নাগরিকত্ব আইন নিয়ে উত্তেজনার জেরে ভারত সফর বাতিল করলেন বাংলাদেশের মন্ত্রী

Citizenship Act: অমিত শাহ বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘুদের প্রতি অবহেলার অভিযোগ এনেছেন, মনে করা হচ্ছে ভারত সফর বাতিলের পিছনে এটাও অন্যতম কারণ

নাগরিকত্ব আইন নিয়ে উত্তেজনার জেরে ভারত সফর বাতিল করলেন বাংলাদেশের মন্ত্রী

Bangladesh: নাগরিকত্ব আইন নিয়ে বিতর্ক চলাকালীনই ভারত সফর বাতিল করলেন বাংলাদেশের মন্ত্রী

হাইলাইটস

  • ফের ভারত সফর বাতিল করলেন বাংলাদেশের এক মন্ত্রী
  • নাগরিকত্ব আইন নিয়ে উত্তেজনার জেরেই সফর বাতিল বলে অনুমান
  • শুক্রবার থেকেই দেশে লাগু হয়েছে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন
নয়া দিল্লি:

দেশ জুড়ে সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (Citizenship Act) বিরুদ্ধে প্রতিবাদের মধ্যেই শুক্রবার থেকে ভারতে লাগু হয়েছে ওই বিতর্কিত আইন। এই উত্তেজক পরিস্থিতির মধ্যেই ভারত সফর বাতিল করলেন বাংলাদেশের উপ বিদেশমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম (Shahriar Alam)। এর আগেও বাংলাদেশের (Bangladesh) ২ জন মন্ত্রী ভারত সফর বাতিল করেন। ভারতীয় বিদেশমন্ত্রকের বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতেই এ দেশে আসার কথা ছিল তাঁর, "রাইসিনা ডায়লগ" শীর্ষ আলোচনাতেও অংশ নেবেন তিনি, এমনটাই বলা হয়েছিল। কিন্তু সব আশায় জল ঢেলে সেই সফর বাতিল করলেন বাংলাদেশের উপ বিদেশমন্ত্রী। তবে তিনিই প্রথম নন, এর আগেও বাংলাদেশের দুই মন্ত্রী ভারত সফর বাতিল করেন। গত মাসে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিদেশমন্ত্রীও নিজেদের সফর বাতিল করে দেন এবং এর এক সপ্তাহ পরেই দুই দেশের মধ্যে নদী জলচুক্তি সংক্রান্ত আলোচনাও বাতিল হয়ে যায়। মনে করা হচ্ছে, বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইন এবং এনআরসি নিয়ে দু'দেশের মধ্যেও একটা উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, কেননা সম্প্রতি অমিত শাহ বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘুদের প্রতি অবহেলার অভিযোগ এনেছেন। এই সব কারণেই বাংলাদেশের মন্ত্রীরা ভারত সফর বাতিল করেছেন বলে অনুমান।

"কঠিন সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে দেশ": নাগরিকত্ব আইন প্রসঙ্গে বললেন প্রধান বিচারপতি

যদিও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মন্তব্যে বিতর্ক দানা বাঁধার পর কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে বিষয়টি স্পষ্ট করে বলা হয় যে তিনি ওই মন্তব্যটি "আগের সরকার ও সামরিক শাসনের অপব্যবহারের" পরিপ্রেক্ষিতে করেছিলেন।

গত মাসেই বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন নাগরিকত্ব আইন নিয়ে ভারতের প্রতি সতর্কবার্তা দেন। প্রস্তাবিত দিল্লি সফরের আগে সাংবাদিকদের সামনে উপস্থিত হতে মোমেন বলেন যে বাংলাদেশ সরকার সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার চালিয়েছে তা একেবারেই "সর্বৈব মিথ্যা"।

বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রীর পর ভারত সফর বাতিল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরও

নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে সারা দেশে বিক্ষোভ চলছে। বিশেষত কলেজ ক্যাম্পাসে এই আইনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। ভারতে এই প্রথমবার নাগরিকত্ব আইনে ধর্মকে নাগরিক হওয়ার মাপকাঠি করা হয়েছে। সরকারের দাবি, এই আইনের ফলে, ২০১৫ এর আগে, ধর্মীয় নিপীড়নের শিকার হয়ে ভারতে চলে আসা তিন মুসলিম অধ্যুষিত দেশের সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার পথ সহজ হবে । কিন্তু সমালোচকদের দাবি, এই আইনটি মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিভাজনমূলক এবং তা সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতাকে লঙ্ঘন করে।

More News