শাহরুখের সিনেমার শ্যুটিংস্থল, প্রয়াত মন্ত্রীর গ্রামে ছবি তুলতে দিতে হবে ট্যাক্স! চাপে পড়ে সিদ্ধান্ত বদল

১০০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০০ টাকা পর্যন্ত কর আদায়ের সিদ্ধান্ত গোয়ায় বেশ বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দাও

শাহরুখের সিনেমার শ্যুটিংস্থল, প্রয়াত মন্ত্রীর গ্রামে ছবি তুলতে দিতে হবে ট্যাক্স! চাপে পড়ে সিদ্ধান্ত বদল

Parra Village: নারকেল গাছের সারি দেওয়া এই রাস্তা প্রাকৃতিক দৃশ্যের জন্যও বিখ্যাত

পানাজি:

সুন্দর প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখে মুগ্ধ হয়ে তা ক্যামেরাবন্দি করতে চাইলে দিতে হবে কর! প্রয়াত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মনোহর পারিকরের (Union Minister Manohar Parrikar) পৈতৃক গ্রাম উত্তর গোয়ার পাররাতে (North Goa's Parra) নাকি এমনই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পঞ্চায়েত। তবে, পর্যটকদের পাশাপাশি স্থানীয়দেরও ছবি তোলার জন্য টাকা দিতে বলার কয়েক দিন পরে অসন্তোষের কারণে বিতর্কিত সিদ্ধান্তটি বাতিল করে দিয়েছে গ্রাম পঞ্চায়েত। নারকেল গাছের সারি দেওয়া এই রাস্তা কেবল প্রাকৃতিক দৃশ্যের জন্যই বিখ্যাত নয়। বহু সিনেমার শ্যুটিং স্পট হিসেবেও এখন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে পাররা গ্রাম। শাহরুখ খান-আলিয়া ভাট অভিনীত ‘ডিয়ার জিন্দগি' (Dear Zindagi) সহ বেশ কয়েকটি বলিউড সিনেমায় প্রায়শই এই এলাকাটিকে দেখা গিয়েছে।

আরও পড়ুনঃ “বাবাকে সবাই এত কেন ভালোবাসে”! আব্রামকে বোঝাতেই ভালো চরিত্র করতে চান শাহরুখ

১০০ টাকা থেকে শুরু করে ৫০০ টাকা পর্যন্ত কর আদায়ের সিদ্ধান্ত গোয়ায় বেশ বিতর্ক সৃষ্টি করেছে। ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দাও। এই করের ঘোষণা সহ পঞ্চায়েতের স্বাক্ষর করা একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়াতে তুলে ধরেন এক স্থানীয় বাসিন্দাই। এবং এই কর নিয়ে পর্যটকদের একটি ভিডিও'ও আপলোড করেন তিনি।

পাররা গ্রাম পঞ্চায়েতের সরপঞ্চ (Sarpanch of the Parra village panchayat) ডেলিয়াহ লোবো (Delilah Lobo) বলেন যে, দু'পাশে নারকেল আর পাম গাছের সারি দেওয়া ওই রাস্তায় ছবি ও সেলফি তোলার জন্য মানুষের উপর “স্বচ্ছতা কর” (Swachhta tax) চাপানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি, এর পিছনে উপার্জনের উদ্দেশ্য নেই। বরং পর্যটকদের উপদ্রব থেকে জায়গাটিকে বাঁচাতেই এই সিদ্ধান্ত। রাস্তাটি সরু, ফলত প্রায়শই যানজটের সমস্যা হচ্ছে এবং চারদিকে আবর্জনাও জমতে শুরু করেছে পর্যটকদের কারণে।

আরও পড়ুনঃ উচ্চতা ৮ ফুট ২ ইঞ্চি! মাথা গোঁজার জন্য হোটেল পাচ্ছেন না এই আফগান ক্রিকেট ফ্যান

ডেলিয়াহ লোবো বলেন, “আমরা আপাতত এই করগ্রহণ স্থগিত করেছি। গ্রাম পঞ্চায়েতের জন্য উপার্জন এই করের পিছনের উদ্দেশ্য নয়, পর্যটক এবং ফটোগ্রাফারদের ভিড়ে সংকীর্ণ রাস্তায় যানবাহনের জ্যাম আটকাতে এবং জায়গাটির চারপাশে আবর্জনা ফেলা বন্ধ করতেই কর চাপানোর কথা ভাবা হয়েছিল।”

এই করের কথা প্রকাশ্যে আসতেই গোয়ায় ভ্রমণ ও পর্যটন শিল্পের অংশীদাররাও বিরক্ত হয়েছিলেন। তাঁদের উদ্বেগ ছিল যে, উপকূলীয় গ্রামগুলিতেও এই জাতীয় কর বসালে পর্যটকদের ভিড় কমে যাবে।

More News