সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে ইতিবাচক সিদ্ধান্তে ইন্দো-চিন: চিনা বিদেশ মন্ত্রক

সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে চিনা বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র হুয়া চুনইং বলেন; "প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর উত্তেজনা শিথিল করতে উভয় পক্ষ পদক্ষেপ নিচ্ছে।"

সীমান্ত উত্তেজনা কমাতে ইতিবাচক সিদ্ধান্তে ইন্দো-চিন: চিনা বিদেশ মন্ত্রক

প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর সীমান্ত সমস্যায় উত্তেজনা বেড়েছে ইন্দো-চিন সম্পর্কে।

হাইলাইটস

  • সীমান্ত সমস্যা প্রশমনে ইতিবাচক সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে ইন্দো-চিন
  • বুধবার জানালেন চিনা বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র
  • ইতিমধ্যে দশ হাজার বাহিনী-সহ সামরিক সজ্জা নিয়ে আড়াই কিমি দূরে সরেছে পিএলএ
বেজিং:

সীমান্ত উত্তেজনা (LAC) প্রশমনে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত প্রণয়নে উদ্যোগ নিয়েছে নয়াদিল্লি ও বেজিং। ছয় জুন পূর্ব লাদাখে (East Ladakh) হওয়া দুই দেশের (Indo-China border dispute) শীর্ষ সামরিকস্তরের বৈঠকের অনুমোদন মেনে এই সিদ্ধান্ত। বুধবার স্পষ্ট করল চিনা বিদেশ মন্ত্রক। মঙ্গলবার ভারতের বিদেশ মন্ত্রক তরফে ঘোষণা করা হয়েছিল, পূর্ব লাদাখ এলাকায় বিতর্কিত অংশগুলো নিয়ে তৈরি হওয়া উত্তেজনা প্রশমনে দুই দেশের বাহিনীর নিয়ন্ত্রিত ভূমিকা পালন করেছে। ছয় জুন হওয়া বৈঠকে গৃহীত সিদ্ধান্ত মেনে এই দ্বিপাক্ষিক উদ্যোগ। তার একদিন বাদে ফের একই ধ্বনি শোনা গেল চিনের তরফে। এই বিষয়ে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে চিনা বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র হুয়া চুনইং বলেন; "প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর উত্তেজনা শিথিল করতে উভয় পক্ষ পদক্ষেপ নিচ্ছে।" সম্প্রতি কূটনৈতিক ও সামরিক স্তরে ঐক্যমতে পৌঁছাতে বিস্তর আলোচনা করেছে দুই দেশ। সেই আলোচনা থেকৃ গৃহিত ঐক্যমতকে বাস্তবায়িত করতে সক্রিয় ইন্দো-চিন। এদিন জানান চিনা বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র।

"কতটা এলাকা চিনের দখলে?" রাহুল গান্ধিকে জবাব দিতে ইউপিএ আমলকে কাঠগড়ায় তুললেন বিজেপি সাংসদ"

১০ হাজার বাহিনী-সহ সামরিক সজ্জা নিয়ে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা  (LAC) থেকে সরে গিয়েছে পিপলস লিবারেশন আর্মি (PLA)। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে বুধবার এমন দাবি করা হয়েছে। সাম্প্রতিক দ্বিপাক্ষিক সামরিক আলোচনায় পূর্ব লাদাখের (East Ladakh) তিনটি এলাকা থেকে সরে আসার ব্যাপারে সহমত পোষণ করেছে। সেই সহমতের ভিত্তিতে ইন্দো-চিন বাহিনী এলএসি বরাবর পিছনে সরার উদ্যোগ নিয়েছে। এই উদ্যোগের জেরে অনেকটাই কমেছে সীমান্ত উত্তেজনা (Border tension) দ্বিপাক্ষিক স্তরে আত্মবিশ্বাস বাড়াতে ছয় জুন এই বৈঠক হয়েছিল। তারপর রবিবার থেকে ধীরে ধীরে সরতে শুরু করেছে দুই দেশের সামরিক বাহিনী। জানা গিয়েছে, এলএসি বরাবর গালওয়ান উপত্যকা, প্যাট্রলিং পয়েন্ট ১৫ আর হটস্প্রিং এলাকার পেট্রলিং পয়েন্ট ১৭ থেকে সরতে শুরু করেছে বাহিনী।

Newsbeep

প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, চিনা আগ্রাসন রুখতে ও সীমান্ত নিশ্ছিদ্র করতে ভারতের তরফে দশ হাজার অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করা হয়েছিল। গত মাসের চার তারিখ থেকে ইন্দো-চিন সীমান্তে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। যখন সামরিক সজ্জা-সহ চিনা সামরিক বাহিনী ভারতীয় ভূখণ্ডের দিকে এগোতে শুরু করে।  সংবাদসংস্থা এএনআই সূত্রে এমনটাই খবর।