দেশে সংক্রমণ ছাড়ালো ৮০ হাজার! প্রথম দুইয়ে মহারাষ্ট্র-তামিলনাড়ু

দেশে করোনা সংক্রমণের (Covid-19) সংখ্যা ৮০ হাজার ছাড়ালো। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট সংক্রমিত ৮০,৭৫৯

দেশে সংক্রমণ ছাড়ালো ৮০ হাজার! প্রথম দুইয়ে মহারাষ্ট্র-তামিলনাড়ু

গত একদিনে প্রায় ১৬০২ জন সংক্রমিত ওই রাজ্যে। মহারাষ্ট্রের পরেই আছে তামিলনাড়ু। মোট সংক্রমিত ৯৬৭৪। গুজরাতে (Gujrat) সংক্রমিত ৯২৬৭জন

নিউ দিল্লি:

দেশে করোনা সংক্রমণের (Covid-19) সংখ্যা ৮০ হাজার ছাড়ালো। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট সংক্রমিত ৮০,৭৫৯। জানা গিয়েছে, ১১টি রাজ্যের ১০ হাজার সংক্রমণ এই সংখ্যা বাড়িয়ে দিয়েছে। গত ৪৮ ঘণ্টার হিসেবে এই পরিসংখ্যান দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। মন্ত্রক সূত্রে খবর, এখনও সংক্রমণের নিরিখে প্রথম স্থানে মহারাষ্ট্র (Maharashtra)। মোট সংক্রমিত ২৭;৫২৪। গত একদিনে প্রায় ১৬০২ জন সংক্রমিত ওই রাজ্যে। মহারাষ্ট্রের পরেই আছে তামিলনাড়ু। মোট সংক্রমিত ৯৬৭৪। গুজরাতে (Gujrat) সংক্রমিত ৯২৬৭জন।এদিকে, বৃহস্পতিবার দিল্লিতে ৮ হাজার ছাড়িয়েছে সংক্রমিতের সংখ্যা। ২৪ ঘণ্টায় নতুন ৪৭২টি সংক্রমণ মিলেছে। দিল্লিতে মোট সংক্রমিত ৮৪৭০ জন। এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৩,০৪৫ জন। মৃত ১১৫ জন। অপরদিকে, মঙ্গলবার দেওয়া জাতির উদ্দেশে ভাষণে চতুর্থ দফার লকডাউনের ইঙ্গিত দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। যদিও, সেই লকডাউন কার্যকরী অনেক ক্ষেত্রেই শিথিলতা আসবে, এমন ইঙ্গিতও দিয়েছিলেন তিনি। 

এদিকে আবার, করোনা ভাইরাস থেকে পুরোপুরি মুক্তি হয়তো আর কোনওদিনই মিলবে না, এমন আশঙ্কার কথাই শোনাচ্ছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা 'হু'। বিবিসির খবর অনুযায়ী তাই গোটা বিশ্বকেই এই রোগটির সঙ্গে লড়াই করেই বাঁচা শিখতে হবে বলে জানিয়েছে ওই সংস্থা। করোনার সংক্রমণ রুখতে বিশ্বের বহু দেশই লকডাউনের পথে হেঁটেছে, একই পথে চলেছে ভারতও। ২৫ মার্চ থেকে টানা লকডাউন জারি রয়েছে দেশে। তবে এতকিছুর পরেও কোভিড- ১৯ সংক্রমণ পুরোপুরি ঠেকাতে পারছে না ভারত সহ কোনও দেশই। তাই ধীরে ধীরে সব দেশই লকডাউনের নিষেধাজ্ঞা শিথিল করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাওয়ার পথে হাঁটছে। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরেই চিনের উহান থেকে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে প্রায় গোটা বিশ্বেই। ৪.২ মিলিয়নেরও বেশি মানুষ সারা পৃথিবীতে আজ এই রোগে সংক্রমিত। বেড়েছে মৃত্যু মিছিলও, প্রায় ৩০০,০০০ মানুষের প্রাণ কেড়েছে ওই মারণ ভাইরাস।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার জরুরি নির্দেশক মাইকেল রায়ান বলেছেন, "এই প্রথমবার একেবারে নতুন একটি ভাইরাস মানুষের শরীরে বাসা বেঁধেছে প্রবেশ করেছে। তাই এর থেকে এখনই যে রেহাই পাবো তার ঠিক নেই বা কবে বিজয়ী হব তার অনুমান করাও খুব কঠিন"।

জেনেভাতে একটি ভার্চুয়াল সাংবাদিক সম্মেলনে রায়ান বলেন," এই ভাইরাসটি আমাদের মধ্যে থাকতে থাকতে আরও একটি স্থানীয় ভাইরাস হয়ে উঠতে পারে। তবে এটা বোঝা যাচ্ছে যে এই ভাইরাসটি কখনই একেবারে চলে যাবে না। "

"ঠিক যেমন এইচআইভি দূরে যায় নি - তবে আমরা ওই ভাইরাসকে কীভাবে আটকাবো তার পথ খুঁজে পেয়েছি", একথাও বলেন তিনি।