সিএএ'র সমর্থনে এবার টুইটারে 'হ্যাশট্যাগ' প্রচার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

Citizenship Amendment Act: দেশব্যাপী চলা সিএএ বিরোধী আন্দোলনে এখনও ২৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। উত্তর প্রদেশে সেই সংখ্যাটা বেশি।

সিএএ'র সমর্থনে এবার টুইটারে 'হ্যাশট্যাগ' প্রচার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির

PM Modi আধ্যাত্মিক গুরু জাগ্গি বাসুদেবের একটা ইউ টিউব ভিডিও শেয়ার করেন

নয়াদিল্লি:

সিএএ'র প্রচারে এবারে টুইটারে সরব হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Prime Minister Narendra Modi)। হ্যাশট্যাগইন্ডিয়াসাপোর্টস সিএএ (#IndiaSupportsCAA) ব্যানারে তিনি লিখেছেন, এই আইন কারও নাগরিকত্ব কাড়বে না। কারও নাগরিকত্ব কাড়তে না, বরং বিতাড়িত এবং উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্ব দিতে এই আইন। এমনকি ওই টুইটের সমর্থনে দেশব্যাপী মানুষকে এগিয়ে আসতে আবেদন করেছেন তিনি। তিনি আরও লেখেন, "এই হ্যাশট্যাগ থেকে নমো অ্যাপে গিয়ে সিএএ সংক্রান্ত আপনার পছন্দের বিষয় (content) দেখুন-শুনুন। তার সঙ্গে সেগুলোর ব্যাপক প্রচার করুন আর সিএএর সমর্থনে এগিয়ে আসুন।"

আর একটি টুইটারে তিনি আধ্যাত্মিক গুরু জাগ্গি বাসুদেবের একটা ইউ টিউব ভিডিও শেয়ার করেন। সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, "দেখুন তিনি কেমন আমাদের ভ্রাতৃত্ব বোধ এবং ঐতিহাসিক সংস্কারের ওপর কথা বলেছেন। এমনকি, সিএএ নিয়ে চারদিকে যে মিথ্যা পরিবেশনা রটছে, তাঁকেও কেমন খারিজ করেছেন দেখুন।" গত সপ্তাহেই দেশব্যাপী চলা এই আন্দোলনে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন বিরোধী শিবিরের উস্কানি আছে, অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। 'টুকরে টুকরে গ্যাং'-এর নেতা অর্থাৎ কংগ্রেসকে আগামী দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে গণতান্ত্রিক উপায়ে শিক্ষা দিতে, সে রাজ্যের ভোটারদের কাছে আবেদন জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

পাশাপাশি দেশব্যাপী চলা সিএএ বিরোধী আন্দোলনে এখনও ২৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। উত্তর প্রদেশে সেই সংখ্যাটা বেশি। চলছে ব্যাপক ধরপাকড় এবং ক্ষতিপূরণ আদায়। তার মধ্যে থেকে এই আইনের পক্ষে প্রচার করতে পথে নেমেছে বিজেপি। 'জনসংযোগ যাত্রা' নামের এই কর্মসূচিতে প্রায় তিন কোটি পরিবারের কাছে পৌঁছবে গেরুয়া শিবির। পদযাত্রা, সমাবেশ, সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে চলবে প্রচার। মূলত এই আইনের ওপর তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি দূর করতেই এই জনসংযোগ যাত্রা, জানিয়েছে বিজেপির এক সূত্র। এমনকি সুপ্রিম কোর্টের সাম্প্রতিক নির্দেশকে মান্যতা দিয়ে এই প্রচার কর্মসূচি বলেও খবর। 
জানা গেছে, এই আইনে প্রথমবার নাগরিকত্বের প্রমাণ নেওয়া হবে। পাশাপাশি মুসলিম অধ্যুষিত পড়শি দেশগুলো থেকে ধর্মের কারণে বিতাড়িত হয়ে আসা সংখ্যালঘুদের দ্রুত নাগরিকত্ব দেবে।যদিও বিরোধী শিবির বলছে, এই আইন ভারতীয় মুসলিমদের প্রতি বিদ্বেষমূলক এবং সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর পরিপন্থী। ইতিমধ্যে অসমে এনআরসি'র জন্য প্রায় ১৯ লক্ষ মানুষ গৃহহীন হয়েছে। এনপিআর প্রক্রিয়ায় নতুনত্ব আনতে সিলমোহর বসিয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।