৪৮ ঘণ্টায় নতুন সংক্রমণ নেই কেরলে! মোট সংক্রমিত ৪৯৯, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

তিনি আরও দাবি করেছেন, সোমবার সন্ধ্যার মধ্যে একধিক চেকপোস্ট ধরে প্রায় ৫১৫ জন রাজ্যে প্রবেশ করেছেন

৪৮ ঘণ্টায় নতুন সংক্রমণ নেই কেরলে! মোট সংক্রমিত ৪৯৯, জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

এখন রাজ্যের হাসপাতালগুলোতে ৩৪ জন চিকিৎসাধীন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬১ জন। রাজ্যে মোট ৪৯৯ জন সংক্রমিত হয়েছেন। (ফাইল ছবি)

তিরুবনন্তপুরম:

৪৮ ঘণ্টায় কেরলে কোনও নতুন সংক্রমণের (Covid-19 in Karala) খবর নেই। সোমবার জানালেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পিনরাই বিজয়ন (CM Vijayan)। তিনি জানিয়েছেন, এখন রাজ্যের হাসপাতালগুলোতে ৩৪ জন চিকিৎসাধীন। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৬১ জন। রাজ্যে মোট ৪৯৯ জন সংক্রমিত হয়েছেন। মল্লপুরমের এক নবজাতক-সহ মৃত চার। এদিন জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, "গোটা রাজ্যে প্রায় ২১,৭২৪ জন বিশেষ পর্যবেক্ষণে। যাদের মধ্যে ৩৭২ জন হাসপাতালের পর্যবেক্ষণে। এখনও পর্যন্ত ৩৩ হাজার নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। যাদের মধ্যে ৩২,৩১৫টি নমুনা নেগেটিভ।" তিনি আরও বলেছেন, "দেশের বাইরে প্রায় ৮০ জন কেরলবাসীর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি অঙ্গরাজ্য গুলোতে সংক্রমিত একাধিক মালায়লি। এই পরিসংখ্যান অত্যন্ত বেদনাদায়ক।"

রয়েছে সরকারের ছাড়, তবুও রাজ্যের গ্রিন জোনে নামল না বাস

সরকারি সূত্রে খবর, নোরকা পোর্টালে রাজ্যে ফিরতে প্রায় দেড় লক্ষ নাগরিক নাম নথিভুক্ত করিয়েছেন। ২৮ হাজার নাগরিক পাসের জন্য আবেদন করেছেন। এখন পর্যন্ত ৫৪৭০ জনকে পাস প্রদান করা হয়েছে। এদিন সংবাদমাধ্যমকে জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি আরও দাবি করেছেন, সোমবার সন্ধ্যার মধ্যে একধিক চেকপোস্ট ধরে প্রায় ৫১৫ জন রাজ্যে প্রবেশ করেছেন। এদিকে, করোনাভাইরাসকে (Coronavirus) রুখে দিতে যে সমস্ত কেন্দ্রীয় প্রকল্প ও ব্যবস্থা চালু করেছে কেন্দ্রীয় সরকার তার ওপর সরাসরি নজর রাখতে দিল্লি সমেত এমন আরও কুড়িটি জেলা যেখানে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ বেশি সেখানে জনস্বাস্থ্য টিম মোতায়েন করছে কেন্দ্র।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক অনুসারে এই দলকে ২০ টি জেলা, মহারাষ্ট্রের মুম্বই, থানে এবং পুনে, মধ্যপ্রদেশের ভোপাল এবং ইন্দোর, গুজরাটের আমেদাবাদ ,সুরাত এবং ভদোদরা, দিল্লিতে দক্ষিণ-পূর্ব এবং মধ্য জেলা, রাজস্থানের যোধপুর এবং জয়পুর, উত্তরপ্রদেশের আগ্রা এবং লখনউ, তেলেঙ্গানার  হায়দরাবাদ,তামিলনাড়ুর চেন্নাই, পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা, অন্ধ্রপ্রদেশের কুর্ণুল এবং কৃষ্ণা জেলায় মোতায়েন করা হবে।

রাজ্যে কোনও লাল জেলা নেই, জানাল রাজ্য সরকার

২ মে জারি করা একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে,এই দলে রাষ্ট্রীয় রোগ নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র, AIIMS, JIPMER এবং ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ হাইজিন অ্যান্ড পাবলিক হেলথের বিশেষজ্ঞরা থাকছেন। এরা সবাই পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে এলাকায় কীভাবে পরিস্থিতির উন্নতি করা যায় তা সম্পর্কে পরামর্শ সম্বলিত রিপোর্ট অতিরিক্ত মুখ্য সচিব বা সচিব বা স্বাস্থ্য সচিবের কাছে পাঠাবেন।অপরদিকে, করোনা ভাইরাসকে রুখতে দেশব্যাপী যে লকডাউন জারি করা হয় তার মেয়াদ আজ অর্থাৎ ৪ মে থেকে আরও দুই সপ্তাহের জন্যে বাড়ানো হয়েছে।

রেল, বিমান, সড়ক পরিবহণ সহ সমস্ত ধরণের পরিবহণ ব্যবস্থা বন্ধ রাখা হয়েছে। এই মহামারীর সঙ্গে যুঝতে যে এলাকাগুলোতে সংক্রমণের ঝুঁকি কম বা একেবারে নেই বললেই চলে সেখানে লকডাউনের বিধিনিষেধ অনেকটাই শিথিল করা হয়েছে। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চাইছে রাজধানী দিল্লিও।



(এনডিটিভি এই খবর সম্পাদনা করেনি, এটি সিন্ডিকেট ফিড থেকে সরাসরি প্রকাশ করা হয়েছে।)