Cyclone Amphan: "হাই অ্যালার্ট" জারি করল নৌসেনা, উদ্ধারকাজে প্রস্তুত যুদ্ধজাহাজ

Warship Deployed: যুদ্ধজাহাজে রয়েছেন বেশ কয়েকজন চিকিৎসক, গাড়ির চালক, রয়েছে রবারের নৌকা,বিভিন্ন ত্রাণ সামগ্রী যেমন খাবার, তাঁবু, কাপড়, কম্বল, ওষুধ

Cyclone Amphan:

Cyclone Amphan: প্রবল বেগে পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশা উপকূলের দিকে আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় আমফান

হাইলাইটস

  • তীব্র বেগে ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গের দিকে ধেয়ে আসছে আমফান
  • এই ঝড়ের ফলে প্রবল ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা দেখা যাচ্ছে দুই রাজ্যে
  • নৌসেনার পক্ষ থেকে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট

ঘূর্ণিঝড় আমফানের (Cyclone Amphan) মোকাবিলায় এবার উচ্চ সতর্কতা (Navy on High Alert) জারি করল ভারতীয় নৌসেনা (Navy)। ভয়ঙ্কর ওই ঘূর্ণিঝড়ের দাপট সামলাতে সবরকমের সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে প্রশাসনের তরফে। এমনিতেই ঘূর্ণিঝড়টির উপর অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে ডপলার ওয়েদার রাডারের মাধ্যমে ধারাবাহিকভাবে লক্ষ্য রাখা হচ্ছে। তার উপর আবার আমফানের ফলে যে বিধ্বংসী পরিস্থিতির আশঙ্কা করা হচ্ছে তা সামাল দিতে সমুদ্রে উদ্ধারকার্যের জন্যে প্রস্তুত রাখা হয়েছে যুদ্ধজাহাজকে (Warship Deployed)। বিশাখাপত্তনমেই প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে সেটিকে। যে কোনও ধরণের সাহায্যের জন্য প্রস্তুত ওই যুদ্ধজাহাজটি। বিভিন্ন জায়গায় আটকা পড়া মানুষজনদের সরিয়ে নেওয়া সহ যেকোনও ধরণের প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানের জন্যেও প্রস্তুত সেটি। এই যুদ্ধজাহাজে রয়েছেন বেশ কয়েকজন চিকিৎসক, গাড়ির চালক, রয়েছে রবারের নৌকা এবং বিভিন্ন ত্রাণ সামগ্রী যেমন খাবার, তাঁবু, কাপড়, কম্বল এবং ওষুধ।

আমফানের প্রভাবে দিঘার সমুদ্রে জলোচ্ছ্বাস, বাংলায় বহু জায়গায় ভূমিধস

এছাড়াও ২০ টি বিপর্যয় মোকাবিলা দলকে বাংলা এবং ওড়িশার ত্রাণের কাজ চালানোর জন্যে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি বিশাখাপত্তনম ও তামিলনাড়ুতে ত্রাণ ও উদ্ধারকাজে সাহায্যের জন্যে প্রস্তুত রাখা হয়েছে নৌসেনা পরিচালিত বিশেষ বিমানও।

নৌবাহিনীর তরফ থেকে বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত এই ঝড়টির দিকে কড়া দৃষ্টি রাখা হয়েছে। পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ এবং ওড়িশার প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছে তারা। যে কোনও ধরণের ত্রাণ ও উদ্ধার কাজে সহায়তার জন্যে দুই রাজ্যের সরকারকেই আশ্বস্ত করেছে নৌসেনা।

আমফানের মোকাবিলায় সর্বশক্তি নিয়ে ঝাঁপান, কংগ্রেস কর্মীদের নির্দেশ দিলেন রাহুল গান্ধি

এখনও পর্যন্ত যা খবর তাতে আমফান প্রবল বেগে বয়ে যাবে পশ্চিমবঙ্গের দিঘা হয়ে বাংলাদেশের হাতিয়ার দিকে, এর ফলে এরাজ্যে ঘণ্টায় ১৮৫ কিলোমিটার গতিতে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, সঙ্গে চলবে লাগাতার ভারী বৃষ্টি। এই ঝড়ের গতিবেগ বেড়ে কোথাও কোথাও আবার ২০০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টাও হতে পারে। সমুদ্র এবং নদীগুলোতে আমফানের প্রভাবে জলোচ্ছ্বাস ৮ মিটারেরও বেশি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া দফতর।

এক বিবৃতিতে ভারতীয় আবহাওয়া দফতর সতর্ক করে জানিয়েছে যে, আমফানের ফলে উপড়ে যেতে পারে বিদ্যুতের খুঁটি এবং বড় বড় গাছ। পাশাপাশি বিভিন্ন ধাতব বস্তু বা বড় কিছুও প্রবল হাওয়ার তোড়ে উড়ে এসে অন্য জায়গায় আঘাত করতে পারে। ফলে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কায় সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। সমুদ্র প্রবলভাবে উত্তাল হবে, তাই এইসময় সমুদ্রে যাতে নৌকা না ভাসানো হয় তার জন্য়েও সতর্ক করা হয়।