সিবিএসই-র দশম, দ্বাদশ পড়ুয়াদের উত্তীর্ণ করার আর্জি কেন্দ্রকে

সিবিএসই-র দশম, দ্বাদশ পড়ুয়াদের উত্তীর্ণ করার আর্জি জানাল দিল্লি। অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে তাদের উত্তীর্ণ করার আর্জি জা‌নিয়েছে দিল্লি।

সিবিএসই-র দশম, দ্বাদশ পড়ুয়াদের উত্তীর্ণ করার আর্জি কেন্দ্রকে

সিবিএসই-র (CBSE) দশম, দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের উত্তীর্ণ করার আর্জি জানাল দিল্লি (Delhi)। অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে তাদের উত্তীর্ণ করে দেওয়া হোক বলে কেন্দ্রের কাছে এই আর্জি জা‌নিয়েছে দিল্লি। মঙ্গলবার দিল্লি সরকার কেন্দ্রের কাছে আর্জি জানায়, সিবিএসই-র দশম, দ্বাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের উত্তীর্ণ করে দেওয়ার ব্যাপারে। যেহেতু সিবিএসই দেশব্যাপী করোনা সঙ্কটের কারণে পরীক্ষা নিতে পারেনি, তাই এই আর্জি জানিয়েছে তারা। এর পাশাপাশি সমস্ত ক্লাসের সিলেবাস ৩০ শতাংশ হ্রাস করার আবেদনও জানিয়েছে দিল্লি সরকার। একই সঙ্গে জেইই, এনইইটি ও অন্যান্য উচ্চশিক্ষার পরীক্ষার ক্ষেত্রেও কোর্স ছোট করার আবেদন জানানো হয়েছে বলে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়া জানিয়েছেন।

‘‘প্লাজমাথেরাপিকে করোনা চিকিৎসার উপায় হিসেবে সমর্থনের মতো প্রমাণ মেলেনি'': সরকার

তি‌নি টুইট করে জানান, ‘‘কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী রমেশ পোখরিয়াল নিশাঙ্কজি ও দেশের অন্যান্য শিক্ষামন্ত্রীদের সঙ্গে আজ একটি বৈঠকে যোগ দিয়েছিলাম। সেখানে এই আর্জিগুলি জানিয়েছি।''

তিনি জানান, ‘‘সিবিএসই দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। তাই তাদের নবম ও একাদশ শ্রেণির অভ্যন্তরীণ পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে পাস করানো হোক।''

চিনের কোভিড-১৯ টেস্ট কিট ভারত বাতিল করায় তারা ‘গভীর উদ্বিগ্ন‌' জানাল চিন

তিনি আরও লিখেছেন, ‘‘আগামী বছরের জন্য সমস্ত সিলেবাস ৩০ শতাংশ কমিয়ে দেওয়া হোক এবং জেইই, এনইইটি ও অন্যান্য উচ্চশিক্ষার পরীক্ষার ক্ষেত্রেও সেই হ্রস্ব সিলেবাস গ্রহণ করা হোক।''

তিনি আরও জানান, ‘‘দিল্লি সরকার আবেদন জানিয়েছে দূরদর্শন ও এয়ার এফএম-এ দৈনিক তিন ঘণ্টা বরাদ্দ করার জন্য যাতে শিক্ষকরা অন-এয়ার ক্লাস করাতে পারেন সমস্ত শিক্ষার্থীকে।''

মঙ্গলবারের ওই বৈঠকে মিড ডে মিল সূচি নিয়েও আলোচনা হয়েছে। সিদ্ধান্ত হয়েছে, এমনকী গ্রীষ্মের অবকাশের সময়ও সকল পড়ুয়াকে মিড ডে মিল দেওয়া হবে।

এর আগে সোমবার কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে অভিভাবকদের ভিডিও বৈঠক হয়। সেখানে নানা বিষয়ে আলোচনা হয়।

গত ১৮ মার্চ থেকে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও স্কুলগুলি বন্ধ রাখা হয়েছে করোনা অতিমারীর প্রকোপের কারণে। 
পরে ২৪ মার্চ থেকে দেশব্যাপী লকডাউন ঘোষিত হয়। লকডাউনের মেয়াদ বাড়িয়ে ৩ মে পর্যন্ত করে দেওয়া হয়েছে।