This Article is From Apr 12, 2020

মানচিত্রে লাল-কমলা-সবুজ রঙ এবার সংক্রমণের মাত্রা চিনিয়ে দেবে দেশকে

লাল, কমলা, সবুজ, ট্রাফিক সিগনালের মতো এই ৩ টি রং এখন ফুটে উঠবে ভারতীয় মানচিত্রে।দেশের সংক্রমিত আর সংক্রমণ-মুক্ত এলাকা চিহ্নিত করতে এই উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্র

মানচিত্রে লাল-কমলা-সবুজ রঙ এবার সংক্রমণের মাত্রা চিনিয়ে দেবে দেশকে

দেশে মোট সংক্রমিতের সংখ্যা প্রায় ৮ হাজার। (ফাইল)

হাইলাইটস

  • দেশকে ৩ স্তরে ভাগ করতে উদ্যোগ নিল কেন্দ্রীয় সরকার
  • সংক্রমিত আর সংক্রমণ-মুক্ত এলাকা চিহ্নিত করতে ব্যবহার হবে লাল-কমলা-সবুজ রং
  • শনিবার মুখ্যমন্ত্রী-প্রধানমন্ত্রীর পর্যালোচনা বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে
নয়া দিল্লি:

লাল, কমলা, সবুজ, ট্রাফিক সিগনালের মতো এই ৩ টি রং এখন ফুটে উঠবে ভারতীয় মানচিত্রে (Tri-Colour Map)।দেশের সংক্রমিত আর সংক্রমণ-মুক্ত (Corona) এলাকা চিহ্নিত করতে এই উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্র। শনিবার ১৩টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে পর্যালোচনা বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। সেই বৈঠকে ইঙ্গিত মিলেছে বাড়বে লকডাউনের মেয়াদ। কিন্তু এখনও হয়নি সরকারি ঘোষণা। যদিও একাধিক রাজ্যে ইতিমধ্যে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধি করে দিয়েছে। এই অবস্থায় আর্থিক মন্দা একটা বড় উদ্বেগের কারণ কেন্দ্রের কাছে। সেই উদ্বেগ থেকে শনিবার প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, "আমাদের জীবনের সঙ্গে এবার জীবিকাকেও বাঁচাতে হবে।" সেই জীবিকা বাঁচানোর প্রয়াসে দেশকে এই তিন রঙে ভাগ করতে চলেছে কেন্দ্রীয় সরকার। কোন কোন এলাকায় মানুষের গতিবিধি নিয়ন্ত্রিত থাকবে না, তা স্থির করবে সবুজ রং। কোন এলাকায় মানুষের গতিবিধি নিয়ন্ত্রিত হবে, তা স্থির করবে কমলা রং। আর আঁতুড়ঘর অর্থাৎ লকডাউন জারি থাকার সম্ভাবনা কোথায়, তা লাল রং চিহ্নিত করবে। শনিবার বৈঠক শেষে সংবাদমাধ্যমকে এই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা। 

কোভিড-১৯-এর ধাক্কায় গভীর সঙ্কটে ভারতীয় অর্থন‌ীতি, দাবি বিশ্ব ব্যাঙ্কের

জানা গিয়েছে, দেশের ৪০০ জেলা করোনা সংক্রমিত। সেই জেলা হয় লাল কিংবা কমলা জোনে পড়বে। আর একদম সংক্রমণ-মুক্ত জেলাকে রাঙানো হবে সবুজ রংয়ে। এবার প্রশ্ন উঠেছে সংক্রমিত জেলাকে কীভাবে লাল আর কমলা জোনে ভাগ করা হবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর, যে এলাকায় ১৫ জনের কম সংক্রমিত আর এক সপ্তাহের মধ্যে নতুন সংক্রমণের খবর নেই, সেই এলাকা কমলা জোন। এই জোনে গণপরিবহণ, দোকান-বাজার, চাষাবাদ, অফিস-কাছারি খুলতে অনুমতি দেবে প্রশাসন।  তবে সেই কর্মকাণ্ড চলবে নিয়ন্ত্রিত মাত্রায়। যে এলাকায় ১৫ জনের বেশি সংক্রমিত আর দু'দিন অন্তর নতুন সংক্রমণ, সেই এলাকা রেড জোন। লকডাউন লাগু থাকবে সেই রেড জোনে। 

পুলিশের হাতে কোপ মারল লকডাউন অমান্যকারী, আহত আরও ২

এদিকে কোন কোন শিল্পকে লকডাউনের বাইরে রেখে কর্মকাণ্ড বিস্তারে অনুমতি দেওয়া যাবে, এমন তালিকা তৈরি করছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। সেই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে পারে খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ, অসামরিক বিমান পরিবহণ, ওষুধ, নির্মাণ, কৃষির মতো শিল্প।

.