করোনা আক্রান্ত কিশোরীকে যৌন হেনস্থা করলো অন্য করোনা রোগী!

Delhi Care Centre: যৌন হেনস্থাকারী ও তাঁর সহযোগী যে মোবাইলে গোটা ঘটনার ভিডিও তুলছিল, দুজনকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ, তাঁদের জেল হেফাজতে রাখা হয়েছে

করোনা আক্রান্ত কিশোরীকে যৌন হেনস্থা করলো অন্য করোনা রোগী!

Teen Sexually Assaulted: অভিযুক্তদের মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, চলছে তদন্ত (প্রতীকী চিত্র)

হাইলাইটস

  • দক্ষিণ দিল্লির কোভিড সেন্টারে চিকিৎসাধীন কিশোরীকে যৌন হেনস্থা
  • আরেক করোনা রোগীর বিরুদ্ধে তাঁকে হেনস্থা করার অভিযোগ
  • ঘটনার পর যৌন নির্যাতনকারী ও তাঁর সহযোগীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ
নয়া দিল্লি:

কথায় বলে, "স্বভাব যায় না মলে", অনেকটা তেমনই এক নিদর্শন মিলল এই ভয়ঙ্কর করোনা পরিস্থিতিতেও। দক্ষিণ দিল্লির একটি কোভিড কেয়ার সেন্টারে (Delhi Care Centre) ১৪ বছর বয়সী এক নাবালিকাকে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ উঠল আরেক করোনা রোগীর বিরুদ্ধে। ঘটনায় দিল্লি পুলিশের (Delhi Police) তরফে পকসো আইনে একটি এফআইআর দায়ের করা হয় এবং যৌন নির্যাতনে (Teen Sexually Assaulted) অভিযুক্ত ১৯ বছরের তরুণ এবং তাঁর সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়। জানা গেছে, যে কিশোরীর উপর যৌন নির্যাতন করা হয়েছে সে এবং অভিযুক্তরা সকলেই দিল্লিরই বাসিন্দা। কিছুদিন আগে করোনা পজিটিভ হিসাবে ধরা পড়ায় তাঁদের ওই কেয়ার সেন্টারে রেখে চিকিৎসা করা হচ্ছিল। যৌন নির্যাতনকারীর সঙ্গে আরও যে ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, সে ওই হেনস্থার ঘটনাটি মোবাইলে ভিডিও তুলছিল।

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে লকডাউন সত্ত্বেও করোনা আক্রান্ত ২,৪৩৬ জন, মৃত ৩৪

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে যে, গত ১৫ জুলাই রাতে কিশোরী যখন শৌচাগারে যায় সেই সময়ই তাঁর উপর হামলা করে ১৯ বছরের ওই তরুণ। নির্যাতিতা কিশোরী ও অভিযুক্তরা দিন কয়েক আগেই পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে ওই কোভিড কেয়ার সেন্টারে চিকিৎসার জন্যে ভর্তি হয়েছিল। জানা গেছে, দিল্লিরই একটি বস্তিতে বাস করত তাঁরা।

করোনা আতঙ্কে পুরসভা থেকে বাড়ি সিল করার সময় ভিতরেই রয়ে গেলেন বাসিন্দারা!

Newsbeep

কিশোরীর সঙ্গে যৌন হেনস্থা হওয়ার পর প্রথমে ভয়ে চুপ করে ছিল সে। পরে ওই কেয়ার সেন্টারেই চিকিৎসাধীন নিজের এক আত্মীয়কে ঘটনার কথা জানায় সে। পরে বিষয়টি পুলিশের কাছে পৌঁছায়। পুলিশ জানিয়েছে, দুই আসামীকেই গ্রেফতার করার পর ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে আদালতে হাজির করা হয়। বর্তমানে অভিযুক্ত দু'জনকেই জেল হেফাজতে রাখার আদেশ দেন বিচারক। অন্যদিকে যে কিশোরীর উপর যৌন নির্যাতন হয় তাঁকে আপাতত অন্য আরেকটি কোভিড কেয়ার সেন্টারে পাঠানো হয়েছে।

গোটা ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর অনেকেই হতবাক হয়েছেন। কেউ কেউ আবার বলছেন, করোনা ভাইরাসের মতো রোগ শরীরে বাসা বেঁধেছে যাঁর, যে কোনও মুহূর্তে মৃত্যু এসে দোরগোড়ায় কড়া নাড়তে পারে এমন মানসিক অবস্থাতেও কেউ যৌন হেনস্থা করার কথা ভাবতে পারে? "সত্য সেলুকাস, কী বিচিত্র এই দেশ!"