"ভারতে লকডাউন ব্যর্থ!" পাঁচটি গ্রাফ টুইট করে দাবি রাহুল গান্ধির

চলতি সপ্তাহে ধারাবাহিক ভাবে রাহুল গান্ধি কেন্দ্রের সমালোচনায় সরব হয়েছেন। সংক্রমণ, পরিযায়ী মৃত্যু, আর্থিক মন্দার মতো নানা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীকে বিঁধেছেন সনিয়া-তনয়

পরিযায়ী শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলতে দিল্লির রাজপথে ঢুঁ মেরেছিলেন রাহুল গান্ধি

নয়া দিল্লি:

লকডাউন ব্যর্থ। এই ভাষাতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) কটাক্ষ করলেন রাহুল গান্ধি। অন্য দেশের সঙ্গে লকডাউনের তুলনা টেনে কংগ্রেস সাংসদ এই মন্তব্য করেছেন। এমনটাই দলীয় সূত্রে খবর। তাঁর দাবির স্বপক্ষে যুক্তি খাড়া করতে গিয়ে পাঁচটি গ্রাফ টুইট করেন রাহুল গান্ধি। সেই গ্রাফ থেকে স্পষ্ট ইউরোপের দেশগুলোর লকডাউনের তুলনায় ভারতে পাঁচ দফায় চলা লকডাউন কীভাবে ব্যর্থ! রাহুল গান্ধি বলেছেন, "দেশে এখন প্রতিদিন অস্বাভাবিক হারে সংক্রমণ বাড়ছে। আর সেই সময় আনলক ১.০ করছে কেন্দ্রীয় সরকার।" সংক্রমণ রোধে ২৫ মার্চ থেকে দেশে লাগু লকডাউন। মোট পাঁচ দফার এই লকডাউন বলবৎ হয়েছে ভারতে। যদিও দ্রুত লকডাউন ঘোষণাকে কুর্নিশ জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো। কিন্তু গত সপ্তাহে ক্রমাগত সংক্রমণের মাত্রা ঊর্ধ্বমুখী থাকায় উদ্বেগে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। 

দেখুন রাহুল গান্ধির সেই টুইট: 

চলতি সপ্তাহে ধারাবাহিক ভাবে রাহুল গান্ধি কেন্দ্রের সমালোচনায় সরব হয়েছেন। সংক্রমণ, পরিযায়ী মৃত্যু, আর্থিক মন্দার মতো নানা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীকে বিঁধেছেন সনিয়া-তনয়। 

করোনা পরবর্তী পরিস্থিতিতে ক্যাফে থেকে অফিস, সব জায়গাতেই মানতে হবে এই নিয়ম

এদিকে, করোনা সঙ্কটের কারণে চলতি বছরে কোনও নতুন সরকারি প্রকল্পের উদ্যোগ নেওয়া হবে না, স্পষ্ট করে জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রক। ২৫ মার্চ থেকে টানা লকডাউন চালিয়েও কোভিড- ১৯ (COVID -19) সংক্রমণকে রোখা যায়নি। এই পরিস্থিতিতে আপাতত করোনা সঙ্কটের মোকাবিলাই প্রধান লক্ষ্য, তাই নতুন করে আর সরকারি কোনও প্রকল্পের ঘোষণা করার কথা ভাবা হচ্ছে না, জানালেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন (Nirmala Sitharaman)। সমস্ত মন্ত্রককে ইতিমধ্যেই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, নতুন কোনও প্রকল্পের জন্যে যেন তারা কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের কাছে সমস্ত সুপারিশ করা বন্ধ করে দেয়।

কেবলমাত্র প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ যোজনা এবং আত্মনির্ভর ভারতের নীতিমালার আওতায় যে যে ঘোষণাগুলি করা হয়েছে, সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে সেগুলির পিছনেই এখন খরচ করার অনুমতি দেওয়া হবে, অন্য কিছুতে নয়, শুক্রবার জানিয়ে দিলেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন।

অর্থমন্ত্রকের তরফ থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, "কোভিড -১৯ মহামারীর পরিপ্রেক্ষিতে সাধারণ মানুষের কাছে এখন টাকার খুবই প্রয়োজন। এই পরিবর্তিত পরিস্থিতিকে অগ্রাধিকার দিয়ে সেই সংস্থানগুলি করার দিকেই জোর দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে" ।

এমনকী বাজেটের আওতায় থাকা অনুমোদিত প্রকল্পগুলিকেও আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত স্থগিত করে দেওয়া হল বলে জানিয়েছে অর্থমন্ত্রক। তবে একথাও বলা হয়েছে যে, এই অবস্থানের থেকে ব্যতিক্রমী কোনও পদক্ষেপ নিতে হলে তার অনুমোদন নিতে হবে সরকারের থেকে।