ছেন তেমনই চিকিৎসকদের চেষ্টায় সেরেও উঠছেন বহু মানুষ। দেশের পুনরুদ্ধারের হার অর্থাৎ যেসব করোনা রোগীরা ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়েছেন তাঁদের হার সোমবার সকাল পর্যন্ত ৪৮.১৯ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত মোট ৯১,৮১৯ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

দেশের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ অবস্থা মহারাষ্ট্রের। সেরাজ্যে এখনও পর্যন্ত মোট ৬৭,৬৫৫ জন মানুষ করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তবু তার মধ্যেও ঘুরে দাঁড়াতে চাইছে মহারাষ্ট্র। ৩ জুন থেকেই ধীরে ধীরে সেখানকার লকডাউন নিষেধাজ্ঞাগুলি শিথিল করা হচ্ছে। আগামী ৮ জুনের পর থেকে গোটা মাস ধরে তিন দফায় উন্মুক্ত করা হবে সবকিছু। এরপর পরিস্থিতি বিবেচনা করে সরকার পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে।  "মিশন বিগিন এগেন" নামে ওই পরিকল্পনা নিয়েছে মহারাষ্ট্র সরকার।