This Article is From Apr 19, 2020

“কোভিড ১৯ এর সময়ের জীবন”, লকডাউন নিয়ে বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

Coronavirus: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, “শতাব্দীর তৃতীয় দশকের শুরুটা উল্টোপাল্টাভাবে হয়েছে। কোভিড ১৯ এর ফেল অনেক কিছুতে ব্যাঘাত ঘটেছে”

“কোভিড ১৯ এর সময়ের জীবন”, লকডাউন নিয়ে বার্তা প্রধানমন্ত্রী মোদির

Coronavirus: প্রধানমন্ত্রী লেখেন, লকডাউনের ফলে তিনিও অনেক পরিবর্তন করেছেন তাঁর দৈনন্দিন কাজে

নয়াদিল্লি:

কোভিড ১৯ (COVID-19) বা করোনা ভাইরাস নিয়ে লিঙ্কডিনে নিজের একটি লেখা ট্যুইট করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) । সেখানে তিনি লেখেন, “বিশ্ব যখন করোনা কোভিড ১৯ এর সঙ্গে লড়াই করছে, ভারতে উৎসাহী এবং উদ্ধাভবনী যুবকরা সুস্থ এবং সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের পথ দেখাতে পারেন। লিঙ্কডিনে কিছু চিন্তাভাবনা আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করলাম, যা যুব ও পেশাদারদের আকৃষ্ট করবে”। লিঙ্কডিনে তিনি লেখেন, “শতাব্দীর তৃতীয় দশকের শুরুটা উল্টোপাল্টাভাবে হয়েছে। কোভিড ১৯ এর ফেল অনেক কিছুতে ব্যাঘাত ঘটেছে”। প্রধানমন্ত্রী  লেখেন, “করোনা ভাইরাস উল্লেখযোগ্যভাবে পেশাদার জীবনের সীমানা বদলে দিয়েছে। এই সময়ে, বাড়িই নতুন অফিস। ইন্টারনেট নতুন মিটং রুম। এই সময়ের জন্য, সহকর্মীদের সঙ্গে বিচ্ছেদ ইতিহাস তৈরি করেছে...আমিও এই সমস্ত পরিবর্তন করেছি। বেশিরভাগ বৈঠক, সেটা সহকর্মী মন্ত্রীদের সঙ্গে হোক, আধিকারিক হোক বা আন্তর্জাতিক নেতাদের সঙ্গেই হোক, এখন ভিডিও কনফারেন্সে হচ্ছে”।

এর আগে মুখ্যমন্ত্রী এবং অন্যান্য নেতাদের সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।

প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “একটা পথ রয়েছে, যার মাধ্যমে মানুষ এই সময়ে কাজ চালিয়ে যেতে পারছেন। আমাদের কিছু প্রতিভাবান চিত্র নির্মাতাদের ভিডিও রয়েছে, সেখানে মানুষকে ঘরে থাকতে বলা হয়েছে। আমাদের সঙ্গীতশিল্পীরা অনলাইন কনসার্ট করেছেন। অনলাইনে দাবা খেলা হচ্ছে, এর মধ্যে দিয়েই তাঁরা কোভিড ১৯  এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অবদান রাখছেন”।

প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “কাজের জায়গা প্রথমে ডিজিটাল হয়েছে। এবং কেন হবে না? সর্বোপরি, প্রযুক্তির সবচেয়ে বেশি পরিবর্তন এনেছে গরীবদের জীবনে। এটাই প্রযুক্তি, যা আমলাতন্ত্রের শ্রেণীবিন্যাসকে শেষ করে, মধ্যবিত্তদের দালালদের রাজত্ব শেষ করে, এবং কল্যাণকর কাজে গতি আনে”।

লকডাউনে বেশিরভাগ অফিসেই বাড়ি থেকে কাজ চালু হয়েছে।

ভারতে করোনা ভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা ১৫,৭১২, তারমধ্যে মৃত্যের সংখ্যা ৫০৭ বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক, উল্লেখ করা হয়েছে, ১,৩৩৪টি ঘটনা এবং ২৭টি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ২৪ ঘন্টায়।