করোনা সতর্কতায় ধর্মীয় স্থানগুলোতে বন্ধ থাকছে প্রসাদ ও চরণামৃত বিতরণ, গাওয়া যাবে না প্রার্থনা সঙ্গীতও

Coronavirus: বৃহস্পতিবার জারি করা নয়া নির্দেশিকায় কেন্দ্র জানায়, ধর্মীয় স্থানগুলোতে সকলের মাস্ক ব্যবহার ও পারস্পরিক সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা আবশ্যিক

করোনা সতর্কতায় ধর্মীয় স্থানগুলোতে বন্ধ থাকছে প্রসাদ ও চরণামৃত বিতরণ, গাওয়া যাবে না প্রার্থনা সঙ্গীতও

Central Guidelines: মন্দিরগুলিতে কেন্দ্রীয় নির্দেশিকা মেনে একসঙ্গে অনেক ভক্তদের প্রবেশ নিষিদ্ধ

হাইলাইটস

  • দেশে করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে প্রত্যেককেই নিতে হবে অতিরিক্ত সুরক্ষা
  • স্বাভাবিক জীবনে ফেরার চেষ্টায় ধীরে ধীরে খুলে দেওয়া হচ্ছে ধর্মীয় স্থানগুলো
  • তবে সেখানেও কড়া নির্দেশিকা মানতে হবে ভক্তদের, প্রত্যেককে থাকতে হবে সতর্ক
নয়া দিল্লি:

করোনা ভাইরাসকে (Coronavirus) এখনই পুরোপুরি দূর করা সম্ভব নয়, তাই তাকে নিয়েই চলতে হবে, নিজেদের বজায় রাখতে হবে সতর্কতা, এমনই মনে করছে কেন্দ্রীয় সরকার। আর সেই লক্ষ্যেই লকডাউন বিধিও অনেক ক্ষেত্রেই শিথিল করা হয়েছে। খুলে দেওয়া হয়েছে ধর্মীয় স্থানগুলোও। তবে করোনা পরবর্তী এই সময়ে (Religious Places Covid) আগের মতো আর কোনও নিয়মই প্রায় থাকছে না দেশের মন্দির-মসজিদ-গির্জায়। এখন আর কোনওভাবেই ধর্মীয় স্থানগুলোতে একসঙ্গে বহু ভক্ত প্রবেশ করতে পারবেন না। পাশাপাশি কেন্দ্রের তরফ থেকে জারি করা হয়েছে আরও কিছু কড়া নির্দেশিকা (Central Guidelines)। এবার থেকে আর কোনও ধর্মীয় স্থানে ভক্তরা নৈবেদ্য উৎসর্গ করতে পারবেন, এমনকী বন্ধ রাখা হচ্ছে প্রসাদ বিতরণ বিধিও। দেবস্থানগুলোতে আর ভক্তরা ঈশ্বরিক সিঁদুর পরার সুযোগ পাবেন না, বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে চরণামৃত বিতরণও। 

খুলল ধর্মীয় স্থান,শপিং মলের দরজা, দেওয়া হল নয়া গাইডলাইন

বৃহস্পতিবার জারি করা নতুন নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, এখন আর ধর্মীয় স্থানে কোনওভাবেই একসঙ্গে জড়ো হয়ে প্রার্থনা সঙ্গীত গাওয়া যাবে না। প্রয়োজনে রেকর্ড করা সংগীত বাজানো যেতে পারে। দক্ষিণের শবরীমালা থেকে উত্তরের বৈষ্ণোদেবী পর্যন্ত দেশের সমস্ত জনপ্রিয় মন্দিরগুলি ২৫ মার্চ থেকে দেশে জারি লকডাউনের কারণে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এবার ধীরে ধীরে খুলে দেওয়া হচ্ছে সব ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো, তবে মানতে হবে ওই কড়া বিধিনিষেধ।

রাজ্যে নাইট কার্ফুতে শিথিলতা! এবার রাত ৯টা থেকে ভোর ৫টা অবধি লাগু কার্ফু

বৃহস্পতিবার জারি করা নয়া নির্দেশিকায় কেন্দ্র জানায়, ধর্মীয় স্থানগুলোতে সকলের মাস্ক ব্যবহার ও পারস্পরিক সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা আবশ্যিক। দর্শনার্থীদের জন্য পৃথক প্রবেশ ও প্রস্থানের ব্যবস্থা রাখার পরামর্শ দিয়েছে সরকার। নির্দেশিকাতে আরও বলা হয়েছে যে ভক্তরা ধর্মীয় স্থানগুলোতে প্রবেশের সময় যখন সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়াবেন তখন যেন প্রত্যেকে প্রত্যেকের থেকে কমপক্ষে ৬ ফুট দূরত্ব বজায় রাখেন।

আরও বলা হয়েছে যে, যে কোনও ধর্মীয় স্থানে প্রবেশের আগে ভক্তদের হাত-পা সাবান বা স্যানিটাইজার ও জল দিয়ে ধুয়ে নেওয়া উচিত। কোথাও কোনও কার্পেট পেতে রাখা যাবে না। মূর্তি, প্রতিমা বা ধর্মীয় কোনও উপাচারে হাত দিয়ে স্পর্শ করে প্রণাম করা আপাতত পুরোপুরি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।