গন্তব্য রাজ্যে ঢুকতে অনুমতি লাগবে না ‘শ্রমিক’ স্পেশাল ট্রেনের: ভারতীয় রেল‌

অনেক রাজ্যই পরিযায়ীদের নিয়ে যে ট্রেনগুলি আসছে তাকে রাজ্যে ঢোকার অনুমকি দিতে চাইছে না। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় রেল এমন কথা জানাল।

গন্তব্য রাজ্যে ঢুকতে অনুমতি লাগবে না ‘শ্রমিক’ স্পেশাল ট্রেনের: ভারতীয় রেল‌

Coronavirus lockdown:কয়েক সপ্তাহ ধরে পরিযায়ী শ্রমিকদের ন্য বিশেষ ট্রেন চালানো হচ্ছে।

হাইলাইটস

  • বহু রাজ্যই পরিযায়ীদের ট্রেনকে ঢোকার অনুমতি দিচ্ছে না, লক্ষ করেছে কেন্দ্র
  • কেন্দ্রের মতে রাজ্যগুলির উচিত এই ট্রেনগুলিকে স্বাগত জানানো
  • বহু রাজ্য আবার রাজনীতি করার অভিযোগ জানিয়েছে কেন্দ্রের প্রতি
নয়াদিল্লি:

গন্তব্য রাজ্যে পৌঁছতে ‘শ্রমিক' স্পেশাল ট্রেনকে (Shramik Special Migrant Trains) কোনো অনুমতি নিতে হবে না। এমনটাই জানিয়েছে ভারতীয় রেল (Indian Railway)। এর আগে দেখা গিয়েছে, অনেক রাজ্যই পরিযায়ীদের নিয়ে যে ট্রেনগুলি আসছে তাকে রাজ্যে ঢোকার অনুমকি দিতে চাইছে না। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ভারতীয় রেল এমন কথা জানাল। রেলের মুখপাত্র রাজেশ বাজপেয়ী জানাচ্ছেন, ‘‘শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন চা‌লাতে রাজ্যের অনুমতি আবশ্যক নয়।'' কেন্দ্র যে রাজ্যগুলির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে তার অন্যতম পশ্চিমবঙ্গ। যদিও বিরোধীদের দাবি, কেন্দ্রের এমন দাবি অমূলক। বরং কেন্দ্রই পরিযায়ী শ্রমিকদের বাড়ি ফেরানোর ব্যাপারে কোনো উৎসাহ দেখায়নি। লকডাউনের পর থেকেই পরিযায়ী শ্রমিকদের অসহায় অবস্থা বারবার প্রকাশ্যে এসেছে। দীর্ঘ পথ হেঁটেই পেরোতে গিয়ে বহু শ্রমিককে বিরাট সমস্যায় পড়তে হয়েছে। মৃত্যুও হয়েছে বহু। কেবল শ্রমিকরাই নন, তাঁদের সঙ্গে তাঁদের স্ত্রী-সন্তানদেরও দেখা গিয়েছে দীর্ঘ পথ পেরোতে।

পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্যে বাসের ব্যবস্থা নিয়ে যোগী বনাম কংগ্রেস, রাত ২টোয় প্রিয়াঙ্কাকে চিঠি!

বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার জানিয়েছিলেন, তাঁর রাজ্যে কোয়ারান্টাইন করার বা পরীক্ষার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেই। তাই তিনি পরিযায়ী শ্রমিকদের ফেরানোর ব্যাপারে উদ্বিগ্ন। সোমবার তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যে ফেরা পরিযায়ীদের মধ্যে ৮ শতাংশ কর্মী করোনা পজিটিভ।

ট্রাক উল্টে ৩ পরিযায়ী মহিলা শ্রমিকের মৃত্যু, আহত কমপক্ষে ১২ জন

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে এই বিষয়েও কেন্দ্রের মতানৈক্য সামনে এসেছে। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে পরিযায়ীদের না ফেরাতে চাওয়ার অভিযোগ জানিয়েছেন।  মমতার অভিযোগ, কেন্দ্র বিষয়টি নিয়ে রাজনীতী করছে। কেন্দ্র জানাচ্ছে, মমতার প্রশাসনই রাজ্যে পরিযায়ীদের প্রবেশে বাধা দিচ্ছি। শোনা গিয়েছে, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন বিষয়টি নিয়ে এবং অনুরোধ জানান, মমতা যেন পরিযায়ীদের প্রবেশের অনুমতি দেন পশ্চিমবঙ্গে।

কেন্দ্র জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত কুড়ি লক্ষ পরিযায়ীকে শ্রমিক স্পেশাল ট্রেনের মাধ্যমে তাঁদের রাজ্যে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে।

এই বিশেষ ট্রেনের কথা প্রথম যখন ঘোষিত হল, তখন ভাড়া নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছিল। কংগ্রেস সভাপতি সনিয়া গান্ধি জানিয়েছিলেন, কংগ্রেস পরিযায়ী শ্রমিকদের ট্রেনভাড়া দিয়ে দেবে। কেন্দ্র জানিয়েছিল, তারা ৮৫ শতাংশ ভাড়া দেবে। বাকি ১৫ শতাংশ দিতে হবে সংশ্লিষ্ট রাজ্যকে।