This Article is From Jan 28, 2020

‘‘ শাহিনবাগে কেউ মরছে না কেন‌?’’: আবার বিতর্কিত মন্তব্য দিলীপ ঘোষের

দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘৪-৫ ডিগ্রির কম তাপমাত্রায় বসে রয়েছে নারী ও শিশুরা। কিন্তু কেউই মারা যাচ্ছে না! কোন অমৃত আছে ওদের কাছে? আমি বিস্মিত!’’

শাহিনবাগের প্রতিবাদীদের দৈনিক ৫০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে, এমন দাবিও করেন দিলীপ ঘোষ।

হাইলাইটস

  • শাহিনবাগে প্রতিবাদীদের কেউ মারা যাচ্ছেন না কেন, বিস্ময় প্রকাশ দিলীপ ঘোষের
  • তিনি দাবি করেন, প্রতিবাদীদের দৈনিক ৫০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে
  • এর আগেও প্রতিবাদীদের নিয়ে এমন বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন তিনি
কলকাতা:

আবারও বিতর্কে জড়ালেন বিজেপির (BJP) রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। মঙ্গলবার তিনি বলেন, নোটবন্দির সময় লাইনে দাঁড়িয়ে কত মানুষ মারা গিয়েছেন। কেন শাহিনবাগে (Shaheen Bagh) সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদীদের (Protest Against CAA) কেউ মারা যাচ্ছেন না! কলকাতা প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলন করে তিনি বলেন, ‘‘আমাকে সবথেকে বেশি অবাক করেছিল দু'-তিন ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েই কারও কারও মারা যাওয়ার ঘটনায়। কিন্তু এখন ৪-৫ ডিগ্রির কম তাপমাত্রায় বসে রয়েছে নারী ও শিশুরা। কিন্তু কেউই মারা যাচ্ছে না! কোন অমৃত আছে ওদের কাছে? আমি বিস্মিত! কোন উদ্দীপনা কাজ করছে ওদের মধ্যে?''

তিনি আরও বলেন, ‘‘এটা আমাকে অবাক করছে। লোকজন শাহিনবাগে দিন-রাত শিশু ও মহিলাদের প্রতিবাদ দেখে বিস্মিত। কেউ আবার বলছে ওদের দৈনিক ৫০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। এটা হতেও পারে, নাও হতে পারে।''

সিএএ এনআরসির প্রতিবাদে হাতে তুলি মমতার, আঁকলেন প্রতিবাদী চিত্র

পাশাপাশি দেশজুড়ে সহিংস প্রতিবাদের পিছনে বিদেশি অর্থ বিনিয়োগ থাকার দাবি করে ইডির এক রিপোর্টও দেখান তিনি।

শাহিনবাগের আন্দোলনের প্রায় একমাস হতে চলল। এই আন্দোলন থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে মুম্বই ও প্রয়াগরাজেও শুরু হয়েছে আন্দোলন।

সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে আগত ধর্মীয় নির্যাতনের শিকার হিন্দু, খ্রিস্টান, শিখ, ফার্সি, জৈন ও বৌদ্ধ শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রদানের কথা বলা হয়েছে। আইন অনুযায়ী, এই সম্প্রদায়ের শরণার্থীদের বেআইনি অনুপ্রবেশকারী হিসেবে দেখা হবে না। তাঁদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। সমালোচকদের মতে, এই আইন মুসলিমদের জন্য বৈষম্যমূলক এবং এটি সংবিধানের বর্ণিত দেশের ধর্মনিরপেক্ষ ভাবমূর্তির পরিপন্থী।

গত ডিসেম্বরে এই আইন সংক্রান্ত বিল পাশ হওয়ার পর থেকেই দেশজুড়ে শুরু হয়েছে প্রতিবাদ।

এই প্রথম দিলীপ ঘোষ সংশোধিত আইনের বিরুদ্ধে আন্দোলনকে আক্রমণ করলেন তা নয়। সপ্তাহখানেক আগে তিনি বলেছিলেন, যে ‘পরজীবীরা' প্রয়োজনীয় কাগজ না দেখানোর কথা বলছে, তাদের জনতার সামনে মুখ দেখাতে লজ্জা পাওয়া উচিত। উত্তরপ্রদেশ, অসম ও কর্নাটকে প্রতিবাদীদের উদ্দেশে গুলি চালানোরও প্রশংসা করেন দিলীপ ঘোষ। বলেন, এই প্রতিবাদীদের ‘কুকুরের মতো' গুলি করে মারা উচিত।

.